আজ বুধবার , ৯ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

ডিসিএন বাংলা ডেক্স রিপোর্টঃ

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় জাওয়াদ আতঙ্কে রয়েছে গোট উপকূলের সাধারন মানুষ। গভীর সাগরে থাকা শতশত মাছ ধরা ট্রলার নিরাপদে আসতে না পারায় দুশ্চিন্তায় পড়েছে শতশত জেলে পরিবারগুলো।

সকাল থেকেই পাথরঘাটার উপকূলীয় এলাকার আকাশ মেঘলা থেকে গুরি গুরি বৃষ্টি হচ্ছে দিনব্যাপী মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া, দুপুর থেকে বিকেল ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে,বেলা সাড়ে তিনটার পরে গুরি গুরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাতাস না থাকায় উপকূলীয় মানুষের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাগরে প্রচন্ড ঢেউ ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে শতশত ট্রলার গভীর সমুদ্রে থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে আসতে পারেনি। গভীর বঙ্গোপসাগরে শতশত মাছ ধরা ট্রলার আটকা পরায় দুশ্চিন্তায় পরেছে সাগরে থাকা জেলেদের পরিবার।

সদর পাথরঘাটা ইউনিয়নের পদ্মা গ্রামের ফারুক মাঝিসহ একাধিক পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের মাঝে এখন ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাগরে থাকা জেলেরো কিভাবে তীরে ফিরে আসবে, আদৌ আসতে পারবেনা কিনা এমন সংকা কাজ করছে।

শনিবার রাতে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, বহু ট্রলার এখন সাগরে অবস্থান করছে। কোন ঘাটেই কোন ট্রলার নেই। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আমরা যাদের মোবাইলে পেয়েছি তাদের নিরাপদস্থানে আসতে বলেছি। এখন পর্যন্ত কোন ট্রলার ঘাটে আসতে পারেনি। এতে করে জেলে পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ বলেন, আমাদের সকল রকমের প্রস্তুতি নেয়া আছে। সরকারের যথাযথ নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবো।

শতশত মাছধরা ট্রলার গভীর সাগরে

হাসেম ফরাজী  ছেলে   ইশা ফরাজী: ফাইল ছবি!

ডিসিএন বাংলা ডেক্স রিপোর্টঃ

বরিশাল নগরীর কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল ফুট ঘার্টের গলির মাথায় পাকা রাস্তার উপর বাবা মোঃ হাসেম ফরাজী (৫০) ছেলে মোঃ ইশা ফরাজী @ জিসান (১৮) জিসান বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র তার উপর ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল ও সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির ও মুন্না ফরাজী এবং মিঠু ও কবির , ঝুমুর বেগম বাহিনীরসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন সন্ত্রাসীরা মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারী মারধরের ঘটনা ঘটায়। এতে আহত হয় বাবা ও ছেলে দুই জন।

আহতরা ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী স্থানীয়রা বাবা হাসেম ফরাজী ছেলে মোঃ ইশা ফরাজী @ জিসানকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উক্ত হাসপাতালের MSU-IV বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৫৫৪/১৫৩। সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনা নিয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়েল করেন মামলার আহত হাসেম ফরাজী মেয়ে বাদীঃ মোসাঃ হাসি আক্তার (২৪) মামলা বিবরণ বলা কিছু কথা: পিতা-মোঃ হাসেম ফরাজী, মাতা- আঞ্জুমান বেগম (৪০), স্বামী মোঃ ইমরান, স্থায়ী সাং-বান্দ রোড, ভাটার খাল, ১০নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা-বরিশাল, এ/পি-আমানতগঞ্জ, বেলতলা, ০৬নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা বরিশাল।

মামলার আসামীদের পরিচয় :
১। মোঃ মনির ফরাজী (৪৫), পিতা অজ্ঞাত, ২। মোঃ মুন্না ফরাজী (২২), পিতা-মোঃ মনির ফরাজী, মাতা-মোসাঃ ঝুমুর বেগম, উভয় সাং-বান্দ রোড, ভাটার খাল, ১০নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা- বরিশাল, ৩। মোঃ কবির (৪২), পিতা-অজ্ঞাত, ৪। মোঃ মিঠু (২০), পিতা-মোঃ কবির, উভয় সাং-হিরন নগর, থানা-বন্দর, জেলা-বরিশাল সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন।

ঘটনাস্থলঃ ১ম ঘটনাস্থল : কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল ফুট ঘার্টের গলির মাথায় পাকা রাস্তার উপর। ২য় ঘটনাস্থল : কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল কোষ্ট গার্ড রফিকের চায়ের দোকানের সামনে।ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ১ম ঘটনার সময়ঃ ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩:০০ ঘটিকা। ২য় ঘটনার সময়ঃ ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকা।

আসামীরা কি ভাবে কাহিনী ঘটিয়েছেন তার বিবরণ :
২নং বিবাদী মোঃ মুন্না ফরাজী এলাকায় বখাটে ও মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। এলাকার সাধারন মানুষদের মারপিট করা এবং অহেতুক ঝগড়া বিবাদ করা ২নং বিবাদীর পেশা। ভাটারখাল এলাকার পরিবেশ ভাল না থাকায় আমরা স্ব-পরিবারে আমানতগঞ্জ, বেলতলা ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করি। ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০২:৫০ ঘটিকার সময় আমার ভাই ১নং সাক্ষী সহ ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় এবং তাহাদের বন্ধু বান্ধব আরো অনেকে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল ফুর্ট ঘার্টের গলির মাথায় চা খাওয়ার জন্য যায়। পরবর্তীতে ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩:০০ ঘটিকার সময় ১নং বিবাদীর নেতৃত্বে ২নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদী বে-আইনি জনতাবদ্ধে ঘটনাস্থলে আসিয়া ২নং বিবাদী সাক্ষীদের বলে গত কাল ০১/১২/২০২১খ্রিঃ তারিখ রাতে এখান হইতে তাহাদের টাকা ছিনতাই হইয়াছে।

উক্ত ছিনতাই আমার ভাই সহ ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় করিয়াছে মর্মে মিথ্যা অপবাদ দেয়। তখন উক্ত ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীগণ প্রতিবাদ করিলে ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদীরা ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীগণদের এলোপাথারী মারপিট শুরু করে। এই সময় ১নং বিবাদীর হাতে থাকা ইট দিয়া দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে ১নং সাক্ষীর মাথার উপর আঘাত করার সময় ১নং সাক্ষী তাহার মাথা কিছুটা সরাইয়া নিলে উক্ত ইটের আঘাত ১নং সাক্ষীর ডান পার্শ্বের চোখের উপরীভাগে লাগিয়া ফাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ২নং বিবাদী ইট দিয়া ১নং সাক্ষীর নাকের উপর সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী আঘাত করিয়া ছোলা ফাটা রাক্তাক্ত জখম করে। অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী কিল-ঘুষি মারিয়া নীলা ফুলা বেদনাদায়ক জখম করে। এই সময় ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা তাহাদের ভবিষ্যতে খুন জখম করার হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরবর্তীতে ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় সহ স্থানীয় কতিপয় লোকজন চিকিৎসার জন্য ১নং সাক্ষীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ১নং সাক্ষীকে উক্ত হাসপাতালের MSU-IV বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৫৫৪/১৫৩। উক্ত ঘটনার জের ধরিয়া ২য় ঘটনার সময় : ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকায় ৩নং বিবাদী মোঃ কবির আমার বাবা অর্থাৎ ২নং সাক্ষীকে মোবাইলে ফোনে কল করিয়া কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল কোষ্ট গার্ড রফিকের চায়ের দোকানের সামনে ডাকিয়া নিয়া যায়। সেখানে নিয়া সকল বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাহার রড ও লাঠি দিয়া ২নং সাক্ষীর পিঠে, কোমড়ে, বুকে, দুই পায়ে, হাতে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী আঘাত করিয়া ছোলা রক্তাক্ত জখম করা সহ নীলা ফুলা বেদনাদায়ক জখম করে। এই সময় উক্ত বিবাদীদের মধ্যে কেহ ২নং সাক্ষীর নিকটে থাকা ৫,৫০০/- (পাঁচ হাজার পাঁচশত) টাকা চুরি করিয়া নিয়া যায়।

এই সময় ২নং সাক্ষীর ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে সকল বিবাদীরা ২নং সাক্ষী সহ আমার ভাইকে ভবিষ্যতে খুন জখম করার হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে স্থানীয় কতিপয় লোকজন চিকিৎসার জন্য ২নং সাক্ষীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ২নং সাক্ষীকে উক্ত হাসপাতালের MSU-1 বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৬৫৪/২৫৩। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন উপরোক্ত ঘটনার সংবাদ পাইয়া তাৎক্ষনিত হাসপাতালে আসিয়া সাক্ষীদের নিকট হইতে উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত শুনি। উক্ত ঘটনার বিষয়ে উল্লিখিত সাক্ষীগণ সহ বহু সাক্ষী প্রমান আছে, যাহা তদন্তকালে উপস্থাপন করিব। ১ ও ২নং সাক্ষীদ্বয়ের চিকিৎসা কাজে ব্যাস্ত থাকা সহ ঘটনার বিষয়ে আমার নিকটতম আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।

এই মামলার বাদীসহ সাক্ষীগণ এখন নিরাপত্তাহীনতা আছে। এখনো মাদক ও সন্ত্রাস মনির বাহিনীরা হত্যার হুমকি দিচ্ছি এখনো পাইনি কোন আইনি সহযোগিতা। নিরবে ঘুরছে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির বাহিনীরা ।

এবিষয় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর  সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন এজাহার পেয়েছি খুব দ্রুত আসামীদের আইনি আওতায় আনা হতে বলেন তিনি।

বিস্তারিত আসবে আগামী পর্বে……………….

বরিশাল নগরীতে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির বাহিনীর হামলায় বাবা ও ছেলে আহত

মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী ডিসিএন বাংলা ঠাকুরগাওঃ রুহিয়ায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে প্রচার অভিযান পালন করেন মানব কল‌্যাণ পরিষদ নামে একটি সংগঠন। 
শনিবার দুপুরে ঢোলারহাটে এ কার্যক্রম পালন করেছে। ঢোলারহাট এস. সি উচ্চ বিদ‌্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে লিফলেট বিতরণের কার্যক্রম থাকলেও কৌশলে তারা এক মানব বন্ধন পালন করেন। 
এই বিষয়ে মাঠ কল‌্যাণ পরিষদের মাঠ সহকারী অফিসার আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ক‌্যামড়ার সামনে কথা বলতে চাইনা। কথা বলার অনুমতি অফিস আমাকে দেয়নি। 
ঢোলারহাট এস. সি উচ্চ বিদ‌্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মার্চাল্লো দাস জানান, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে ১৬দিনের প্রচারাভিযানে লিফলেট বিতরণ করেন। সেই সাথে আমাদের স্কুলে মানব কল্যাণ পরিষদের একটি কমিটি রয়েছে এ কমিটি আমাদের স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে বিভিন্ন ট্রেনিংও করেছে। 
 ঠাকুরগাঁও মানব কল‌্যাণ পরিষদের প্রোগ্রাম কো-অডিটর রাশেদুল আলম লিটন জানান, আজ​কে লিফলেট বিতরণের কর্মসূর্চী ছিল। চাইলে র‌্যালি ও মানব বন্ধন করতে পারবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে প্রচারাভিযান।

নোয়াখালী-৬ ( বেগমগঞ্জ-সোনাইমুড়ী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এ সভাপতি সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা বায়তুল মোকাররমে ও রোববার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে জেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ ১৯৩৯ সালে নোয়াখালীর সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে নানা প্রয়াত স্বনামধন্য সুফিসাধক শাহ্ আবদুস সামাদ খলিলপুরীর মাতৃয়ালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। অধ্যাপক হানিফের পৈতৃক নিবাস বর্তমান সোনাইমুড়ী উপজেলার ৮নং সোনাপুর ইউনিয়নে। তাঁর পিতা বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন প্রয়াত মৌলভী মোহাম্মদ ইব্রাহিম। মাতা উলফতের নেছা।

অতি অল্পবয়সে পিতার মৃত্যুতে অধ্যাপক হানিফ লালীত-পালিত ও শৈশবের কৈশোরে ছোট বেলায় বড় বোন ও বড় ভগ্নিপতির একান্ত সান্নিধ্যে ছিলেন।

শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক পাঠ শুরু করেন প্রথমে স্থানীয় বারাহিপুর, কালিকাপুর ও অশ্বদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে মৃধারহাট জুনিয়র হাইস্কুল থেকে আমিশা পাড়া কৃষক উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী জিলা স্কুল, সর্বশেষ মাইজদী হরিনারায়ণপুর হাইস্কুল থেকে ১৯৫৯ সালে মেট্রিকুলেশন, ১৯৬১ সালে চৌমুহনী এসএ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ১৯৬৩ সালে একই কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস করেন। পরবর্তীতে আইন বিষয়ে এল এল বি পাস করে এ্যাডভোকেট শীপ লাভ করেন।

অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের শিক্ষা শান্তি প্রগতির রাজনীতির সাথে জড়িত হন এবং ১৯৫৮ সালে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করেন। ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলনে জেলা সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ও একই সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়ীত্ব পালন করেন। এসময় তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তোলা আন্দোলনের ফলে নোয়াখালী জেলার সদর দপ্তর মাইজদীর পরিবর্তে ফেনীতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া রহিত হয়।

তিনি ১৯৬৪ সনে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, ১৯৬৫ সালে গঠিত ছাত্রলীগের গোপন সংগঠন বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্সের (বিএলএফ) কেন্দ্রীয় সদস্য, ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ), ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজনগর ক্যাম্পের ক্যাম্প ইন চীফের দায়ীত্ব পালন করেন।

১৯৭২ সালে মেম্বার অব কনষ্টিটিউয়েন্ট এসেম্বলী (এম সিএ), ড. কামাল হোসেনের সাথে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য(এমপি) নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত নোয়াখালী জোলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮১ থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কৃষি সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একাধারে কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধুর উৎসাহে ১৯৬৬ সালে কিছুদিন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ইত্তেফাকের সাব-এডিটর এর দায়ীত্ব পালন করেন। একই সালে তখন পূর্বপাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি থাকাকালে তিনি নোয়াখালী কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনায় করেন এবং ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্ণর মোনায়েম খাঁর আর্দশের রাজনৈতিক কারণে তিনি কলেজের অধ্যাপনার চাকুরী হারান।

ব্যক্তিগত জীবনে একজন নিরঅহংকার বোধের মানুষ সদা হাস্য উজ্জল সদালাপী বন্ধুসুলভ এই নেতা স্বাধীন দেশে প্রথম নোয়াখালীর বৃহত্তর বেগমগঞ্জে কৃষি সমবায় সমিতি প্রবর্তন করে এতদাঞ্চচলে কৃষি উৎপাদনে কৃষকদের মাঝে সুনাম অর্জন করায় তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হাত থেকে স্বর্ণ পদক পুরস্কার লাভ করেন।

আ. লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হানিফ আর নেই

শুটিং চলাকালে গুরুতর আহত হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। কলকাতার রাজারহাটে শুটিং করছিলেন তিনি। হঠাৎ সেটে ঢুকে পড়ে একটি বাইক। মাতাল চালক সরাসরি আঘাত করে প্রিয়াঙ্কাকে।

দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্জুন চক্রবর্তীও। পুলিশে সূত্রের বরাত দিয়ে এমন তথ্যই পরিবেশন করেছে আনন্দবাজার। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিয়ে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করছিলেন প্রিয়াঙ্কা-অর্জুন। সিরিজের নাম ‘মহাভারত মার্ডারস’।

গুরুতর আহত হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। তার পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রিয়াঙ্কা পায়ে অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল।

প্রিয়াঙ্কার পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। আপাতত সিরিজের শুটিং বন্ধ আছে। পুলিশ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানায়, মাতাল বাইক চালককে খুঁজছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যায় সে।

প্রিয়াঙ্কার অসুস্থতার খবরে বেশ চিন্তিত রাহুল। একসঙ্গে না থাকলেও প্রিয়াঙ্কার পাশে ছুটে গেছেন রাহুল। প্রিয়াঙ্কা হাসপাতালে থাকায় ছেলে সহজের দেখাশোনা করছেন রাহুল। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সকালে আমার ড্রাইভার প্রিয়াঙ্কার দুর্ঘটনার খবর জানান। তারপর ওর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। দুপুরে ওর অস্ত্রোপচার হবে। বিকেলে আমরা আবার হাসপাতালে যাব।

ছেলে সহজ বর্তমান রাহুলের বাসায় আছেন। রাহুলের বাড়ির লোকেরা তার দেখাশোনা করছেন। রাহুল জানান, সহজের যত্নের কোনো ত্রুটি হচ্ছে না।

গুরুতর আহত প্রিয়াঙ্কা

রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার আলোচিত মেয়র আব্বাস আলীর সরকারি খাল দখল করে নির্মাণাধীন অবৈধ দুইটি মার্কেট ভেঙে ফেলেছে প্রশাসন।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় মার্কেট ভেঙে ফেলার কাজ। দিনভর এ মার্কেট ভেঙে ফেলার সময় উপস্থিত ছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন।

তিনি বলেন, সরকারি খাল দখল করে মেয়র আব্বাসের মার্কেট উচ্ছেদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগথেকে গত ১০ অক্টোবর চিঠি দেয়া হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর পত্রিকার সংবাদ প্রকাশের পর থেকে বিষয়টি তদন্ত করে মতামতসহ জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এরপরে মেয়র আব্বাসকে গত একমাস আগে উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করা হয়। তাকে নোটিশ দেয়ার পরেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একারণে মার্কেট দুটি ভাঙা হচ্ছে।

শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল নয়টায় আব্বাসের অবৈধ মার্কেট ভাঙা শুরু হলে স্থানীয় উৎসাহী লোকজন সেখানে ভিড় করেন।

মার্কেট দুটি এমন সময়ে ভাঙা শুরু হল যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মেয়র আব্বাস আলী রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

এ ছাড়া একই অভিযোগে আব্বাস আলীকেপবা উপজেলা আওয়ামী লীগ কাটাখালি পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। তাকে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আব্বাসকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য জেলা আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠিয়েছে।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে বছরখানেক আগে কাটাখালি পৌরসভার ওপর দিয়ে যাওয়া খালটি ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পুনঃখনন করে।

গত এপ্রিলের দিকে মেয়র আব্বাস সরকারি এই খালের ওপর মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন। ১৯ জুলাই একতলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন করা হয়।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে সরকারি খালের ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে খালের ওপর প্রায় ১ হাজার ১৪৪ বর্গফুট জায়গাজুড়ে এ তিনতলা মার্কেটটি নির্মাণ শুরু করেন আব্বাস। এখানে ইতিমধ্যে দুইতলা ভবন উঠে গেছে।

এই মার্কেটটি আব্বাসের তিন তলা করার পরিকল্পনা ছিল।মার্কেটে ২১টি দোকান হত। অন্যদিকে ব্রিজের উত্তর পাশে খালের ওপর আরেকটি মার্কেটের দুইতলা উঠে গেছে। এই মার্কেটে দোকান হবে মোট ছয়টি। এসব দোকান ইতোমধ্যে আব্বাস স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বরাদ্দ দিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অপরদিকে সরকারি খালের ওপর মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু হলে অভিযোগ করেন কাটাখালি পৌরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত আগস্ট মাসে পবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।

এরপর কয়েক দিন কাজ বন্ধ থাকলেও পরে আবার জোরেশোরে নির্মাণকাজ শুরু করেন আব্বাস। কিন্তু এসবের পরও অদৃশ্য কারণে মার্কেটটি ভাঙেনি স্থানীয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন যুগান্তরকে বলেন, একমাস আগে মেয়র আব্বাসকে মার্কেট দুটি ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সরকারি নির্দেশনা অমান্য করেছেন। এ কারণে এখন মার্কেট দুটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে খালের ওপর আব্বাসের মার্কেট নির্মাণ নিয়ে যুগান্তরে একটি সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর ভিত্তিতেই আব্বাসের মার্কেট উচ্ছেদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ স্থানীয় প্রশাসনকে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়।

মেয়র আব্বাসের অবৈধ দুই মার্কেট ভেঙে দিল প্রশাসন

মিউনিখ, ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৪ ফুটবল বিশ্বকাপ জয়ী পশ্চিম জার্মানী দলের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে গতকাল মৃত্যুবরণ করেছেন হর্স্ট একেল। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
জার্মান ফুটবল ফেডারেশন শুক্রবার একেলের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। যদিও তার মৃত্যুর কারন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। একেলের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন।
বিশ্বকাপের ফাইনালে টুর্নামেন্ট ফেবারিট হাঙ্গেরিকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছিল পশ্চিম জার্মানী। ঐ দলের হয়ে টুর্ণামেন্টের সবকটি ম্যাচ খেলেছিলেন একেল। সেবার মাত্র দুজন খেলোয়াড় সবগুলো ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। হর্স্ট ছাড়া অপর খেলোয়াড় হলেন অধিনায়ক ফ্রিটজ ওয়াল্টার। ২২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার একেল পশ্চিম জার্মানী দলের সর্বকনিষ্ট খেলোয়াড় ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারনে ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে খেলতে না পারা পশ্চিম জার্মানী দলটি পরের বছরই শিরোপা জয় করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
পশ্চিম জার্মানীর হয়ে ১৯৫২ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় একেলের। ঐ সময় শালকের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলের কোচ সেপ হারবার্গার একেলকে সুযোগ দিয়েছিলেন। ম্যাচটিতে একেল দুই গোল করায় ওয়াল্টারের অনুরোধে বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পান।
হালকা পাতলা গড়ন ও দ্রুতগতির দৌড়ের জন্য জাতীয় দলে একেল ‘গ্রেহাউন্ড’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার সুবাদেই কেইসারলটার্ন ১৯৫০’র দশকে দুটি লিগ শিরোপা জয় করেছিল। সাধারণত রাইট-ব্যাক কিংবা রাইড সাইড মিডফিল্ডে খেললে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে একেল বেশী ভূমিকা রেখেছেন।
পশ্চিম জার্মানীর হয়ে একের ৩২টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৫১ ও ১৯৫৪ সালে দুটি লিগ শিরোপা জয়ী একেল কেইসারলটার্নের হয়ে ১৯৪৯-৬০ সাল পর্যন্ত ২১৪টি ম্যাচ খেলেছেন। কেইসারলটার্নে একেল যে পরিমান বেতন পেতেন তার ২০ গুন প্রস্তাব ইংলিশ ক্লাব ব্রিস্টল সিটির থেকে পেয়েও তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

১৯৫৪ বিশ্বকাপ জয়ী পশ্চিম জার্মানী দলের শেষ সদস্য হর্স্ট একেলের মৃত্যু

ডিসিএন বাংলা, আবহাওয়া খবরঃ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়েছে। শনিবার জাওয়াদ নামের এই ঘূর্ণিঝড় ভারতের ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় এটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। শনিবার উপকূলে পৌঁছানোর সময় তীব্র ঝড়ের গতিবেগ নিয়ে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাজ্যগুলোর প্রশাসন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফের আড়াইশ’র বেশি সদস্য, রাজ্য দমকল বাহিনী, দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার সদস্যদের মাঠে নামিয়েছে ওড়িশা। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো থেকে বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এছাড়াও সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জাওয়াদের প্রভাব মোকাবিলায় সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিশ্চিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যগুলোর প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানান, আগামীকাল শনিবার সকাল থেকে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টি শুরু হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে মূল বৃষ্টিপাত শুরু হবে রবিবার থেকে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট জেলায় খুলনা, বরিশাল, ঢাকা বিভাগের সব জেলায়। সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে রংপুর বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে আগামী সোমবার থেকে ও মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।

আগামীকাল আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’

বিষয়ভিত্তিক ও ৪০ ভাগ সি‌লেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার দা‌বিতে কি‌শোরগ‌ঞ্জে বি‌ক্ষোভ মি‌ছিল, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ ক‌রে‌ছে ২০২২ সা‌লের এইচএস‌সি পরীক্ষার্থীরা।

শ‌নিবার (০৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শহরের বি‌ভিন্ন ক‌লে‌জে অধ্যয়নরত আগামী বছ‌রের এইচএস‌সি পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মি‌ছিল বের করে। এতে শহ‌রের ৮ টি ক‌লে‌জে অধ্যয়নরত ২০২২ সা‌লের পরীক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

এক পর্যা‌য়ে তারা শহ‌রের কালীবা‌ড়ী মোড় এলাকায় প্রধান সড়ক অব‌রোধ ক‌রে বি‌ক্ষোভ কর‌তে থাকে। এতে প্রধান তিন‌টি সড়‌কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হ‌য়ে যায়। প‌রে পু‌লিশ এসে তা‌দের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্ত্ব‌রে স‌রি‌য়ে নেয়।‌ সেখানে মানববন্ধন কর্মসূ‌চি পালন ক‌রে তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ক‌রোনার কার‌ণে তারা ক্লাশ কর‌তে পা‌রেন‌নি। তাই এ বছ‌রের ম‌তো আগামী বছ‌রের এইচএস‌সি পরীক্ষা ৪০ ভাগ সি‌লেবাসে নি‌তে হ‌বে। একই সা‌থে গ্রুপ অনুযা‌য়ী সাবজেক্ট পরীক্ষা ও সি‌লেবাস অনুযা‌য়ী পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করতে হ‌বে।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিক জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাস্তায় অবস্থান নিলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তাই তাদের বুঝিয়ে রাস্তার পাশে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দুই দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ চলছে। ছবি-যুগান্তর
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে সমাবেশ করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশ শুরু হয়।

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সহসভাপতি হাফিজুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম জাকির, আশরাফুল আলম ফকির, মামুন খান, পার্থ দেব মণ্ডল, মাজদুল ইসলাম, কেএসএম মুসাব্বির শাফি, ওমর ফারুক কাওসার, পাভেল শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, শাহ নাওয়াজ, মহিন উদ্দিন, তানজিল হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক সুলতানা জেসমিন জুই, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সদস্য সচিব আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031