
প্রথম ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে লিটন দাস যেভাবে ব্যাট চালালেন আর টাইমিংও হলো, মনে হচ্ছিল, আজ দুমড়েমুচড়ে যাবে জেমকন খুলনার বোলিং। কিন্তু তিন বলের মধ্যে ছক্কা-চারে ১২ রান দেওয়া মাশরাফি বিন মুর্তজাই লাগাম টানলেন লিটনের ব্যাটে। তার আগে সৌম্য সরকার, পরে মাহমুদুল হাসান জয়, শামসুর রহমান ও মুস্তাফিজুর রহমানকেও। সব মিলিয়ে টি২০ ক্যারিয়ারসেরা বোলিং- ৩৫ রানে ৫ উইকেট। বল হাতে মাশরাফি জ্বলে ওঠার আগে ব্যাট হাতে খুলনাকে পথ দেখিয়েছেন জহুরুল ইসলাম অমি। ডানহাতি এ ওপেনারের ৫১ বলে খেলা টি২০ সর্বোচ্চ ৮০ রানে ভর করে স্কোরবোর্ডে ২১০ রানের পুঁজি জমা করে খুলনা। যে পুঁজিকে নিরাপদে আগলে রাখার কাজটি করেছেন পরে মাশরাফি।
মাশরাফির প্রথম চার বলের মধ্যে ১২ রান তুলে নেন লিটন। তবে ষষ্ঠ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে সৌম্য ক্যাচ দেন মিড উইকেটে। চতুর্থ ওভারে মাশরাফির শিকারে পরিণত হন লিটনও, স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে বোল্ড হন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান। তৃতীয় উইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিঠুন। এই জুটি ৪৯ বলে ৭৩ রান তুলেও ফেলে। তবে ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলে মাহমুদুলকে আউট করে দেন মাশরাফি। ২৭ বলে ৩১ রান করা এই তরুণ ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দেন ইমরুলের হাতে। মূলত ১২তম ওভারের প্রথম বলে তৃতীয় উইকেটের পতনের মধ্য দিয়েই ভেঙে পড়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। অধিনায়ক মিঠুন ফিফটি করলেও দলের কাজে লাগেনি।