ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসিন ফখরিজাদে হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দুষছে দেশটি। শুক্রবার দামাবন্দ এলাকায় মোহসিন ফখরিজাদের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় আততায়ীরা। এ সময় তার দেহরক্ষীর সাথে গোলাগুলি হয় হামলাকারীদের। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা ফখরিজাদেকে মৃত ঘোষণা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে, এতে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের মদদ রয়েছে বলে জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।
জাভেদ জারিফ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এই কাজের নিন্দা’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এক টুইট বার্তায় জারিফ বলেন, সন্ত্রাসীরা আজ বিশিষ্ট ইরানি বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে। এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দোষারোপ করেছেন তিনি। ইরানের পরমাণুবিজ্ঞানীকে হত্যার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে দেশটির চারজন বিজ্ঞানীকে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে থাকে ইরান। সর্বশেষ আজকের হামলার জন্যও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ইরান।
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরো ১ হাজার ৯০৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৬০ হাজার ৬১৯ জন হল। আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ৩৬ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮০ জনে দাঁড়াল। শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ২ হাজার ২০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ জন হয়েছে। গত ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৪ নভেম্বর তা ছয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।
সেলিমপুত্র ইরফানের নৌ-কর্মকর্তা ওয়াসিফকে মারধরের মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। অভিযোগপত্র জমা হতে পারে ডিসেম্বরেই। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে, ইরফানসহ ৫ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এর মধ্যে চার জন গ্রেপ্তার হলেও, পলাতক পঞ্চম আসামি। তাকে শনাক্ত করে গোয়েন্দারা বলছেন, তিনি ইরফানের আরেক দেহরক্ষী। ওয়াসিফকে মারধরেও জড়িত তিনি। পাশাপাশি খোঁজ চলছে, ঘটনাস্থল থেকে যে গাড়িতে করে ইরফান চলে যান সেটির।
তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। এসব তথ্য-প্রমাণসহ ডিসেম্বরেই অভিযোগপত্র জমা দেয়া হবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে দেহরক্ষী জাহিদ এরই মধ্যে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ������^f� �ҝ