আজ মঙ্গলবার , ৮ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে আবারও শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহের কারণে এক দিনের ব্যবধানে গতকাল এই অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসসূত্রে জানাযায়, বুধবার সারা দিন দিনাজপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রির ওপরে থাকলেও দিবাগত রাত থেকে এই অঞ্চলে বইতে শুরু করেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে এক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা বেশ কমে গেছে। বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি বলেন, ‌‘হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হিমালয়ের হিমশীতল বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে। তবে এটিই এই মৌসুমের সর্বশেষ শৈত্যপ্রবাহ বলে আভাস দেন তিনি। শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এই অঞ্চলে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পরিলক্ষিত হচ্ছে ঘন কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল করছে ধীরগতিতে। হঠাত্ করে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।’

এদিকে কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। উত্তরের হিমেল হাওয়া ঠান্ডার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিকাল হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে প্রকৃতি, যা অব্যাহত থাকছে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত। শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধরা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কৃষি শ্রমিকরা। এদিকে ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই ইনডোরের পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে অন্তত ৮০০ থেকে ৯০০ রোগী।

উত্তর জনপদে শৈত্যপ্রবাহ সঙ্গে ঘন কুয়াশা, দিনাজপুরে ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা***

নিউজ ডেস্ক:

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বেশি হতে হবে। এমন যুক্তিতে সিলিন্ডারের দাম ৯০২ টাকা করার সুপারিশ করেছে এনার্জি রেগুলারিটি কমিশন।

অথচ সরকারি এলপি গ্যাস লিমিটেড বলছে, ১২ কেজির সিলিন্ডারে ৭০০ টাকা হলেই তাদের চাহিদা মিটবে। অন্যদিকে বেসরকারি উৎপাদকরা সিলিন্ডারের দাম ১২৫৯ টাকা চান। আর চূড়ান্ত হবার আগেই বাজারে বেড়ে গেছে সিলিন্ডারের দাম। সিলিন্ডার গ্যাসের দাম আগেই বেড়েছে। প্রতি সিলিন্ডারে কোম্পানি ভেদে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার গ্যাস জানুয়ারিতে ৯০০ থেকে প্রায় ১০০০ টাকা হয়েছে।

দাম বাড়াতে চায় সরকারি উৎপাদক সংস্থা এলপি গ্যাস লিমিটেডও। তাদের দাবি ১৬ শতাংশ বাড়ালেই রাজস্ব চাহিদা পূরণ হবে কোম্পানিটির। বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির পর্যালোচনা অনুযায়ি, সরকারি গ্যাসের দাম হওয়া উচিত ৯০২ টাকা আর বেসরকারি ৮৬৬ টাকা। কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব কামুরুজ্জামান বলেন, বাজারে বিভিন্ন সাইজের সিলিন্ডার প্রচলিত আছে। কমিশন কর্তৃক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেজি অনুযায়ী পরবর্তী যে সিলিন্ডারের সাইজগুলো আছে সেগুলো সবগুলোরই মূল্য নির্ধারণ করার প্রয়োজন হবে।

জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, এলপিজি আনতে অনেক খরচ হয়, জাহাজ ভাড়া দিতে হয়। এটা আনতে ব্যয় কিভাবে কমবে তারা কিন্তু সেকথা বলেনি। তারা যে যেভাবে ব্যবসা করছে কত খরচ হয় সেই কথা বলছে। কিন্তু বিকল্প আরো অনেক উপায় আছে। যে কৌশলগুলো অবলম্বন করলে এর ব্যয় কমিয়ে আনা সম্ভব। তিনি বলেন, উৎপাদন খরচ কমানোর চেষ্টা না করে, দাম বাড়ানোর সহজ কৌশল নিচ্ছে কোম্পানিগুলো। যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভোক্তাস্বার্থ।

গ্যাসের দাম বেশি করতে চায় বিইআরসি ***

ডিসিএনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

সচিবালয়ে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, মিয়ানামার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানামার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই সরকারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এজন্য জোর কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। প্রত্যাবাসন কিভাবে করা হবে; সে বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় পুলিশ মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। তবে ক্যাম্পের বাইরে সেনাবাহিনী টহল থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা ছাড়াও সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সংঘটিত অভ্যন্তরীণ দাঙ্গার কারণে ১৯৭৮ ও ৭৯ সালে, ১৯৯১ ও ৯২ সালে এবং ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১১ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ উখিয়া উপজেলার ৩৫ টি কেন্দ্রে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি জানান, এর অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত দুই দফায় ৪০৬টি পরিবারের প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গাকে সেখানে স্থানান্তর করে সরকার। ভাসানচরে একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এবং একটি থানার কাজ চলছে। ভাসানচরে উৎসুক জনতা যাতে না যায় জেন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী এবং এপিবিএনের দুইটি ইউনিট কাজ করছে। একইসঙ্গে পুলিশ, বিজিবি, আনসার এবং র‌্যাব কাজ করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশে ১৪২ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া তৈরি করা হচ্ছে। এরমধ্যে ১১১ কিলোমিটার বেড়া তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছর জুনের মধ্যেই বেড়া তৈরির কাজ শেষ হবে। কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এতে রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তাদের নিরাপত্তাও দেওয়া যাবে। মন্ত্রী বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ বড় একটি চ্যালেঞ্জ। রোহিঙ্গা নাগরিকরা তাদের স্থায়ী ঠিকানায় গিয়ে ইয়াবা নিয়ে আসছে। এসবের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সেখানে খুনাখুনিও হচ্ছে। সেজন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল বাড়ানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে জাতিসংঘ সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ দেশি-বিদেশি ১৮০টি এনজিও কাজ করছে।

ভাসানচরেও ইতোমধ্যে ২২টি এনজিও কাজ শুরু করেছে। কিছু নিষিদ্ধ এনজিও এবং অনিবন্ধিত কোনো এনজিও ক্যাম্পগুলোতে কাজ করতে পারবে না মর্মে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে ১৩৪টি স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র ও ৫৪৯৫টি শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। যাতে রোহিঙ্গারা তাদের নিজেদের মিয়ানমারের ভাষা এবং ইংরেজি শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আগমনে ক্যাম্প এলাকায় বনায়ন ধ্বংস হয়ে যায়। এজন্য সেখানে বৃক্ষ ও ঘাস রোপণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে পাঠানোই সরকারের লক্ষ্য সচিবালয়ে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ***

ডিসিএনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

সিলেটে নতুন ৩০ ধরনের পরিবর্তিত করোনাভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। এর মধ্যে ৬টি ভাইরাস আগে বিশ্বের কোথাও পাওয়া যায়নি। সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের গবেষকরা। এর মধ্য দিয়ে নতুন ৩০ ধরনের পরিবর্তিত করোনাভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন তারা, যার ৬টি আগে বিশ্বের কোথাও পাওয়া যায়নি। গবেষকরা জানিয়েছেন, সিলেটের সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা থেকে সংগৃহীত নমুনা থেকে এ গবেষণা চালানো হয়।

শাবিপ্রবি’র জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক জি এম নূরনবী আজাদ জুয়েল জানান, প্রোটিন লেভেলে ৪৭টি মিউটেশন পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ৩০টি মিউটেশন বাংলাদেশের যা আগে রিপোর্ট করা হয়নি। এ অঞ্চলে করোনার গতিপ্রকৃতি ও বৈচিত্র্য উদঘাটনের লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগ এ মিউট্যান্টগুলো নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় এই গবেষণা কাজে আসবে বলে মনে করেন, গবেষকরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, ‘আমাদের ৩০ জনের দলটি দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করছেন তারা আরও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সেটা হলে সমগ্র সিলেট বিভাগে করোনার গতিপ্রকৃতি নির্ণয় করা আরও সহজ হবে।’ বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসহ সব ধরনের গবেষণা কাজে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলে জানালেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

নতুন ৬টি ভাইরাস বিশ্বব্যাপী কোথাও পাওয়া যায়নি ***

দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি খাতের ১০ প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা দানাযুক্ত বাসমতি নয়, এমন ১ লাখ ৫ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এলসি খোলার ১০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে আমদানির অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ৩ জানুয়ারি অনুমতির চিঠি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত ছকে আবেদন করা প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দপত্র ইস্যুর সাত দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে।

এ-সংক্রান্ত তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে। ব্যবসায়ীর মধ্যে যারা পাঁচ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছেন, তাদের এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ চাল এবং ২০ দিনের মধ্যে পুরোটাই দেশে বাজারজাত করতে হবে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছে তাদের এলসি খোলার ১৫ দিনের মধ্যে অর্ধেক চাল এবং ৩০ দিনের মধ্যে সব চাল স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করতে হবে বলেও মন্ত্রণালয় থেকে শর্ত দেওয়া হয়। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির শুল্ক কমিয়েছে সরকার। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাজার নিয়ন্ত্রণে এক লাখ টন চাল আমদানি ***

ডিসিএনবাংলা টেলিভিশনঃ

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) মা লীলাবতী হালদার ও সহযোগী অমিতাভ অধিকারীসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে পি কে হালদার প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমানে কানাডায় আছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পি কে হালদারের মা-সহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ***

চতুর্থ ধাপের পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ধাপে ৫৬টি পৌরসভায় ভোট নেওয়া হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে ৩১টিতে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং ২৫টিতে ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হবে। ভোট হবে ৮টা থেকে ৪টা পর্যন্ত। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর চতুর্থ ধাপের তফসিল ঘোষণা করেন। চতুর্থ ধাপের ভোটে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে। বাছাই করা হবে ১৯ জানুয়ারি। এছাড়াও ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। ইসি সচিব জানিয়েছেন, কমিশন সভায় আলোচনার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঝূঁকিপূর্ণ পৌরসভাগুলোতে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। বাকিগুলোতে ব্যালটপেপারে ভোট নেওয়া হবে। এ ধাপের পৌরসভাগুলোর মধ্যে রয়েছে-ঠাকুরগাঁওয়ের সদর (ইভিএম), রাণীশংকৈল (ব্যালট), রাজশাহীর নওহাটা (ব্যালট), গোদাগাড়ী (ইভিএম), তাহেরপুর (ব্যালট), লালমনিরহাটের সদর (ইভিএম) পাটগ্রাম (ব্যালট), নরসিংদী সদর (ব্যালট), মাধবদী (ইভিএম), রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ (ব্যালট), রাজবাড়ী সদর (ইভিএম), বরিশালের মুলাদী (ইভিএম), বানারীপাড়া (ব্যালট), শেরপুর সদর (ইভিএম) শ্রীবরদী (ব্যালট), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ (ইভিএম), নাটোরের বড়াইগ্রাম (ব্যালট), সদর (ব্যালট), খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা (ব্যালট), বান্দরবান সদর ( ইভিএম), বাগেরহাটের সদর (ইভিএম), সাতক্ষীরা সদর (ইভিএম), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট (ইভিএম) কুমিল্লার হোমনা (ইভিএম), দাউদকান্দি (ইভিএম), চট্টগ্রামের সাতকানিয়া (ইভিএম), চন্দনাইশ (ব্যালট), কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর (ইভিএম), হোসেনপুর (ব্যালট), করিমগঞ্জ (ব্যালট), টাঙ্গাইলের গোপালপুর (ইভিএম), কালিহাতী (ব্যালট), পটুয়াখালীর কলাপাড়া (ইভিএম), চুয়াডাঙ্গার জীবননগর (ব্যালট), আলমডাঙ্গা (ইভিএম), ফেনীর পরশুরাম ইভিএম, চাঁদপুরের কচুয়া (ইভিএম), ফরিদগঞ্জ (ব্যালট), মাদারীপুরের কালকিনি (ইভিএম), নেত্রকোনার সদর (ইভিএম), যশোরের চৌগাছা (ইভিএম), বাঘারপাড়া (ব্যালট), রাঙ্গামাটি সদর (ইভিএম), মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম (ইভিএম), শরীয়তপুর ডামুড্যা (ব্যালট), জামালপুরের মেলান্দহ (ব্যালট), ময়মনসিংহের ফুলপুর (ইভিএম) জয়পুরহাটের আক্কেলপুর (ইভিএম), কালাই (ব্যালট), নোয়াখালীর চাটখিল (ইভিএম), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া (ইভিএম), লক্ষ্মীপুরের রামগতি (ইভিএম), ফরিদপুরের নগরকান্দা (ব্যালট) এবং সিলেটের কানাইঘাট (ব্যালট)।

চতুর্থ ধাপে ১৪ ফেব্রুয়ারি ৫৬ পৌরসভায় ভোট ***

ডিসিএন বাংলা টেলিভিশনঃ

আগামী পাঁচ দিন পর শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। অর্থাৎ আগামী ৯ অথবা ১০ জানুয়ারির দিকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। এরপরের অন্তত এক সপ্তাহ আবহাওয়া এমন থাকতে পারে। রবিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‌‘৯-১০ জানুয়ারির দিকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। ফলে দেশের প্রায় সর্বত্রই দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে। এতে শীতের তীব্রতা আরেকটু বাড়বে। দেশের যেসব অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ চলছে সেগুলো আরও কিছু দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আর নওগাঁ, পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু এলাকায় প্রশমিত হতে পারে।

পাঁচ দিন পর বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা ***

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031