সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে আগের তুলনায় ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে নতুন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে মোট ৩ হাজার ২৬২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন যে ৫৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের ৫৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা। গত একদিনে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর আসেনি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী, যাদের ৩৩৬ জনই ঢাকা মহানগরীর। অন্যান্য বিভাগে ১১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করায় এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ঐ বছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এই ভাইরাস জ্বরে।
সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে আগের তুলনায় ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে নতুন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে মোট ৩ হাজার ২৬২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন যে ৫৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের ৫৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা। গত একদিনে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর আসেনি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী, যাদের ৩৩৬ জনই ঢাকা মহানগরীর। অন্যান্য বিভাগে ১১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করায় এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ঐ বছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এই ভাইরাস জ্বরে।
রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আজ শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “ভারতীয় হাই কমিশনার এখানে আছেন, তারা আমাদের সহযোগিতা করছেন জানি, আমরা এটুকু বলতে চাই- এই যে ১১ লাখ লোক, এখান থেকেও জঙ্গির উত্থান হতে পারে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত সময়ে নিজের দেশে না ফেরালে তাদের ঘিরে ‘সহজেই’ জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটার আশঙ্কার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
মন্ত্রী বলেন, ”এটা ইজি প্লে হতে পারে এই সন্ত্রাসীদের জন্য, আমরা যেটা সবসময় বলে আসছি। কাজেই এ সমস্যাটা যদি শিগগির শেষ না হয়, তাহলে হয়ত আমাদের নতুন ডাইমেশনে জঙ্গির উত্থান হয়েও যেতে পারে।” বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় ও জরুরি মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। তবে বিপুল সংখ্যক এই শরণার্থী এখন ‘বোঝা’ হিসেবে দেখছে সরকার।
২০০৮ সালে ২৬ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকীতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের ঘিরে জঙ্গিবাদ বিস্তারের শঙ্কার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল। তিনি বলেন, “যদিও আমরা সতর্ক রয়েছি, যদিও তারা আমাদের বেড়াজালের মধ্যে আছে, তারপরও আপনারা দেখছেন, তারা নিজেরা নিজেরা ক্যাম্পে রক্তক্ষরণ করছে।”
দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গি ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি নেওয়ার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা সেভাবেই ঢেলে সাজিয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা মনে করি, যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে।”সেজন্য তারা বড় রকমের আক্রমণ আগে থেকে ডিটেক্ট করতে পারছে। সেজন্য আমরা মনে করি, আমাদের জনগণও ঘুরে দাঁড়িয়েছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে।”
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতসহ অন্যান্য দেশের সহযোগিতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “তারা জঙ্গি দমনে আমাদেরকে সহযোগিতা করা, ইন্টেলেজিন্স শেয়ার করা, তাদের প্রযুক্তি আমাদেরকে দিয়ে আমাদেরকে সহযোগিতা করা- সব কিছু করছেন। সেজন্য এই জিনিসটা আমাদের কাছে আরও সহজ হয়েছে।” জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতার পেছনে ‘পাকিস্তানের ভূমিকার’ প্রসঙ্গ ধরে কামাল বলেন, “পাকিস্তান সবসময় আমাদের দেশের উপর, ওদের ইন্টেলিজেন্স যেটা, আইএসআই, এটার মাধ্যমে তারা নানানভাবে আমাদেরকে বিব্রত করার প্রচেষ্টা নিয়েছে। ”আমরা সে ব্যাপারে সবসময় খেয়াল রাখছি। যাতে করে তারা আর এই ধরনের ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য আমরা সবসময় তাদের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখছি।”
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা সবসময় আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে থাকি এবং আমরা তাদের থেকে আমাদের ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সবসময় খবরাখবর রাখতে সক্ষম হয়েছি।”
ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী অনুষ্ঠানে বলেন, “ওই হামলার কথা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কারণ সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা সশস্ত্র সেনাদের ওপর ওই আক্রমণ করেনি, তারা আক্রমণ করেছিল যতটা সম্ভব জনবহুল স্থানে, সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে; হোটেল রেস্তোরাঁ, স্টেশন প্রভৃতি এলাকায়। ”আমরা দেখেছি, আমাদের বন্ধু, পরিবারের সদস্য, আমাদের পরিচিতজন, ওই সময়টায় রেস্তোরাঁয় থাকার কারণে প্রাণ দিয়েছে। আমাদের অনেকে বন্ধুদের হারিয়েছি।” সেই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা এক বন্ধুকে হারানোর কথা জানিয়ে হাই কমিশনার বলেন, “আমাদের কেউ শুরুতে বুঝতেও পারিনি, কী ঘটছে।
”তবে, একটা জিনিস আমরা বুঝতে পেরেছি, এটা সাধারণ কোনো সন্ত্রাসী ঘটনা নয়, এটা এমন না যে ১০ জন লোক হুট করে বা ভারতের মধ্য থেকে এসে মানুষের উপর আক্রমণ করছে; এটা ছিল প্রশিক্ষিত কমাণ্ডো কায়দার অপারেশন।”
ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, “এখন তথ্য বলছে, তিনজন লোক সরাসরি এটা সমন্বয় করেছে, তাদের যোগাযোগের যন্ত্রপাতি ছিল। তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মানুষকে গুলি করার জন্য। তাদেরকে বলা হয়েছে পাসপোর্ট দেখে দেখে বিদেশিদের চিহ্নিত করে ঠাণ্ডামাথায় হত্যা করার জন্য।”
দোরাইস্বামী বলেন, “এটা এমন ঘটনা, যা ভোলারও নয়, ক্ষমা করারও নয়। কারণ এটা অন্য কোনো জায়গায় না হয়ে বোম্বেতে হয়েছে এবং এটা ঘটেছে আরেকটি রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়।
এটার পূর্বাপর যোগসূত্রও পাওয়া যায়। হামলা এমনভাবে ঘটেছে যে, যারা পেছনে রাষ্ট্র পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে। যেখানে খুনিরা কোনো ধরনের বিচারের মুখোমুখি না হওয়ার নিশ্চয়তা পেয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। যেটা ঘটেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়েও। কেবল নিজের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণে, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে অধিকারের জন্য। এজন্য কেবল বাঙালি হওয়ার কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছিল।” ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও সমাজকর্মী আরমা দত্ত, ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল’ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রশীদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ।
রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে কয়েক হাজার পরিবার এখনও বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকার বিষয়টি নজরে এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাই চরের বাসিন্দা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও যারা বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে আছেন, তাদের দ্রুত সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনে নতুন প্রকল্প হাতে নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশের কথা জানিয়ে বলেন, “তিনি বলেছেন, কোনো বাড়ি বা পরিবার অন্ধকারে থাকবে না।”সরকারপ্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী শতভাগ মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় আনার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন তোফাজ্জল হোসেন। বিদ্যুৎ মন্ত্রাণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিড লাইন এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত এবং চর এলাকায় সৌর শক্তির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রংপুর জেলার রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া উপজেলা এবং লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় মোট ১২ হাজার ১৭০টি সোলার হোম সিস্টেম বসানোর কথা ছিল। এ পর্যন্ত সেখানে ৯ হাজার ৮৪৫টি সোলার সিষ্টেম স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা পিডিবিএফ।
গত ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তালিকাভুক্ত ৯০টি পরিবারকে এই সিস্টেম দিতে পারেনি পিডিবিএফ। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তার নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ প্রকল্পে তাদের বাড়িতে সোলার হোম সিস্টেম বসানো হয়।
সচিব জানান, এসময় বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকা গঙ্গাচড়া উপজেলার বাকি পরিবারগুলোকেও দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহম্মদ মউদুদউর রশীদ সফদার। তিনি বলেন, “রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চরাঞ্চলের তিন হাজার ৭০৮ পরিবারকে কীভাবে বিদ্যুতের আওতায় আনা যায় সে লক্ষ্যে আমরা পল্লী বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বিত ভাবে কাজ করছি।
“যেখানে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া যাবে সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। আর যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতের লাইন টানা যাবে না, সেখানে সোলার হোম প্যানেল সিস্টেম বসানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।” বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়,দেশে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। যেখানে ২০০৯ সালে এ সক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ কোটি ১৪ লাখ। এছাড়া ২০০৯ সালে সেচ সংযোগ ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার, বর্তমানে সেচ সংযোগের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৬ হাজার।
২০০৯ সালে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা। গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ২৮ হাজার ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে আবারও শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহের কারণে এক দিনের ব্যবধানে গতকাল এই অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসসূত্রে জানাযায়, বুধবার সারা দিন দিনাজপুরসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রির ওপরে থাকলেও দিবাগত রাত থেকে এই অঞ্চলে বইতে শুরু করেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে এক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা বেশ কমে গেছে। বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি বলেন, ‘হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হিমালয়ের হিমশীতল বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে। তবে এটিই এই মৌসুমের সর্বশেষ শৈত্যপ্রবাহ বলে আভাস দেন তিনি। শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এই অঞ্চলে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পরিলক্ষিত হচ্ছে ঘন কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল করছে ধীরগতিতে। হঠাত্ করে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।’
এদিকে কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। উত্তরের হিমেল হাওয়া ঠান্ডার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিকাল হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে প্রকৃতি, যা অব্যাহত থাকছে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত। শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দরিদ্র পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধরা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কৃষি শ্রমিকরা। এদিকে ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই ইনডোরের পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে অন্তত ৮০০ থেকে ৯০০ রোগী।
দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি খাতের ১০ প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা দানাযুক্ত বাসমতি নয়, এমন ১ লাখ ৫ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এলসি খোলার ১০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে আমদানির অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ৩ জানুয়ারি অনুমতির চিঠি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত ছকে আবেদন করা প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দপত্র ইস্যুর সাত দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে।
এ-সংক্রান্ত তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে। ব্যবসায়ীর মধ্যে যারা পাঁচ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছেন, তাদের এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ চাল এবং ২০ দিনের মধ্যে পুরোটাই দেশে বাজারজাত করতে হবে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছে তাদের এলসি খোলার ১৫ দিনের মধ্যে অর্ধেক চাল এবং ৩০ দিনের মধ্যে সব চাল স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করতে হবে বলেও মন্ত্রণালয় থেকে শর্ত দেওয়া হয়। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির শুল্ক কমিয়েছে সরকার। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের হেতিমগঞ্জ এলাকায় ট্রাকের পেছনে ধাক্কায় প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হেতিমগঞ্জ পশ্চিম বাজার এলাকার মোল্লাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তিনজন প্রাইভেটকারের যাত্রী। অপরজন স্থানীয় শিশু। প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
উত্তরের সীমান্তবর্তী দারিদ্রপীড়িত জেলা কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় অনুমোদন হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে কুড়িগ্রাম জেলার সর্বস্তরের জনগণ। সোমবার (২১ ডিসেম্বর) মন্ত্রীসভার ভার্চুয়াল সভায় ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় জেলা জুড়ে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পেশাজীবীসহ বিশিষ্টজনরা সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করছেন।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সিন্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলছেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় এ জেলার মানুষের প্রাণের দাবি। আওয়ামী লীগ সরকার শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এ জেলার মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত জেলার মানুষের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের সাথে কৃষির আধুনিকায়ন ও দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সূচকে কুড়িগ্রাম জেলার গুরুত্ব বেড়ে যাবে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক কুড়িগ্রাম আইন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ্য এস এম আব্রাহাম লিংকন বলেন, ‘এই অনুমোদনের ফলে প্রমাণিত হলো যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামকে ঘিরে যে চিন্তা করেন তার প্রতিফলন হলো এবং তিনি কথা রাখা একজন নন্দিত মানুষ। তিনি কথা দিয়েছিলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেবেন তিনি তার প্রতিফলন ঘটালেন মন্ত্রীসভার অনুমোদন দিয়ে।’ তিনি আরো বলেন, ‘একটা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হলে সেখানে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে নানা ধরনের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এখানে যেন অন্যান্য বিষয়েও পড়াশোনারও সুযোগ তৈরী করা হয়।’ প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টি কৃষিভিত্তিক হলেও তাতে যেন সাধারণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়, এমন প্রস্তাবনা দিয়ে আব্রাহাম লিংকন বলেন, ‘এতে করে আমাদের পাশ্ববর্তী জেলা ও সীমান্তবর্তী রাষ্ট্রগুলো থেকে অনেক শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষা ও গবেষণায় আগ্রহী হবে।
ফলে এটি একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠানে রূপ নেবে।’ তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো রয়েছে এমন স্থান নির্বাচন করার পরামর্শ দেন তিনি। জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খসড়া প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘গত ৪ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কুড়িগ্রাম জেলার ভিডিও কনফারেন্সে আমি তাকে সবিনয়ে জানাই যে কুড়িগ্রামকে সবাই পশ্চাৎপদ এলাকা হিসেবে জানে। এখানকার মানুষ না চাইতেই তিনি জেলাবাসীর জন্য অনেক কিছু করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি কুড়িগ্রামকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিলেন। মুজিব বর্ষে এ এক অনন্য পাওয়া।’ এই আওয়ামী লীগ নেতা আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামকে অনেক কিছু দিয়েছেন।
আমরা তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি এখন জেলাবাসীকে আশ্বস্ত করছি যে, সামনের দিন প্রধানমন্ত্রী আমাদের একটি মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি তার প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চল দেবেন। আমি নিজেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই দাবি জানাবো। আমরা জেলাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি, আল্লাহ তাঁকে যেন সুস্থ্যতার সাথে দেশ পরিচালনার সামর্থ্য দেন। সূত্রঃ ডিবিসি নিউজ।
অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন রানার গ্রেফতার ও সঞ্চয়ের টাকা ফেরতের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ফাউন্ডেশনের সদস্য ও প্রতারণার শিকার কর্মচারীরা সকাল ১০টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ রোডে এ কর্মসূচী পালন করে। সমাবেশে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন ফাউন্ডেশনের নামে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সমস্ত অফিস গুটিয়ে নেয়া হয়েছে। তারা পরিচালকের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছে। তাদের ভাষ্যমতে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও সমাজসেবার নামে কথিত ‘অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশন, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডুসহ ৩ জেলা থেকে ৫ কোটির বেশী টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
গাছের চারা বিতরণ, সেলাই প্রশিক্ষন ও প্রশিক্ষন শেষে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরন আর স্বল্প সূদে দীর্ঘ মেয়াদী লোন এবং বয়স্ক ভাতার কথা বলে ইউনিয়নে ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ আর সঞ্চয় নেয়া হয়। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তথ্য ভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঝিনাইদহ সমাজসেবা অধিদপ্তর ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলি আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানানো হলেও এখনো অধোরা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকসহ কর্মকর্তারা। উল্টো এই চক্রের হোতারা ফাউন্ডেশনের সদস্য ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি ও অভিযোগ করছে। নিবন্ধন বিহীন কথিত অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আনোয়ার হোসেন রানা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। উল্লেখ্য সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন ওরফে রানা মন্ডল ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মান্দিয়া গ্রামের মৃত আইজুদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
ডেস্ক নিউজঃ ঢাকা গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ শনিবার রাত ৮:৩০ মিনিটের সময় ফকিরাপুলে একুশ বায়ান্ন প্রেস প্রিন্ট দোকানে সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
চালায়।দোকানের মালিক এনামুল হক বাবু সাংবাদিকদের জানান আমার মামা রিয়াদুল ইসলাম আফজাল, মোহাম্মদ কামরুল হোসেন সহ অজ্ঞাত নামা ৬ থেকে ৭ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।
সন্ত্রাসী হামলা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ২ টি, প্রিন্টার ১ টি, লেজার মেশিন, নগদ অর্থ আনুমানিক ৪৫ হাজার টাকা সহ আনুমানিক ৬ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে। সন্ত্রাসীরা বিগত দিন আগে আমি ও আমার বাই সোহাগ কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আমি উল্লেখ্য ঘটনায় আইন ও বিচার চাই।