আজ বুধবার , ৯ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

স্বপ্নের পদ্মা সেতুকে বাস্তব রূপ দিতে নানা চড়াই-উৎড়াই পাড়ি দিতে হয়েছে এবং প্রমাণ করতে হয়েছে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতার।

সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার বসছে পদ্মাসেতুর সবশেষ স্প্যান। এর মাধ্যমে সড়কপথে, সংযুক্ত হতে যাচ্ছে পদ্মার দুই পাড় মাওয়া ও জাজিরা। প্রায় সোয়া ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মাসেতু নির্মাণে বাংলাদেশকে পাড়ি দিতে হয়েছে নানা বাধা, প্রমাণ করতে হয়েছে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা।

 স্বপ্নযাত্রার শুরুটা বহু আগে। ১৯৯৮-৯৯ সালে। তখন প্রমত্তা পদ্মায় সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারেও ছিলো সেতুর প্রতিশ্রুতি। ২০১১ সালে এগিয়ে আসে বিশ্বব্যাংক। কথা দেয় ১২০ কোটি ডলার দেবে সংস্থাটি। জাইকা ৪০ কোটি, এডিবি ৬২ কোটি, আর ১৪ কোটি ডলার অর্থসহায়তা দেয়ার চুক্তি করে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক। সেতু নির্মাণের কাজ পায় কানাডিয় কোম্পানি এসএনসি লাভালিন। কিন্তু কাজ শুরুর আগেই হোঁচট খায় পদ্মাসেতু প্রকল্প।

দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে, ২০১২ সালের জুনে অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায় সবগুলো দাতাসংস্থা। সরে যেতে হয় যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। পরের মাসে, নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে পদ্মাসেতুর জন্য ৬ হাজার ৮৫২ কোটি বরাদ্দ দেয়া বাজেটে। শুরু হয় আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। মূল সেতু নির্মাণের কাজ পায় চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সেতুর নির্মাণ যাত্রা। নদীর বুকে পদ্মাসেতু প্রথম দৃশ্যমান হয় ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর। এদিন ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুটির ওপর স্প্যান বসান প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা। সময়ের সাথে দীর্ঘ হয়েছে সেতুর অবয়ব।

শুরুতে পদ্মাসেতু তৈরিতে খরচ ধরা হয়েছিলো ২০ হাজার ৫০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। এখন ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি। মূল সেতুর সঙ্গে সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়ার কাজ আগেই শেষ হয়েছে। আর পুরো সেতুর সার্বিক অগ্রগতি সাড়ে ৮২ শতাংশ। সরকার আশা করছে আগামী ডিসেম্বরেই সেতুতে গাড়ি চলবে। আর এই সেতুর নিচ দিয়েই চলবে রেল। যা চালু হতে লাগবে আরো ৩ বছর। সূত্রঃ ডিবিসি নিউজ।

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে বসবে শেষ স্প্যান ***

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কোন ইস্যুতে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবেনা ।শনিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, মুজিব বর্ষের শেষের দিকে এসে নানাভাবে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রসঙ্গ টেনে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা সমাজকে পিছিয়ে নিতে চায় এবং তাদেরকে যারা পৃষ্ঠপোষকতা করছে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানান মন্ত্রী। প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও সাংবাদিকতার ওপর বিভিন্ন বই প্রদান করা হয়। এইসব বইয়ের মাধ্যমে ক্লাবের সদস্যদের জ্ঞানের পরিধি আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানায় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

‘কোন ইস্যুতে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবে না’-তথ্যমন্ত্রী ***

মোটরসাইকেল সংঘর্ষে আহত আরোহীর জুতায় ১৮ স্বর্ণের বার, আটক ১

যশোর প্রতিনিধিঃ

যশোর চৌগাছা সীমান্ত থেকে ৬০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় যশোর ৪৯ বিজিবি সদর দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এসময় ৪৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানান, শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে বিজিবি’র একটি বিশেষ অভিযান দল চৌগাছা উপজেলার শাহজাদপুর সীমান্তের ৩৯ নম্বর মেইন পিলার থেকে ৩শ’ গজ ভিতরের এলাকা থেকে ওই স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ৭ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ৪ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। দুইজন চোরাকারবারি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় অভিযান দল তাদের ধাওয়া করলে তারা একটি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে ভারতে পালিয়ে যায়। এসময় ওই ব্যাগের মধ্যে কাপড়ের তৈরি বেল্টের ভিতর থেকে ৬০ পিস সোনার বার উদ্ধার করা হয়। বিজিবির ওই কর্মকর্তা আরো জানান, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার জমা ও মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যশোর চৌগাছা সীমান্ত থেকে ৬০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার ***

ডিসিএন বাংলা রির্পোটঃ

আগামী ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২৫টি পৌরসভার মধ্যে ২৩টিতে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে দলটির বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার ও দলের ভারপ্রাপ্ত তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুদ্দিন।

 প্রার্থীরা হলেন পঞ্চগড় পৌরসভায় তৌহিদুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলার রেজাউল করিম, ফুলবাড়ী উপজেলার মো. শাহাদাৎ আলী, বদরগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ শাহ, কুড়িগ্রাম উপজেলার শফিকুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার আল মামুন, কাটাখালী উপজেলার সিরাজুল হক, শাহজাদপুর উপজেলার মাহমুদুল হাসান, খোকসা উপজেলার রাজু আহম্মেদ, চুয়াডাঙ্গা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম, চালনা উপজেলার আবুল খায়ের খান, বেতাগী উপজেলার হুমায়ুন কবির, কুয়াকাটা উপজেলার আবদুল আজিজ, উজিরপুর উপজেলার শহিদুল ইসলাম খান, বাকেরগঞ্জ উপজেলার এস এম মনিরুজ্জামান, গফরগাঁও উপজেলার শাহ আবদুল্লাহ আল-মামুন, মদন উপজেলার এনামুল হক, মানিকগঞ্জ উপজেলার আতাউর রহমান, শ্রীপুর উপজেলার শহিদুল্লাহ শহিদ, দিরাই উপজেলার ইকবাল হোসেন চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলার আনোয়ারুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার এম এফ আহমেদ অলি ও সীতাকুণ্ড উপজেলার আবুল মুনছুর। তবে, পাবনার চাটমোহর ও ঢাকার ধামরাই পৌরসভায় এখনো প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। উল্লেখ্য গত ২৮ নভেম্বর ২৫টি পৌরসভায় দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।

ডিসিএনবাংলা

বিএনপির ২৩ পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণা ***

ডিসিএন বাংলা, স্টাফ রির্পোটারঃ

আজ থেকে শুরু হলো বাঙালির বিজয়ের মাস। সুবর্ণ বিজয়ের এই মাসে, বাঙালি নতুন করে প্রত্যয় ঘোষণা করবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার। মার্চ থেকে শুরু, ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এই মাসেই অর্জন করে মহান বিজয়।

অধিকার বঞ্চিত, নির্যাতন, নিপীড়ন –বৈষম্য এগুলো যেন বাঙ্গালীর জীবনকে বেদনা দায়ক করে তু্লেছিল। ঠিক সে সময়ে রুখে দাঁড়ালেন বঙ্গবন্ধু। তার নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ পুরো জাতি। ধাপে ধাপে এগিয়ে যায় স্বাধীনতার লক্ষ্যে।

 নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন। ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার। ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ দিলেন স্বাধীনতার ডাক। তখনও উত্তেজনা পুরো ঢাকা জুড়ে।

১০ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান দফায় দফায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করেন। সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া নির্বিচারে বাঙালি হত্যার হুকুম দিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চলে গণহত্যা। গ্রেপ্তার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

শুরু হয় বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ। ধীরে ধীরে গড়ে উঠে প্রতিরোধ। বাঙালি এগিয়ে চলে বিজয়ের পথে। ডিসেম্বর মাসের প্রাক্কালেই বাঙালীরাও শক্তভাবে মাথা তুলে দাঁড়ায়, একে একে মুক্ত করে পাকিস্তানের ঘাঁটি, দখলে নেয় স্বপ্নের মাতৃভূমি।

অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় সাত কোটি মানুষের স্বপ্নের লাল সবুজ। বাঙালির স্বপ্নের, সাধনার, অর্জনের মাস, ডিসেম্বর। এবার বাঙালি পালন করবে বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী।

ডিসিএন বাংলা/ স্টাফ

***ডিসিএন বাংলা টেলিভিশন***

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক নিউজ:

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) নতুন করে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন  ২ হাজার ১৫৬ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৪৬ জন।

পাশাপাশি দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় ৬ হাজার ৪৮৭ জনের প্রাণহানি হলো। গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭৭টি। আর দেশের মোট ১১৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬,০০১টি। এর মধ্যে ২,১৫৬ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যেখানে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩.৪৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৫০টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬.৮৪ শতাংশ। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭৭টি। আর দেশের মোট ১১৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬,০০১টি। এর মধ্যে ২,১৫৬ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যেখানে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩.৪৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৫০টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬.৮৪ শতাংশ।

আর গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো ২ হাজার ৩০২ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১.২৯ শতাংশ। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৪০ হাজার ২৩৮ জন ব্যক্তি। আর, আইসোলেশনে রয়েছেন ১২ হাজার ৫৮৩ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় গত ৮ই মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা অনেকটাই সমান্তরাল ছিলো। কিন্তু তারপর থেকে বেড়েই চলেছে রোগীর সংখ্যা। তবে, করোনায় মৃত্যুর হার শুরুতে বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকটাই কমে এলেও আবারো বাড়ছে সে হার।

করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩৯***

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলায় করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নেত্রকোণা শহরের তেরি বাজার  এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। ২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহারের ওপর ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসন। ডিসিএন বাংলা টিভি/নেত্রকোণা

নেত্রকোণায় করোনাকালেও সোচ্চার প্রশাসন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে করছে জরিমানা, মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে হবে অভিযান ***

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ

গভীর রাতে রাজধানীর সাততলা বস্তিতে সমবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ভয়াবহ আগুন  লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হলো রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তি। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর সূত্রপাত নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় ফায়ার সার্ভিস। আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সব হারিয়ে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ। শীতেই রাজধানীতে আগুন লাগার  ঘটনা বেশি ঘটে।  এবার শীতের শুরুতেই আগুন লাগলো রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে।

বস্তিবাসী জানায়, যেখানে আগুন লাগে, সেখানে বস্তিঘর, প্লাস্টিক পণ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন দোকান ছিলো। যা আগুনে পুড়ে ভস্সিভুত। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, শেষ সম্বলটুকো হারি পাগল প্রায় ক্ষতিগ্রস্তরা।

ঘটনা স্থল পরিদর্শনে এসে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাত হোসাইন বলেন, প্রায় এক ঘন্ট ১২টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি জানান, হাজার হাজার উৎসুক জনতার জন্য আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।  বিদ্যুত অথবা গ্যাসের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, ২০১৫ সালে মে মাসে এবং ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে বস্তিটিতে আগুণের ঘটনা ঘটে।

রাজধানীর সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন ***

ডিসিএন বাংলা, বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বিজ্ঞানের জগতে এক অবিস্মরণীয় নাম জগদীশ চন্দ্র বসু। রেডিও আবিষ্কারসহ বিজ্ঞানে ছিল নানামুখী অবদান। ১৮৫৮ সালের ৩০শে নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্ম স্যার জগদীশের। তিনি ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর বিহারের গিরিডিতে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার ৮৩তম প্রয়াণ দিবস।

বিশ্বের উপ-মহাদেশ ভারত বিজ্ঞানচর্চার হাতেখড়ি তার হাত ধরেই। পদার্থ উদ্ভিদ বিজ্ঞানসহ বিজ্ঞানের নানা শাখায় ছিল অবদান। সব ছাপিয়ে তার সবচেয়ে বড় অবদান বেতার বিষ্কারক হিসেবে। তিনি বাঙালী বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু। তাকে বলা হয় রহস্যময় বিজ্ঞানী। ১৩টি বিশ্বমানের বৈজ্ঞানিক গবেষণা লিখেছেন। যার সিংহভাগ নিয়ে এখনো চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ

ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে শুরু, বোসের শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপনা করার সময়েই ব্যক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে শুরু করেন বিজ্ঞান গবেষণার কাজ। ১৮৯৪ সালে ‘অদৃশ্য আলোক’ গবেষণায় বোস দেখান অদৃশ্য আলো তরঙ্গ সহজেই দেয়াল বা ইট পাটকেল ভেদ করে যেতে পারে। যা পরবর্তীতে আজকের বেতার হয়েছে। বিংশতাব্দীর আগেই গাছের প্রাণ থাকতে পারে- অলৌকিক এরকম ধারণাকে গবেষণায় সত্য প্রমাণ করেন ১৯০১ সালে। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে সাইন্স ফিকশন বা কল্প বিজ্ঞান রচনার যোগ করেন। বাংলার সঙ্গে তার ছিল নাড়ির টান, ছিলেন আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক। ২০০৪ সালে বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালীর তালিকায় সপ্তম হয়েছেন স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ।

স্যার জগদীশের ৮৩ তম প্রয়াণ দিবস ***

ডিসিএন বাংলা, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রাম সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে মানুষের কঙ্কাল নেদীতে ভাসতে দেখায় স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেয় এলাকাবাসী। আজ শনিবার (২১ নভেম্বর) খবর পেয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কঙ্কালটির বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, উজিরপুর গ্রামে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী সন্ধ্যার আগে নদীর তীরে মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় দেখতে পায়। পরে তারা স্থানীয়দের জানালে এলাকাবাসী থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করা হয়। ওগুলো মর্গে পাঠানো হবে এবং ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ওসি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে অন্য কোনো এলাকার কঙ্কাল ডুবন্ত অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়ে উজিরপুর গ্রামের সন্নিকটে এসে বেধে যায়। এতোদিন নদীতে বাড়তি পানি থাকায় সেগুলো দেখা যায়নি। সম্প্রতি নদীর পানি কমে আসায় কঙ্কালটি এলাকাবাসীর চোখে পড়ে।

চুয়াডাঙ্গায় নদীর তীর থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার ***

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031