আজ রবিবার , ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

নোয়াখালী জেলা কারাগারে মো. সাগর (২৯) নামের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তিনি সোনাইমুড়ী থানায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় গত আগস্টে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত মো. সাগর সোনাইমুড়ী উপজেলার বগাদিয়া গ্রামের শফি উল্যার ছেলে।

জেলা কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় চলতি বছরের গত ৯ আগস্ট সাগরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সাগর ঘুম থেকে উঠে কারা অভ্যন্তরে হাঁটছিল। এ সময় হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পড়ে যায় সে। সে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করছে বললে তাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত হাজতির লাশ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত ও সকল প্রক্রিয়া শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

মুরাদ হাসানের দুই বছর আগের ফোনালাপ কিভাবে সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

এদিকে, মুরাদের সংসদ সদস্য পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন এক আইনজীবী।

সাম্প্রতিক নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ডা. মুরাদ হাসান। আর সে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করায় মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাতেই প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে বদলে যায় সচিবালয়ে ডা. মুরাদ হাসানের কার্যালয়ের অবয়ব। সরিয়ে ফেলা হয় নামফলকও।

এদিকে, বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে ডা. মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।

অভিনয়শিল্পী ইমন ও মাহিয়া মাহির সঙ্গে ডা. মুরাদ হাসানের বিতর্কিত ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় ইমনকে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর র‌্যাব বলছে, দুই বছরেরও বেশি সময় আগের ফোনালাপ হঠাৎ কিভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রয়োজনে মাহিয়া মাহিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানায় র‌্যাব।

কীভাবে ফাঁস হলো মুরাদ-ইমন ফোনালাপ, ক্লু খুঁজছে র‍্যাব!

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণায় সন্তুোষ প্রকাশ করে আসামিদের দণ্ড দ্রুত কার্যকর করার আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ২০ আসামির ফাঁসি ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিকভাবে এ প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় ঘোষণা হয়েছে। আমরা মনে করি, এটা দ্রুত কার্যকর হওয়া উচিত।’

এদিকে, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণায় দেশ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহাবুব আহমেদ জানিয়েছেন আবরার হত্যা মামলার রায় সঠিক হয়নি। সুষ্ঠু বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, এ মামলায় যারা মাস্টারমাইন্ড ছিল তাদের এ মামলায় আনা হয়নি। এ মামলায় বুয়েটের যে অবহেলা ছিল সেটা আমরা যুক্তিতর্কসহ উপস্থাপন করেছি কিন্তু বিজ্ঞ বিচারক সে বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেনি। মামলায় প্রত্যেকে আসামি করেছেন আদালত।

এ ছাড়া এ মামলায় যে ফুটেজের কথা বলা হয়েছে সেটার সম্পূর্ণ ফুটেজ আসেনি। আমরা আদালতের কাছে উপস্থাপন করেছি এ মামলায় একদিকের ওপর নির্ভর করে তিনি সাজা দিতে পারে না। কিন্তু বিচারক পাঞ্জাবের একটি ঘটনাকে সামনে এনে তিনি রায় ঘোষণা দিয়েছেন বলেন জানান মাহবুব আহমেদ।

মাহবুব আহমেদ বলেন, আদালতের কাছে আমরা আসামিপক্ষ থেকে যে রুলিংগুলো উপস্থাপন করছিলাম সেটার একটাও বিচারে আনেননি। পূর্ণাঙ্গ রায় পেলে বোঝা যাবে যে তিনি আমাদের বিষয়গুলো উনি উপস্থাপন করেছেন কি না।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, আমি বলতে চাই এ মামলায় অনেক সাক্ষীর জবানবন্দির নাম নেই। তারপরেও ওই মামলায় আসামিদের সাজা দিয়েছেন। আমরা মনে করি বিচারটা ঠিক হয়নি তাই আমরা এ আসামিদের পক্ষে উচ্চ আদালতে যাব।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় মাস্টারমাইন্ড কাদের উল্লেখ করা হয়েছে জানতে চাইলে আইনজীবী বলেন, এ মামলায় চার্জশিটে উল্লেখ আছে যে বড়ভাইদের নির্দেশে কাজটি করা হয়েছে এ বড়ভাই কারা ছিল। এসব বড় ভাইদের তদন্তে আনা হয়নি।

এদিন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল, আবু আবদুল্লাহ ভূঁইয়া, আবদুস সোবহান তরফদার, প্রশান্ত কুমার কর্মকার, মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন, শহিদুল ইসলাম ও মশিউর রহমান। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন আমিনুল গণী, গাজী জিল্লুর রহমান, আজিজুর রহমান, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবু আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে তাদের আদালতের এজলাসে তোলা হয়। বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ২০ মিনিটের মধ্যে মামলার রায় ঘোষণা করেন।

পিপি আবু আব্দুল্লাহ আরও জানান, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাদের আদালতে আনা হয়। এ মামলার তিন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের দুই বছর তিন মাস পর এ মামলার রায় হলো। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিল আবরারের পরিবার। ২৫ আসামির সবার ফাঁসির দণ্ড আশা করেছিলেন তার বাবা ও মামলার বাদী বরকত উল্লাহ। তবে এ রায়ের পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।

গত ২৮ নভেম্বর ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় পরবর্তী ৮ ডিসেম্বর রায়ের জন্য তারিখ রাখেন বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

আবরার হত্যায় এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- এজাহারের ১৯ আসামি: বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিই বিভাগ, ১৩তম ব্যাচ), সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার (মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির (ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশারফ সকাল (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ), সদস্য মুজাহিদুর রহমান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), সদস্য হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), সদস্য এহতেশামুল রাব্বি তানিম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), আকাশ হোসেন (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর (মেকানিক্যাল, ১৭তম ব্যাচ), মাহমুদুল জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), মোয়াজ আবু হোরায়রা (সিএসই, ১৭ ব্যাচ), এ এস এম নাজমুস সাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ)।

এজাহারের বাইরের ৬ আসামি: বুয়েট ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (মেকানিক্যাল, তৃতীয় বর্ষ), আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), মিজানুর রহমান (ওয়াটার রিসোসের্স, ১৬ ব্যাচ), শামসুল আরেফিন রাফাত (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং), উপদপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ (কেমিকৌশল) এবং মাহামুদ সেতু (কেমিকৌশল)।

পলাতক ৩ জন: এহতেশামুল রাব্বি তানিম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মাহমুদুল জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ) এবং মুজতবা রাফিদ (কেমিকৌশল)।

‘স্বীকারোক্তি’ দিয়েছেন ৮ জন: মেহেদী হাসান রবিন, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, এ এস এম নাজমুস সাদাত এবং খন্দকার তাবাখ্খারুল ইসলাম তানভীর।

মারপিটে সরাসরি জড়িত ১১ জন: মেহেদী হাসান রবিন, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মুনতাসির আল জেমি, এহতেশামুল রাব্বি তানিম এবং খন্দকার তাবাখ্খারুল ইসলাম তানভীর।

ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত ১১ জন: মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, মেহেদী হাসান রবিন, অনিক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মনিরুজ্জামান মনির, ইফতি মোশাররফ সকাল, মুনতাসির আল জেমি, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ এবং মুজতবা রাফিদ।

উল্লখ্য, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার ফাহাদ রাব্বী। এর জের ধরে পরদিন ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী।

তারা আবরারের ১০১১ নম্বর রুমে গিয়ে রাতে তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তার ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল ফোনসহ ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে আসে। এরপর ওই কক্ষে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত। মোট আসামির মধ্যে ২২ জনকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তারা কারাগারে। পলাতক রয়েছে তিনজন। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগ কর্মী।

বিচার চলাকালে ৬০ সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। ২১টি আলামত ও ৮টি জব্দ তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ওই দিনগত রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

আসামিদের দণ্ড দ্রুত কার্যকর করার আশা বুয়েট উপাচার্যের

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

বাধা সত্ত্বেও ৫০ বছরে বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ। ডিজিটালাইজেশনসহ আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে গতিশীল হয়েছে বিচার বিভাগ।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ছিলো বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা অগ্রণী। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বিচার বিভাগের ওপর বারবার নেমে এসেছে খড়গ। সব বাধা পেরিয়ে ৫০ বছরে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ।

পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে দেশের বিচার বিভাগকে নতুন করে সাজাতে বঙ্গবন্ধুর আপ্রাণ চেষ্টা। মাত্র চার বছর। কিন্ত ইতিহাসের বর্বোরচিত অধ্যায় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর শুরু হয় উল্টোযাত্রা।

২০১৩ সালের ৩০শে এপ্রিল জাতীয় চার নেতার বিচারে দায় মুক্ত হয় জাতি।  মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার। বঙ্গবন্ধুর হত্যার কারনে থমকে যায় সে প্রক্রিয়াও। বিচারের কাঠগড়ার পরিবর্তে রাজাকার আলবদররা বসে রাষ্ট্রক্ষমতায়। আলাদা ট্রাইবুন্যালে বিচারের আওতায় আসে গোলাম আজম-নিজামীরা।

এছাড়া বিচার বিভাগকে ডিজিটালাইজেশন করা। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারক ও আদালতের সংখ্যাবৃদ্ধি করে বিচার বিভাগকে গতিশীল করা হয়। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে প্রথম নারী বিচারপতি শেখ হাসিনার হাত ধরেই নিয়োগ পান।

বিশেষ বিচারিক আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, শৃংখলা রক্ষায় বর্তমান সরকার যুগপোযোগী পদক্ষেপ নেয়। বিচারপতি ও বিচারকদের জন্য করেছেন আলাদা বেতন স্কেল। করোনাকালে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের বিচার বিভাগ বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশে ছিলো সচল। গত বছরের ৯ই মে আদালতে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার আইন পাস করা হয়।

এছাড়া, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, ফেনীর নুসরাত হত্যা, রমনা বটমূলে বোমা হামলা মামলার রায় কার্যকরও এই সরকারের সময়। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে এসব অর্জনে গর্ব বোধ করেন বাংলাদেশের বয়সী প্রজন্ম।  ৫০ বছরে দেশের বিচার বিভাগ যতটুকু এগিয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাকিপথটুকুও মসৃণ হবে বলেই আশা।

৫০ বছরে দেশের বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

বাধা সত্ত্বেও ৫০ বছরে বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ। ডিজিটালাইজেশনসহ আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে গতিশীল হয়েছে বিচার বিভাগ।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ছিলো বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা অগ্রণী। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বিচার বিভাগের ওপর বারবার নেমে এসেছে খড়গ। সব বাধা পেরিয়ে ৫০ বছরে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ।

পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে দেশের বিচার বিভাগকে নতুন করে সাজাতে বঙ্গবন্ধুর আপ্রাণ চেষ্টা। মাত্র চার বছর। কিন্ত ইতিহাসের বর্বোরচিত অধ্যায় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর শুরু হয় উল্টোযাত্রা।

২০১৩ সালের ৩০শে এপ্রিল জাতীয় চার নেতার বিচারে দায় মুক্ত হয় জাতি।  মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার। বঙ্গবন্ধুর হত্যার কারনে থমকে যায় সে প্রক্রিয়াও। বিচারের কাঠগড়ার পরিবর্তে রাজাকার আলবদররা বসে রাষ্ট্রক্ষমতায়। আলাদা ট্রাইবুন্যালে বিচারের আওতায় আসে গোলাম আজম-নিজামীরা।

এছাড়া বিচার বিভাগকে ডিজিটালাইজেশন করা। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারক ও আদালতের সংখ্যাবৃদ্ধি করে বিচার বিভাগকে গতিশীল করা হয়। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে প্রথম নারী বিচারপতি শেখ হাসিনার হাত ধরেই নিয়োগ পান।

বিশেষ বিচারিক আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, শৃংখলা রক্ষায় বর্তমান সরকার যুগপোযোগী পদক্ষেপ নেয়। বিচারপতি ও বিচারকদের জন্য করেছেন আলাদা বেতন স্কেল। করোনাকালে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের বিচার বিভাগ বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশে ছিলো সচল। গত বছরের ৯ই মে আদালতে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার আইন পাস করা হয়।

এছাড়া, ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, ফেনীর নুসরাত হত্যা, রমনা বটমূলে বোমা হামলা মামলার রায় কার্যকরও এই সরকারের সময়। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে এসে এসব অর্জনে গর্ব বোধ করেন বাংলাদেশের বয়সী প্রজন্ম।  ৫০ বছরে দেশের বিচার বিভাগ যতটুকু এগিয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাকিপথটুকুও মসৃণ হবে বলেই আশা।

৫০ বছরে দেশের বিচার ব্যবস্থা এগিয়েছে অনেকটা পথ

ডিসিএন বাংলা, স্টাফ রির্পোটারঃ

মাদক মামলায় যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমনের অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ১২ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলামের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। আসামি পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেন। এসময় আদালত আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী বছরের ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর এ মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর বিচারক ‘দেখিলাম’ বলে স্বাক্ষর করেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে নথি পেশ করা হয়।

বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমনের অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো ***

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ ইস্যুতে রাজনীতি যখন উত্তপ্ত, তখন ফতোয়া দিলো দেশের আলেম সমাজ। আজ বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে ভাস্কর্য নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ভাস্কর্যের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন কথা হচ্ছে। ফলে জাতীয়ভাবে এ সংক্রান্ত জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছে। ভাস্কর্য ও মূর্তির বিধান নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভ্রান্তি।

কোরআন এবং হাদিসের আলোকে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম দাবি করে তারা বলেন, এসব মূর্তি-ভাস্কর্য ভাঙার দায়িত্ব সরকারের। ওলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে ফতোয়াটি উপস্থাপন করেন ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের প্রধান মুফতি এনামুল হক কাসেমী। লিখিত ফতোয়ায় তিনি বলেন, ‘মানুষ বা অন্য যেকোনো প্রাণীর ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে শরীয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে কোনো পার্থক্য নেই। পূজার উদ্দেশ্যে না হলেও তা সন্দেহাতীতভাবে নাজায়েজ ও স্পষ্ট হারাম এবং কঠোর আজাবযোগ্য গুনাহ। ইসলামের সুস্পষ্ট বিধানকে পাশ কাটিয়ে প্রাণীর ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য করে প্রাণীর ভাস্কর্যকে বৈধতা বলে সত্য গোপন করা এবং কোরআন ও সুন্নাহর বিধান অমান্য করার নামান্তর।’

‘ভাস্কর্য নাজায়েজ’ ***

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031