
ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ
মুরাদ হাসানের দুই বছর আগের ফোনালাপ কিভাবে সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
এদিকে, মুরাদের সংসদ সদস্য পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন এক আইনজীবী।
সাম্প্রতিক নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ডা. মুরাদ হাসান। আর সে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করায় মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাতেই প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে বদলে যায় সচিবালয়ে ডা. মুরাদ হাসানের কার্যালয়ের অবয়ব। সরিয়ে ফেলা হয় নামফলকও।
এদিকে, বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে ডা. মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।
অভিনয়শিল্পী ইমন ও মাহিয়া মাহির সঙ্গে ডা. মুরাদ হাসানের বিতর্কিত ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় ইমনকে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর র্যাব বলছে, দুই বছরেরও বেশি সময় আগের ফোনালাপ হঠাৎ কিভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রয়োজনে মাহিয়া মাহিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানায় র্যাব।