মানুষই মানুষের জন্য। রক্ত দিন, জীবন বাঁচান।এই স্লোগান নিয়ে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সঃ) উপলক্ষে ২৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের একটি সামাজিক সংগঠন ব্লাড ডোনার ক্লাব বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদাতা সংগ্রহের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাখার সরকারী ফজলুল হক কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার মোহাম্মদ আবদুর রব। উপস্থিত ছিলেন চাখার ব্লাড ডোনার ক্লাব এর এডমিন প্যানেল মোঃ জিহাদ সরদার, এ কে আজাদ, মাহমুদুল হাসান, মোঃ তারেক, মোঃ রুবেল বেপারী কামরুনাহার কলি, আনিকা ইসলাম, সজীব, মোঃ ইব্রাহীম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাখার ইউনিয়নের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ ।
সাতক্ষীরা – খুলনা মহাসড়কে আঠারোমাইলের বেতাগ্রাম সংলগ্ন সড়ক দুর্ঘটনায় রবিউল ইসলাম সরদার ( ২৮) নামে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়সূত্রে জানাযায়, রবিউল ইসলাম সরদার মুরগীর ব্যবসা করতেন। আঠারোমাইল বাজারের মুরগীর ব্যাবসয়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন , আমার প্রতিষ্ঠানে মুরগি নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছিল । সে প্রায় সময় আমার এখানে ইঞ্জিন চালিত ভ্যান যোগে মুরগি দেয় ।
এ ব্যাপারে খর্ণিয়া হাইওয়ে থানার পুলিশের ইনচার্জ ( ওসি ) মোঃ মেহেদী হাসান জানান, ইঞ্জিন চালিত ভ্যান যোগে মুরগী নিয়ে চুকনগর বাজার অভিমুখে আসছিলেন রবিউল ইসলাম সরদার । কিন্তু তার ভ্যানটি দ্রুতগতি সম্পন্ন হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাল্টি দেয় । ভ্যানের সাথে চালকও ছিটকে পড়লে ভ্যানের হ্যান্ডেল তার মুখের চোয়াল ভেদ করে শ্বাসনালি ছিড়ে যায় । এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । এরির্পোট লেখা পর্যন্ত লাশ খর্ণিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে ছিল ।
সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে আগের তুলনায় ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে নতুন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে মোট ৩ হাজার ২৬২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন যে ৫৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের ৫৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা। গত একদিনে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর আসেনি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী, যাদের ৩৩৬ জনই ঢাকা মহানগরীর। অন্যান্য বিভাগে ১১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করায় এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ঐ বছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এই ভাইরাস জ্বরে।
সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে আগের তুলনায় ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে নতুন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে মোট ৩ হাজার ২৬২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন যে ৫৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে গেছেন, তাদের ৫৬ জনই ঢাকার বাসিন্দা। গত একদিনে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর আসেনি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী, যাদের ৩৩৬ জনই ঢাকা মহানগরীর। অন্যান্য বিভাগে ১১০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করায় এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ঐ বছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এই ভাইরাস জ্বরে।
রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আজ শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “ভারতীয় হাই কমিশনার এখানে আছেন, তারা আমাদের সহযোগিতা করছেন জানি, আমরা এটুকু বলতে চাই- এই যে ১১ লাখ লোক, এখান থেকেও জঙ্গির উত্থান হতে পারে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত সময়ে নিজের দেশে না ফেরালে তাদের ঘিরে ‘সহজেই’ জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটার আশঙ্কার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
মন্ত্রী বলেন, ”এটা ইজি প্লে হতে পারে এই সন্ত্রাসীদের জন্য, আমরা যেটা সবসময় বলে আসছি। কাজেই এ সমস্যাটা যদি শিগগির শেষ না হয়, তাহলে হয়ত আমাদের নতুন ডাইমেশনে জঙ্গির উত্থান হয়েও যেতে পারে।” বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় ও জরুরি মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। তবে বিপুল সংখ্যক এই শরণার্থী এখন ‘বোঝা’ হিসেবে দেখছে সরকার।
২০০৮ সালে ২৬ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকীতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের ঘিরে জঙ্গিবাদ বিস্তারের শঙ্কার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল। তিনি বলেন, “যদিও আমরা সতর্ক রয়েছি, যদিও তারা আমাদের বেড়াজালের মধ্যে আছে, তারপরও আপনারা দেখছেন, তারা নিজেরা নিজেরা ক্যাম্পে রক্তক্ষরণ করছে।”
দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গি ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি নেওয়ার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা সেভাবেই ঢেলে সাজিয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা মনে করি, যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে।”সেজন্য তারা বড় রকমের আক্রমণ আগে থেকে ডিটেক্ট করতে পারছে। সেজন্য আমরা মনে করি, আমাদের জনগণও ঘুরে দাঁড়িয়েছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে।”
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতসহ অন্যান্য দেশের সহযোগিতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “তারা জঙ্গি দমনে আমাদেরকে সহযোগিতা করা, ইন্টেলেজিন্স শেয়ার করা, তাদের প্রযুক্তি আমাদেরকে দিয়ে আমাদেরকে সহযোগিতা করা- সব কিছু করছেন। সেজন্য এই জিনিসটা আমাদের কাছে আরও সহজ হয়েছে।” জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতার পেছনে ‘পাকিস্তানের ভূমিকার’ প্রসঙ্গ ধরে কামাল বলেন, “পাকিস্তান সবসময় আমাদের দেশের উপর, ওদের ইন্টেলিজেন্স যেটা, আইএসআই, এটার মাধ্যমে তারা নানানভাবে আমাদেরকে বিব্রত করার প্রচেষ্টা নিয়েছে। ”আমরা সে ব্যাপারে সবসময় খেয়াল রাখছি। যাতে করে তারা আর এই ধরনের ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য আমরা সবসময় তাদের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখছি।”
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমরা সবসময় আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে থাকি এবং আমরা তাদের থেকে আমাদের ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সবসময় খবরাখবর রাখতে সক্ষম হয়েছি।”
ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী অনুষ্ঠানে বলেন, “ওই হামলার কথা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কারণ সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা সশস্ত্র সেনাদের ওপর ওই আক্রমণ করেনি, তারা আক্রমণ করেছিল যতটা সম্ভব জনবহুল স্থানে, সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে; হোটেল রেস্তোরাঁ, স্টেশন প্রভৃতি এলাকায়। ”আমরা দেখেছি, আমাদের বন্ধু, পরিবারের সদস্য, আমাদের পরিচিতজন, ওই সময়টায় রেস্তোরাঁয় থাকার কারণে প্রাণ দিয়েছে। আমাদের অনেকে বন্ধুদের হারিয়েছি।” সেই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা এক বন্ধুকে হারানোর কথা জানিয়ে হাই কমিশনার বলেন, “আমাদের কেউ শুরুতে বুঝতেও পারিনি, কী ঘটছে।
”তবে, একটা জিনিস আমরা বুঝতে পেরেছি, এটা সাধারণ কোনো সন্ত্রাসী ঘটনা নয়, এটা এমন না যে ১০ জন লোক হুট করে বা ভারতের মধ্য থেকে এসে মানুষের উপর আক্রমণ করছে; এটা ছিল প্রশিক্ষিত কমাণ্ডো কায়দার অপারেশন।”
ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, “এখন তথ্য বলছে, তিনজন লোক সরাসরি এটা সমন্বয় করেছে, তাদের যোগাযোগের যন্ত্রপাতি ছিল। তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মানুষকে গুলি করার জন্য। তাদেরকে বলা হয়েছে পাসপোর্ট দেখে দেখে বিদেশিদের চিহ্নিত করে ঠাণ্ডামাথায় হত্যা করার জন্য।”
দোরাইস্বামী বলেন, “এটা এমন ঘটনা, যা ভোলারও নয়, ক্ষমা করারও নয়। কারণ এটা অন্য কোনো জায়গায় না হয়ে বোম্বেতে হয়েছে এবং এটা ঘটেছে আরেকটি রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়।
এটার পূর্বাপর যোগসূত্রও পাওয়া যায়। হামলা এমনভাবে ঘটেছে যে, যারা পেছনে রাষ্ট্র পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে। যেখানে খুনিরা কোনো ধরনের বিচারের মুখোমুখি না হওয়ার নিশ্চয়তা পেয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। যেটা ঘটেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়েও। কেবল নিজের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণে, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে অধিকারের জন্য। এজন্য কেবল বাঙালি হওয়ার কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছিল।” ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও সমাজকর্মী আরমা দত্ত, ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল’ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রশীদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ।
রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে কয়েক হাজার পরিবার এখনও বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকার বিষয়টি নজরে এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাই চরের বাসিন্দা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও যারা বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে আছেন, তাদের দ্রুত সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনে নতুন প্রকল্প হাতে নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশের কথা জানিয়ে বলেন, “তিনি বলেছেন, কোনো বাড়ি বা পরিবার অন্ধকারে থাকবে না।”সরকারপ্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী শতভাগ মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় আনার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন তোফাজ্জল হোসেন। বিদ্যুৎ মন্ত্রাণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিড লাইন এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎবিহীন প্রত্যন্ত এবং চর এলাকায় সৌর শক্তির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রংপুর জেলার রংপুর সদর ও গঙ্গাচড়া উপজেলা এবং লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় মোট ১২ হাজার ১৭০টি সোলার হোম সিস্টেম বসানোর কথা ছিল। এ পর্যন্ত সেখানে ৯ হাজার ৮৪৫টি সোলার সিষ্টেম স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা পিডিবিএফ।
গত ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তালিকাভুক্ত ৯০টি পরিবারকে এই সিস্টেম দিতে পারেনি পিডিবিএফ। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তার নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ প্রকল্পে তাদের বাড়িতে সোলার হোম সিস্টেম বসানো হয়।
সচিব জানান, এসময় বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকা গঙ্গাচড়া উপজেলার বাকি পরিবারগুলোকেও দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহম্মদ মউদুদউর রশীদ সফদার। তিনি বলেন, “রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চরাঞ্চলের তিন হাজার ৭০৮ পরিবারকে কীভাবে বিদ্যুতের আওতায় আনা যায় সে লক্ষ্যে আমরা পল্লী বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বিত ভাবে কাজ করছি।
“যেখানে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া যাবে সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। আর যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতের লাইন টানা যাবে না, সেখানে সোলার হোম প্যানেল সিস্টেম বসানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।” বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়,দেশে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। যেখানে ২০০৯ সালে এ সক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ কোটি ১৪ লাখ। এছাড়া ২০০৯ সালে সেচ সংযোগ ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার, বর্তমানে সেচ সংযোগের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৬ হাজার।
২০০৯ সালে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা। গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ২৮ হাজার ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।