আজ সোমবার , ৭ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় লেভেলক্রসিংয়ে উঠে পড়া এক মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও তার দুই বছরের ছেলের মৃত্যু হয়েছে।
দক্ষিণখানে রেলক্রসিংয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, মা-ছেলের মৃত্যু

ঢাকা রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস জয়দেবপুর থেকে ঢাকার প্রবেশের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মাহমুদা আক্তার মিতু (২৬) ও তার দুই বছরের ছেলে ফয়েজ আহমেদ।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গাড়িটির চালাক ছিলেন মিতুর স্বামী মো. হাসান। এ দুর্ঘটনায় হাসান এবং তাদের মেয়েসহ তিন জন আহত হয়েছেন।

ট্রেনটি ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি লাইনের ওপর উঠে পড়ে। ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় সেটি ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ওই নারী ও তার শিশুপুত্র মারা যায়।

স্থানীয়রা জানান, হাসান একটি রেন্ট-এ-কার কোম্পানির মাইক্রোবাস চালান। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বের হয়েছিলেন। বাসার কাছেই রেলগেট পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে টঙ্গীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা তারিকুল ইসলাম রায়হান জানান, এ রেলগেটে একাধিক গেটম্যান দায়িত্ব পালন করে থাকেন; তবে ভোরের দিকে গেট খোলা ছিল। ফলে মাইক্রোবাসটি বিনা বাধায় লাইনে উঠে পড়ে।

রাজধানীতে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় মা-ছেলের মৃত্যু

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

ফিলিপাইনের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন (ঘূর্ণিঝড়) ‘রাই’। ইতিমধ্যে পূর্ব সতর্কতামূলক হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল থেকে বহু মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, সামুদ্রিক ঝড়টি এরই মধ্যে ক্যাটাগরি ৪ বাতাসের গতিবেগের শক্তি সঞ্চয় করেছে। ঝড়টি আরও শক্তি সঞ্চয় করে সুপার টাইফুনে রূপ নিতে পারে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা এবং সংযুক্ত কেন্দ্রীয় অংশে আঘাত হানবে ‘রাই’। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
ঝড়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত ও তীব্র বাতাস শুরু হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বিভিন্ন ফ্লাইট। ঝড়ের কারণে দেশের বেশিরভাগ অংশে গণ টিকাদান অভিযান শুরু স্থগিত করা হয়েছে।

ফিলিপাইনের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন (ঘূর্ণিঝড়) ‘রাই’

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এখন অনেকটাই সুস্থ। চিকিৎসকরা আরও দুই-তিন দিন হাসপাতালে বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দফতরের তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ওবায়দুল কাদেরের বুকে এখন ব্যথা নেই।  রক্তচাপ-অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্বাভাবিক আছে। তার স্বাস্থ্যের অবস্থা অনেক ভালো। নিজেই খেয়েছেন তিনি।  হাঁটাচলাও করছেন।

ওবায়দুল কাদের এখন অনেকটাই সুস্থ

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চেকিংয়ে সৌদি আরব ফেরত এক যাত্রীর কাছ থেকে ১০টি সোনার বার জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা কাস্টম হাউসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সোনার বার পাওয়া ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার সাদ্দাম হোসেনের বাড়ি বগুড়ায়।

বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সাদ্দামের ব্যাগ থেকে ১০টি সোনার বার জব্দ করা হয়। যার ওজন এক কেজি ১৬০ গ্রাম। জব্দ সোনার বারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭৩ লাখ টাকা। বিমানবন্দর থানায় সাদ্দামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলেও জানায় ঢাকা কাস্টম হাউস।

সৌদি ফেরত যাত্রীর কাছ থেকে ১০টি সোনার বার জব্দ

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

প্রধান বিচারপতির বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।

এদিকে অবসরে যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি বললেন, বিচারপতি নিয়োগে আইন হওয়া দরকার। এতে দূর হবে বিভ্রান্তি।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিদায়ী সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আইনজীবীদের মুখোমুখি এ কর্মসূচি চলে আদালতে।

কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এবার তাদের অভিযোগ- যথাযথভাবে দাওয়াত না দেওয়ার।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

বিদায়ী প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সাধারণ আইনজীবীরা। এ সময় বিএনপির আইনজীবীদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন তারা।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক কারণে করুক আর যে কারণেই করুক তারাই সেটা ভালো বলতে পারবেন (বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা) এ নিয়ে আমি কিছু বলব না। সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, আপনারা উপস্থিত ছিলেন, আপনারা দেখেছেন। সাধারণ আইনজীবীরা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা এ অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। আদালত ভবনে তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারক নিয়োগে আইন হলে নিয়োগ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দূর হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, বিচারপতি নিয়োগে সংবিধানে যে বিধান আছে, সেই বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে। সংবিধান অনুসারে করতে হবে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এর আগে বুধবারই ছিল তার শেষ কর্মদিবস।

প্রধান বিচারপতির বিদায় অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের ধাক্কাধাক্কি

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

ভরা মৌসুম না হলেও হঠাৎ ভোলার মেঘনা- তেঁতুলিয়া নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে।

পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ায় হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখে। আগামী ১০-১২ দিন এভাবে ইলিশ ধরা পড়লে মৌসুমের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

এ বছর ইলিশের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় শীতে বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে বলে মনে করছে মৎস্য বিভাগ।

জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত চলে ইলিশের ভরা মৌসুম। এ সময়েই ভোলাসহ উপকূলীয় জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়া বেশি। কখনো কখনো লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ইলিশ ধরেন জেলেরা। এবার বর্ষায় ভরা মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে কিছুটা হতাশা ছিল।

তবে, শীতে ইলিশের ভরা মৌসুম না হলেও এবার দেখা যাচ্ছে উল্টোচিত্র। হঠাৎ করেই গেল ২ দিন ধরে মেঘনা তেঁতুলিয়াসহ সাগরের মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। আরও কিছুদিন এমন অবস্থা থাকলে বর্ষার লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে মনে করছেন জেলেরা।

অসময়ের এত ইলিশ ধরা পড়ায় ইলিশের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে ভোলা জেলার মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘তুফানে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আসছে। আগামী মার্চ-এপ্রিলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলিশ পাওয়া যাবে বলে আশা করছি আমরা।’

চলতি বছর জেলায় ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। মৌসুমের প্রথম ৭ মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্ধেক ইলিশ ধরা পড়েছে।

অসময়ের ইলিশে ভরপুর ভোলা

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

সাভারের গোলাপ গ্রামে ফুল বিক্রি হচ্ছে পানির দামে। চাষিদের অভিযোগ, দোকানদাররা কৃত্রিম বা কাগজের ফুলের দিকে ঝুঁকতে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

মূলত হাতবদলের পর মোকাম থেকে দোকানদারদের হাতে আসলেই প্রতিটি ফুলের দাম বেড়ে যায় ৮ থেকে ৯ গুণ।

দোকানদাররা বলছেন, কৃত্রিম ফুল বারবার ব্যবহার করতে পারায় তারা অধিক লাভবান হচ্ছেন। বাগানের ফুলের দাম বেশি আবার লাভও কম।

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ঘিরে সাভারের দোকানগুলোতে বেড়েছে ফুলের চাহিদা। কিন্তু বিরুলিয়ার গোলাপ বাগানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফুল থাকলেও চাহিদা কম থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

তাদের অভিযোগ, সেচ, সার, নিড়ানি ও দিনমজুরের খরচ উঠছে না বর্তমান দামে। বিজয় দিবসে ফুল বিক্রি করতে না পারলেও সামনে ভাষা, ভালোবাসা ও স্বাধীনতা দিবস ঘিরে লাভের আশায় তাকিয়ে আছেন তারা।

বিরুলিয়ার ফুলচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফুলের যে দাম দেওয়া হচ্ছে, তাতে ফুল তোর দামও উঠাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। একজন চাষি ৬০ হাজার টাকা লগ্নি করে মাত্র ৪ হাজার টাকা তুলতে পেরেছেন বলে আক্ষেপের সঙ্গে জানান।

তবে ফুলের দামের ব্যাপক হেরফের দেখা গেছে সাভারের স্থানীয় ফুলের দোকানগুলোতে।

খুচরা বাজারে গোলাপ, গাদা, গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন ফুলের দাম অনেক চড়া।

দোকানদাররা বলছেন, কৃত্রিম ফুল বেশ কয়েকবার ব্যবহার করতে পারায় তারা তাজা ফুলের দিকে তেমন ঝুঁকছেন না। তাছাড়া প্রতিটি গোলাপ তাদের কিনতে হয় ৮ থেকে ১০ টাকা দামে। অন্যান্য তাজা ফুলের দামও অনেক বেশি।

সাভার উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, বিরুলিয়া ইউনিয়নে প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হয়। কয়েক প্রজাতির গোলাপ, গ্লাডিওলাস, গাঁদাসহ বিভিন্ন ফুলের চাষ হয়। এর মধ্যে ৩০০ হেক্টরেই চাষ হয় গোলাপ।

বাগানভরা গোলাপ, তবুও দুঃখ ঘুচছে না চাষিদের

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

রাজধানী ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ২টায় শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে সকালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সস্ত্রীক ঢাকায় পৌঁছানতিনি। পরে তা ভিভিআইপি টার্মিনাল টার্মেকে পোঁছায়। ১০ মিনিট পরে স্ত্রী সবিতা কোবিন্দ ও মেয়েকে নিয়ে বিমান থেকে নেমে আসেন তিনি। বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

দু’দেশের রাষ্ট্রপতি গিয়ে দাঁড়ান অভ্যর্থনা মঞ্চে। বিউগলে বেজে ওঠে ভারতের দুদেশের জাতীয় সংগীত। এরপর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকষ দল। পরে গার্ড পরিদর্শন করেন রাম নাথ কোবিন্দ।

পরে মোটরশোভা যাত্রা সহকারে দুই দেশের রাষ্ট্রপতি গাড়ি বহরে বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় তেজগাঁওয়ের হেলিপ্যাডে। সেখান থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতের রাষ্ট্রপতিকে।

সফর সূচি:
দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বঙ্গভবনে যাবেন তিনি। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি ট্যাংক ও যুদ্ধবিমান জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য উপহার দেবেন।
আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ১৭ ডিসেম্বর রমনা কালীমন্দিরের সংস্কারকৃত অংশ উদ্বোধন করে দুপুরে দিল্লি ফিরবেন রামনাথ কোবিন্দ।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ভারতের রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের জন্য খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রাম কবরস্থান থেকে তোলা হয়েছে।

বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ সাদাতের তত্ত্বাবধানে অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেনের মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর পুলিশের খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবির কুমার বিশ্বাস, ওসি তদন্ত ও এই মৃত্যুও ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার হাসান, কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি, ড. সেলিম হোসেনের বাবা মো. শুকুর আলিসহ এলাকাবাসী।

কবর থেকে ড. সেলিমের মরদেহ তোলার পর কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় তাকে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর দুপুরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেনের মৃত্যু হয়। পরে গত ১ ডিসেম্বর ময়না তদন্ত ছাড়ায় তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়। এই মৃত্যুও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান কুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া কুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার প্রকৌশলী আনিচুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুকে অস্বাভাবিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাতে মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানের কথা বলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা মহানগর পুলিশের খানজাহান আলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহরিয়ার হাসান মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কবর থেকে মরদেহ তুলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুষ্টিয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয়।

এই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানিয়েছে সেলিমের স্বজন এবং এলাকাবাসী।

কবর থেকে তোলা হলো কুয়েট শিক্ষকের মরদেহ

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031