দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ৮৮৭ জনে। এছাড়া সারা দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় ৮৭৪টি ল্যাবে ৩২ হাজার ২০৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩ হাজার ৯২৯ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তসহ সারা দেশে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হওয়া করোনা রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৩১ জনে দাঁড়াল। বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ১২ দশমিক ২০ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এছাড়া একদিনে ১২ হাজার ৭৫৭ জনসহ এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬ জন। শনাক্ত বিবেচনায় দেশে সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় দেশে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গেল ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় যুক্ত হওয়া ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী। মৃতদের মধ্যে ৫ জন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। আর চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ জন, খুলনা বিভাগে ২, রাজশাহী বিভাগে ১, সিলেট বিভাগে ১, রংপুর বিভাগে ১, বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। এর আগে, গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এছাড়া ৩৪ হাজার ৬৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ হাজার ৭৪৬ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি শনাক্তের খবর জানান হয়। সে হিসেবে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যা দুই কমেছে। এদিকে, বিশ্বে করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বেড়েছে। এসময়ে ১৯ লাখ ৫০৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পাশাপাশি ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ১০ হাজার ৫৫ জন। এ নিয়ে মহামারি শুরুর পর থেকে ভাইরাসটিতে মোট সংক্রমণ বেড়ে ৪১ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৩ জন এবং মোট মৃত্যু বেড়ে ৫৮ লাখ ৫৫ হাজার ৭০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ই মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় একই বছরের ১৮ই মার্চ।
ডিসিএন বাংলা/জা.ক.নি.