সম্প্রতি ইতালিতে অভিবাসনপ্রত্যাশী সাত বাংলাদেশি নাগরিক ভূমধ্যসাগরে অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় মৃত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে মৃত্যু হওয়া মাদারীপুর সদর উপজেলার এমরান হাওলাদারের মৃতদেহ ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে দেশে এসে পৌঁছেছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সবার মৃতদেহ দেশে পৌঁছাবে। এর মধ্যে মাদারীপুর সদর উপজেলার জয় তালুকদারের মৃতদেহ আজ শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কামরুল হাসান বাপীর মৃতদেহ ১৩ ফেব্রুয়ারি, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার সাইফুল ইসলামের মৃতদেহ ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে, একই দিন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাজ্জাদুর রহমানের মৃতদেহ ২টা ৫৫ মিনিটে, ২০ ফেব্রুয়ারি ২টা ৫৫ মিনিটে মাদারীপুর সদর উপজেলার জহিরুল মাতুব্বরের মৃতদেহ এবং সেফায়েত মোল্লার মৃতদেহ আসবে ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে।
এর আগে, লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইতালির দূরত্ব প্রায় ৪২০ মাইল বা ৭৭৭ কিলোমিটার। ভয়ংকর এ জলপথ পাড়ি দিয়ে স্বপ্নের ইতালি পৌঁছাতে সমুদ্রপথে নৌকাডুবিতে ২০১৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৮ বছরে প্রায় ২২ হাজার ৬০০ মানুষের প্রাণ গেছে। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছে। সবশেষ গত ২৫ জানুয়ারি আরও ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। ২০২১ সালে লিবিয়া থেকে সমুদ্র পথে প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালির উদ্দেশে যাত্রা করেন। সব বাধা অতিক্রম করে, প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী ইতালি পৌঁছাতে সক্ষম হয়, যার মধ্যে ৭ হাজার ৩০০ বাংলাদেশি। আর সাগরে ডুবে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪০০ জন। বাকিরা কোস্টগার্ড ও নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে লিবিয়া ও তিউনিসিয়ায় ফিরত যেতে বাধ্য হন।
ডিসিএন বাংলা/জা.দু.নি.