আজ রবিবার , ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুচকাওয়াজ প্রতিযোগিতায় বান্দরবানে প্রথম এবং চট্টগ্রামে বিশেষ পারদর্শিতা পুরস্কার পেয়েছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কুচকাওয়াজ প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক পর্যায়ে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের মেয়ে কোয়ান্টারা অংশ নেয়। কুচকাওয়াজে দলের কমান্ডার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা আক্তারের নেতৃত্বে বুদ্ধিদীপ্ত প্যারেড নৈপুণ্য মুগ্ধ করেছে স্টেডিয়াম ভর্তি সব দর্শককে। এজন্য তারা বিশেষ পারদর্শিতা পুরস্কারে ভূষিত হয়।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান এনডিসি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত কুচকাওয়াজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে স্কুলটির ছেলে শিক্ষার্থী কোয়ান্টারা। পাশাপাশি ‘চলো এগিয়ে যাব বাধা মানি না’ গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিসপ্লে প্রদর্শন করে স্কুলের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ১৬৮ জন শিক্ষার্থী। মনোমুগ্ধকর এই ডিসপ্লেতেও তারা পেয়েছে প্রথম স্থান।

অনুষ্ঠান শেষে পুরো স্টেডিয়াম চত্বর পরিষ্কার করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। আগের দিন বুধবারও (১৫ ডিসেম্বর) তারা মহড়া শেষে পরিচ্ছন্নতার কাজ করে। এই দৃষ্টান্ত দেখে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিরবীজি ও বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সাধুবাদ জানান।

মহান বিজয় দিবসে লামা উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ প্রতিযোগিতাতেও সাফল্য পেয়েছে ছেলে কোয়ান্টারা। লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় গ্রুপে প্রথম হওয়ার পাশাপাশি ডিসপ্লেতেও তারা প্রথম হয়। এবারের ডিসপ্লেতে অংশ নেয় কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির ১৭১ জন কোয়ান্টা। ‘নোঙ্গর তোলো তোলো সময় যে হলো হলো’ সংগীতের সঙ্গে এই ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ডিসপ্লে মুগ্ধ করে হাজারো দর্শককে। এছাড়া অনুষ্ঠান শেষে কোয়ান্টাদের একটি ব্যান্ড বাদন দল সংক্ষিপ্ত পারফর্মেন্স করে। এতে অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ হয়। তারাও বিশেষ পুরস্কার লাভ করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল চৌধুরী, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোস্তফা জাবেদ কায়সার এবং উপজেলা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২০০১ সালে মাত্র সাতজন মুরং শিশু নিয়ে যাত্রা শুরু করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ। ২০ বছরের পরিক্রমায় জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এখন এখানে আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বঞ্চিত শিশু ও এতিমদের নিয়ে এই স্কুলের রয়েছে শিক্ষা ও ক্রীড়ায় দেশসেরা সাফল্য। ঢাকায় জাতীয় শিশু-কিশোর কুচকাওয়াজে তারা প্রথম হয়েছে ২০১৫ থেকে টানা পাঁচ বছর। বুয়েট, মেডিকেল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে কোয়ান্টারা।

বিজয় দিবসে ‘বিশেষ পুরস্কার’ পেল কোয়ান্টারা

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজে উদযাপন করা হলো বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এ কুচকাওয়াজে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশের দুরন্ত ও অদম্য রূপ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। বণার্ঢ্য এ আয়োজন উপভোগ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

উদ্যত খড়গের ভয় উপেক্ষা করে, শানি অস্ত্রে শত্রুকে রুখে দিয়ে শষ্যের ভাগ বুঝে নেওয়ার প্রেরণা যিনি। যিনি বুকে বিশ্বাস ও চোখে স্বপ্নের জনক সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যাল ছিল কুচকাওয়াজের পুরোভাগে। তারপরই সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের প্রতিকৃতি আর মুক্তিযোদ্ধাদের সুসজ্জিত বাহন। বিজয় দিবস কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৯ম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।

এতে দেশের বিভিন্ন বাহিনীর ২৩টি কন্টিনজেন্ট অংশ নেয়। অংশ নেয় বন্ধুপ্রতিম ৩টি রাষ্ট্রের কন্টিনজেন্ট এবং ২টি রাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক দল। বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দেওয়া ভুটানের ৩৫ সদস্যের কন্টিনজেন্ট কুচকাওয়াজেও বিদেশি কন্টিনজেন্টের মধ্যে প্রথম রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানায়।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে চলছিল ঠান্ডা লড়াই। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পক্ষে দাঁড়ায় রাশিয়া ও ভারত। সবচেয়ে বেশি ১২২ সদস্যের ভারতীয় কন্টিনজেন্টের বাদক দলের বাজনা প্যারেড স্কয়ারে ছড়িয়ে দেয় চিরকালীন বন্ধুত্বের সুর।

রাশিয়ান কন্টিনজেন্টের ভিন্ন রকমের নজর কাড়া কুচকাওয়াজ যেন বলে যায় সুখে দুখে পাশে আছি বাংলাদেশ।

মুক্তিযুদ্ধ থামিয়ে দিতে বঙ্গপোসাগরে রণতরী পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের ৩ সদস্যের পর্যবেক্ষক দলের অংশ যেন জানান দিলো বাংলাদেশের কূটনৈতিক মানচিত্র কতটা বিস্তৃত। পর্যবেক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানানো আরেকটি দেশ হলো মেক্সিকো।

বাংলার মাটি কতটা দূর্জয় তা শত্রু আর দুর্বৃত্তদের বুঝিয়ে দিতে তুলে ধরা হয় সশস্ত্র তিন বাহিনীর বহুমাত্রিক সক্ষমতা। বিমানবাহিনীর মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট ও অ্যারোবেটিক ডিসপ্লের মাধ্যমে বাংলার নীলাকাশ কতটা সুরক্ষিত তা জানিয়ে দেওয়া হয়। মিগ টুয়েন্টি ওয়ানসহ বিভিন্ন যুদ্ধ বিমান আর সমরাস্ত্রের প্রদর্শনীর মাধ্যমে জানানো হয় যুগের সঙ্গে তালমিলিয়ে বাড়ছে দেশের সমর সক্ষমতা।

সুসজ্জিত গাড়ি বহর তুলে ধরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অর্জন।

আর্মি অ্যাভিয়েশন ও র‌্যাবের ফ্লাইরাষ্ট , দুঃসাহসিক প্যারা কমান্ডো সদস্যদের ফ্রিফল জাম্প কুজকাওয়াজকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। সব মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আর সুবর্ণজয়ন্তীর প্যারেড উপস্থাপন করে দুরন্ত ও অদম্য বাংলাদেশের বর্ণিল চিত্র।

কুচকাওয়াজে ভেসে উঠল বাংলাদেশের দুরন্ত ও অদম্য রূপ

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

আজ ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশের মানুষকে শপথ পাঠ করাবেন। দেশের বিভাগীয় জেলা, জেলা ও উপজেলা স্টেডিয়াম ও বিজয় দিবসের নির্ধারিত ভেন্যু থেকে সাধারণ মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে শপথ বাক্য পাঠ করবেন। এ জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) চিঠি পাঠিয়ে এই শপথের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে শপথ অনুষ্ঠান আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বিকেল ৪টায় সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। দেশব্যাপী সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এ শপথে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি সারাদেশের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। সব বিভাগ/জেলা/উপজেলা স্টেডিয়াম/মহান বিজয় দিবসের নির্ধারিত ভেন্যুতে শপথ অনুষ্ঠানটি আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শিরোনামে আগামী ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান হবে। এতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ উপস্থিত থাকবেন।

বিজয় দিবসের দিনে দেশবাসীকে সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের যে শপথ পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী তা হলো-

‌‌“জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা।

আজ বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না- দেশকে ভালোবাসব, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।”

৫০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশের মানুষকে শপথ পাঠ করাবেন

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

সুবর্ণ বিজয়ের সকাল থেকেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে । আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন পর সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয়া হয় স্মৃতিসৌধের বেদি। পরে একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

এ সময় নানা বয়সের মানুষের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি তাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে হাজির হন। শ্রদ্ধা জানাতে বড়দের পাশাপাশি উপস্থিত হয় শিশুরাও।

এদিকে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সৌধ এলাকায় নিরাপত্তা চৌকি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ারসহ বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়নোসহ নিরাপত্তার স্বার্থে সৌধের আশপাশের চলাচলকারীদেরও তল্লাশি করা হচ্ছে।

সুবর্ণ বিজয়ের সকাল থেকেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষের ঢল

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

পাকিস্তানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বানচালের চেষ্টা করেছিল জামায়াত নেতাকর্মীরা, জানিয়েছেন শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ যখন শেষের দিকে, বাঙালি জাতির বিজয় যখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানিদের বর্বরতার বিরুদ্ধে এবং মুক্তিকামী বাঙালি জাতির পক্ষে যখন বিশ্বজুড়ে জনমত তুঙ্গে, ঠিক তখনই নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানিরা।

সময় নিউজের পাঠকদের জন্য সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘মুক্তিযুদ্ধ যখন শেষের দিকে, বাঙালি জাতির বিজয় যখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানিদের বর্বরতার বিরুদ্ধে এবং মুক্তিকামী বাঙালি জাতির পক্ষে যখন বিশ্বজুড়ে জনমত তুঙ্গে, ঠিক তখনই নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানিরা।

তারা তখন জামায়াতের কয়েকজন নেতাকে বাঙালি জাতির প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়। উদ্দেশ্য, বাঙালির চূড়ান্ত বিজয় বানচাল করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথরুদ্ধ করা।

আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এও তৎপর হয়ে ওঠে পাকিস্তানিদের এটি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য। এ জন্য তারা খন্দকার মোশতাক, তাহের উদ্দীন ঠাকুর, মাহাবুবুল আলম চাষিদের সঙ্গে একটি ডানপন্থি বলয় গড়ে তোলে। তাদের টার্গেট ছিল- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানিদের পরাজয় রোধ করা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্ন চিরতরে মুছে দেওয়া।

এরপর পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কনফেডারেশন রাষ্ট্র গঠন করা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন গোয়েন্দাদের সঙ্গে তাদের এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায়, প্রবাসী সরকারের নেতারা সতর্ক হয়ে যায়। ফলে তাদের সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তবে থেমে ছিল না জামায়াত। শেষ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বাসনা দমিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।

রণাঙ্গনে যেমন জামায়াতের নেতাকর্মীরা সরাসরি পাকিস্তানের হয়ে যুদ্ধ করেছে, বাঙালি নারীদের ধর্ষণ করেছে, লুটপাট করেছে, জবরদখল করেছে, তেমনি কূটনৈতিকভাবেও বিভিন্ন রাষ্ট্রকে ভুল বুঝিয়ে মুক্তিযুদ্ধে তাদের সমর্থন দান থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছে।

১৯৭১ সালের নভেম্বরে, যখন মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি জান্তারা ঠিক তখনই পাকিস্তানি জান্তাদের সমর্থনে এবং বাঙালির জাতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘে কথা বলতে যায় জামায়াতের মুখপাত্র ও মুসলিম লীগ নেতা নেতা শাহ আজিজুর রহমান।

সরাসরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধ বিষোদ্গার করে সে। পাকিস্তান কূটনৈতিক দলের বাঙালি নেতা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে, বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার কথা অস্বীকার করে এই শাহ আজিজ। এমনকি অন্যান্য মুসলিম দেশকে যেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়, এ জন্য আহ্বান জানায় সে। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর এই ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসায়।

মুক্তিযুদ্ধকালে বাঙালি জাতির ওপর নির্যাতনের ব্যাপারে জামায়াতের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানের উপদেষ্টা জেনারেল রাও ফরমান আলী।

আত্মজীবনীতে সে লিখেছে, ‘জেনারেল নিয়াজী বাংলাকে শত্রুভূমি হিসেবে আখ্যায়িত করে নিয়মিত বক্তব্য প্রদান করে সেনাদের খেপিয়ে তুলত। তবে আমি কিছু নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করি। ফলে নুরুল আমীন, খাজা খয়ের, ফরিদ আহমদ, শফিকুল ইসলাম, গোলাম আযমরা টিক্কার সঙ্গে দেখা করতে আসে এবং শান্তি কমিটি গঠন করে। তাদের উদ্যোগে মুসলীম লীগ, পিডিপি, জামায়াতে ইসলামীসহ আরে কয়েকটি পাকিস্তানপন্থি দলকে নিয়ে সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়।

৭ এপ্রিল যুদ্ধ চলাকালে তারা পাকিস্তানের পক্ষে ঢাকায় একটি মিছিলও বের করেছিল। এরপর পাকিস্তানি সেনাদের যুদ্ধে সহযোগিতা করা, রাজধানীর বাইরে রাস্তাঘাট চিনিয়ে দেওয়া, মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করাসহ সার্বিক কাজের জন্য রাজাকার নামে আরেকটি বাহিনী গঠন করা হয়। এমনকি যুদ্ধকালে নিয়াজীর তৈরি সশস্ত্র আলবদর ও আলশামস বাহিনীও দারুণ সহযোগিতা করেছে পাকিস্তানি সেনাদের। এসব বাহিনীর প্রধান ছিল গোলাম আযম, শাহ আজিজ, নিজামী, মুজাহিদসহ শীর্ষ জামায়াত ও শিবিরের নেতারা।’

খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ৭১-এর ধর্ষক-খুনিদের এই কমান্ডারদের মন্ত্রী বানিয়েছিল।

মূলত, পাকিস্তানি দখলদার সেনাদের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল রাজাকার বাহিনী। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এ জন্য প্রায় ৫০ হাজার জামায়াত নেতাকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেয় পাকিস্তানি সেনারা। এ সময় একদিন জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর জেনারেল একে নিয়াজি তার জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিককে ডাকে।

সিদ্দিক সালিক তার আত্মজীবনীতে লিখেছে যে, এরপর নিয়াজি তাকে বলেছিল, ‘আজ থেকে তুমি রাজাকারদের আলবদর ও আলশামস বলে অভিহিত করবে। তাহলে বোঝা যাবে না যে, এরা কোনো নির্দিষ্ট পার্টির লোক।’

পাকিস্তানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বানচালের চেষ্টা করেছিল জামায়াত: জয়

ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ

রাজধানী ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ২টায় শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে সকালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সস্ত্রীক ঢাকায় পৌঁছানতিনি। পরে তা ভিভিআইপি টার্মিনাল টার্মেকে পোঁছায়। ১০ মিনিট পরে স্ত্রী সবিতা কোবিন্দ ও মেয়েকে নিয়ে বিমান থেকে নেমে আসেন তিনি। বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

দু’দেশের রাষ্ট্রপতি গিয়ে দাঁড়ান অভ্যর্থনা মঞ্চে। বিউগলে বেজে ওঠে ভারতের দুদেশের জাতীয় সংগীত। এরপর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকষ দল। পরে গার্ড পরিদর্শন করেন রাম নাথ কোবিন্দ।

পরে মোটরশোভা যাত্রা সহকারে দুই দেশের রাষ্ট্রপতি গাড়ি বহরে বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় তেজগাঁওয়ের হেলিপ্যাডে। সেখান থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতের রাষ্ট্রপতিকে।

সফর সূচি:
দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বঙ্গভবনে যাবেন তিনি। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি ট্যাংক ও যুদ্ধবিমান জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য উপহার দেবেন।
আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ১৭ ডিসেম্বর রমনা কালীমন্দিরের সংস্কারকৃত অংশ উদ্বোধন করে দুপুরে দিল্লি ফিরবেন রামনাথ কোবিন্দ।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ভারতের রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031