অধিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আলাদা ইকোনমিক জোন করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ।
শনিবার (১৮ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবাসীদের অংশ নিতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান মন্ত্রী। চলতি বছর ৯ থেকে সাড়ে ৯ লাখ কর্মী বিদেশ যাবে এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে।
এদিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, বিদেশে অদক্ষ শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিতে কাজ করে যাচ্ছে দূতাবাসগুলো। প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে নতুন কর্মসংস্থান উন্মুক্ত করা এবং বিমান ভাড়া কমানোর লক্ষ্যে কূটনীতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রবাসী দিবস হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি এবং প্রবাসী সিআইপিদের পুরস্কৃত করা হয়।
সাভারের গোলাপ গ্রামে ফুল বিক্রি হচ্ছে পানির দামে। চাষিদের অভিযোগ, দোকানদাররা কৃত্রিম বা কাগজের ফুলের দিকে ঝুঁকতে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।
মূলত হাতবদলের পর মোকাম থেকে দোকানদারদের হাতে আসলেই প্রতিটি ফুলের দাম বেড়ে যায় ৮ থেকে ৯ গুণ।
দোকানদাররা বলছেন, কৃত্রিম ফুল বারবার ব্যবহার করতে পারায় তারা অধিক লাভবান হচ্ছেন। বাগানের ফুলের দাম বেশি আবার লাভও কম।
বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ঘিরে সাভারের দোকানগুলোতে বেড়েছে ফুলের চাহিদা। কিন্তু বিরুলিয়ার গোলাপ বাগানে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফুল থাকলেও চাহিদা কম থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
তাদের অভিযোগ, সেচ, সার, নিড়ানি ও দিনমজুরের খরচ উঠছে না বর্তমান দামে। বিজয় দিবসে ফুল বিক্রি করতে না পারলেও সামনে ভাষা, ভালোবাসা ও স্বাধীনতা দিবস ঘিরে লাভের আশায় তাকিয়ে আছেন তারা।
বিরুলিয়ার ফুলচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফুলের যে দাম দেওয়া হচ্ছে, তাতে ফুল তোর দামও উঠাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। একজন চাষি ৬০ হাজার টাকা লগ্নি করে মাত্র ৪ হাজার টাকা তুলতে পেরেছেন বলে আক্ষেপের সঙ্গে জানান।
তবে ফুলের দামের ব্যাপক হেরফের দেখা গেছে সাভারের স্থানীয় ফুলের দোকানগুলোতে।
খুচরা বাজারে গোলাপ, গাদা, গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন ফুলের দাম অনেক চড়া।
দোকানদাররা বলছেন, কৃত্রিম ফুল বেশ কয়েকবার ব্যবহার করতে পারায় তারা তাজা ফুলের দিকে তেমন ঝুঁকছেন না। তাছাড়া প্রতিটি গোলাপ তাদের কিনতে হয় ৮ থেকে ১০ টাকা দামে। অন্যান্য তাজা ফুলের দামও অনেক বেশি।
সাভার উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, বিরুলিয়া ইউনিয়নে প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হয়। কয়েক প্রজাতির গোলাপ, গ্লাডিওলাস, গাঁদাসহ বিভিন্ন ফুলের চাষ হয়। এর মধ্যে ৩০০ হেক্টরেই চাষ হয় গোলাপ।