শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে ওলামা দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন ডিসি-এসপিরাও নৌকার পক্ষে ভোট চায়। তারা কাউকে পছন্দ করতে পারেন, ভোট দিতে পারেন। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো দলের পক্ষে ভোট চাইতে পারেন না।
আরও পড়ুনঃ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে আল্টিমেটাম
রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন ডিসি, তাহলে কীভাবে একজন ডিসি নৌকার পক্ষ ভোট চায়। এতে বোঝা যায় শেখ হাসিনার আগামী নির্বাচন কত একতরফা ও গণবিরোধী হবে। তার নমুনা এখনি ফুটে উঠেছে। আমরা কয়েকদিন আগে দেখলাম মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের যিনি প্রধান তিনি তরবারি দিচ্ছেন দেশের যিনি আইনের অভিভাবক প্রধান বিচারপতি তাকে। এই যে তরবারি দিয়েছেন তার কি কোনো লাইসেন্স আছে? আমাদের দেশে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন অনুযায়ী কোনো অস্ত্রদাতা বা গ্রহীতা যদি অস্ত্র দেয়, যিনি দেবেন এবং যে গ্রহণ করবেন তাদের সাজা হবে।
আরও পড়ুনঃ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার কোনো যৌক্তিকতা নেইঃ প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদকে সেই সময়ে ইরাকের রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হোসেন একটি অস্ত্র দিয়েছিল, যেটি তার বাসায় ছিল। এটার কারণে এরশাদের সাজা হয়েছিল। তখন রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন। এই যে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান তিনি যে তরবারি দিচ্ছেন প্রধান বিচারপতিকে এটা কোন আইনে দিলেন? আসলে ওরা দেশের প্রচলিত কোনো আইন কানুন তোয়াক্কা করে না, আমি আগেও বলেছি। তারা মনে করে শেখ হাসিনার কথাই আইন।
ডিসিএন বাংলা/রা.নি.