মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। আর মাত্র কয়েকটিন পর উদযাপিত হতে যাচ্ছে কোরবানির ঈদ। ঈদকে ঘিরে এরই মধ্যে জমে উঠছে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট। এর মধ্যে রাজধানীর সবচেয়ে বড় স্থায়ী পশুর হাট গাবতলীতে আসতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। ক্রমেই জমে উঠছে বৃহৎ এই গরুর হাট। শনিবার (২৪ জুন) গাবতলী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটের স্থায়ী ও অস্থায়ী দুই অংশই কোরবানির পশুতে ভরে গেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় জমজমাট হয়ে উঠছে হাট প্রঙ্গণ।
আরও পড়ুনঃ ১৪৪৪ হিজরি বর্ষের হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট বড় পশু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারীরা। গরুর পাশাপাশি ঢুকছে ছাগলও। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন এখনো বেশিরভাগ ক্রেতা বাজার যাচাই করতেই আসছেন। কাঙ্খিত পশুটি তারা যচাই বাছাই করেই কিনবেন। ঈদের আগের দুইতিন দিন হাট পুরোপুরি জমে উঠবে বলে আশা বিক্রেতা ও হাট কর্তৃপক্ষের। হাটের ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম বলেন, শুক্রবার রাত থেকে হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। বেচাকেনাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। ঈদ যত এগিয়ে আসবে, বেচাকেনাও তত বাড়বে।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৭ হাজার পশু এসেছে। আরও পশু আসছে। আশা করছি এবার ২০-২৫ হাজার পশু বিক্রি হবে। হাটের প্রস্তুতি পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। ১১টি হাসিল ঘর, র্যাব, পুলিশ ও সিটি এসবির জন্য বুথ, ব্যাংকের জন্য বুথ এবং তিনটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। হাটে চারটি চেকপোস্ট রয়েছে। পাশাপাশি দুই শিফটে ১২০০ স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। হাসিল ঘরের পাশাপাশি ১০ থেকে ১২টি ব্যাংকের বুথ থাকবে। সেসব বুথ বা হাসিল ঘরে গিয়ে টাকা পরীক্ষা করেতে পারবেন। পশুর চিকিৎসায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন ও চিড়িয়াখানার চিকিৎসকসহ আলাদা আলাদা তিনটি টিম থাকবে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বিক্রেতারা বলছেন, হাটে বেচাকেনা শুরু হলেও পুরোপুরি জমতে দুই দিন সময় লাগবে। হাটে বড় এবং মাঝারি গরু বেশি এসেছে। সেগুলোই এখন বিক্রি হচ্ছে। ছোট গরু এখনো তেমন আসেনি। শেষের দিকে ছোট গরু এলে সেগুলোই বেশি বিক্রি হবে। ব্যাপারী আকবর হোসেন বলেন, হাটে অনেকে এলেও বেশিরভাগ দেখতে এসেছেন। গরুর দাম শুনলেও নিজেরা বলছেন না। যাদের রাখার জায়গা আছে তারাই এখন গরু কিনছেন। যাদের জায়গা নেই তারা ঈদের এক-দুই দিন আগে কিনবেন।
ডিসিএন বাংলা/ধ.নি.