প্রধানমন্ত্রী সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেয়া এক বাণীতে বলেন, সময়ানুগ ও মানসম্পন্ন পরিসংখ্যান ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সময়ানুগ ও মানসম্পন্ন পরিসংখ্যান ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যকরী পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হব।
আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ পরিচালনায় শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছেঃ স্পিকার
তৃতীয়বারের মতো ‘জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত উল্লেখ করে বলেন, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য: ‘পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর, বাংলাদেশের সুসংগঠিত উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিবীক্ষণে গুণগত পরিসংখ্যানের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ৪টি পৃথক পরিসংখ্যান সংস্থাকে একীভূত করে ১৯৭৪ সালে বিবিএস প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে বিবিএসসহ জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সমন্বয় ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদানের জন্য ১৯৭৫ সালে পরিসংখ্যান বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে একটি সুসংহত আইনগত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আওয়ামী লীগ সরকার ‘পরিসংখ্যান আইন-২০১৩’ এবং পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের জন্য ‘জাতীয় পরিসংখ্যান উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০১৩-২০২৩’ প্রণয়ন করেছে বলেও জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সক্ষমতার অন্যতম প্রকাশ হলো ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালনা এবং এক মাসের মধ্যে প্রিলিমিনারি রিপোর্ট প্রকাশ।
ডিসিএন বাংলা/জা.নি.