কাজী এহসানুল হাসান সন্টু
ডিসিএন বাংলা টেলিভিশন
উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
উল্লাপাড়ার মুক্তিযোদ্ধার পুত্র ছাইদুর রহমান রঞ্জু (৪০) হত্যাকান্ডের সাথে জারিত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে উল্লাপাড়া থানা পুলিশ। গত ২৪ শে সেপ্টেম্বর মৃত্য মুক্তিযোদ্ধার পুত্র সাইদুর রহমান রন্জু রহস্য জনক ভাবে বাড়ি থেকে উধাও হয়। রাতে রঞ্জুর ব্যবহারিত মোবাইল ফোন থেকে রঞ্জুর স্ত্রী বুলবুলি খাতুনের কাছে ফোন করে বলা হয় তাকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে পেতে হলে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপোন দিতে হবে। টাকা দিতে না পাড়ায় ২৬শে সেপ্টেম্বর রঞ্জুর লাশ উল্লাপাড়া লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের গুনাইগাতী গ্রামের কুমার নদীতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
রঞ্জুর মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে থানা পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ৩ হত্যাকারীকে গ্রেফতার করে। এরা হচ্ছে গুনাইগাতী গ্রামের গোলজার হোসেনের পুত্র গ্রামের আব্দুল মোমেনর সাহেব আলীর পুত্র আলাউদ্দিন, কাসেম আলীর পুত্র সোহেল রানা।
ঘাতকরাপুলিশকে জানান, রঞ্জুর কাছ থেকে ভাড়া দেওয়া নৌকায় নাচ গানের দলের ভাড়া নিয়ে গোলযোগের জের ধরে রঞ্জুকে খুন করে ঘাতকরা।
এরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার গুনাইগাঁতী গ্রামের গোলজার শাহের ছেলে আব্দুল মোমিন শাহ (৩০), সাহেব আলীর ছেলে আলাউদ্দিন প্রামানিক (১৯) ও আবুল কাসেমের পুত্র সোহেল রানা।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা জানান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর রাতে রঞ্জুর নৌকাটি নাচ গানের দলসহ ভাড়া নিয়ে এলংজানী ঘাট থেকে গুনাইগাঁতী গ্রামের পাশের এলাকায় গিয়ে আমোদ ফুর্তি করাকালে রঞ্জুর সঙ্গে নৌকা এবং নাচ গানের ভাড়া নিয়ে গোলযোগ বাঁধে। এক পর্যায়ে রঞ্জু লাথি মেরে আসামী আলাউদ্দিনকে নৌকা থেকে পানিতে ফেলে দেয়। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাতকরা নৌকায় থাকা লোহার রড দিয়ে রঞ্জুর মাথায় আঘাত করে এবং গলাটিপে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহের সঙ্গে দড়ি ও পাথর বেঁধে পানিতে ফেলে দেয়। রঞ্জুকে হত্যার পর আর্থিকভাবে লাভবান হবার লক্ষ্যে হত্যাকারীরা তার স্ত্রীর কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। রন্জু মৃত মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলীর পুত্র।
বস্তুতঃ মুক্তিপন দাবির আগেই রঞ্জুকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ডিসিএন বাংলা/উ.আ.নি.