ডিসিএন বাংলা টেলিভিশন
নিউজ ডেক্স
১২ বছর বয়সী চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর টাঙ্গাইলের একটি স্কুলে ওই যুবক লুকিয়ে ছিল।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন গণমাধ্যমকে জানান, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা একজন মুদিদোকানি এবং মাংস ব্যবসায়ী। তার মা-বোনও ওই দোকানে বসেন। দোকানের সঙ্গেই ছিল তাদের বাসা। আর ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার রুবেল সেই দোকানের কর্মচারী। তিন মাস ধরে তিনি এখানে চাকরি করছিলেন।
আরও পড়ুনঃ না ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ
দোকানে বসেছিলেন ভুক্তভোগীর মা ও বোন। আর এ সুযোগে টিভি দেখবেন বলে বাসায় যান রুবেল। সেখানে স্কুলছাত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি গোপন রাখতেও ভয় দেখানো হয়। কিন্তু রাতে সবাই বাসায় ফিরলে ধর্ষণের বিষয়ে মুখ খোলে শিশুটি। এরপরই টাঙ্গাইলে পালিয়ে যান রুবেল। পরে থানায় মামলা করলে টাঙ্গাইল সদর থানার একটি স্কুল থেকে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিসিএন বাংলা/টা.আ.নি.