শুক্রবার (২৫শে র্মাচ) রাতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত স্কুল ছাত্রের বন্ধু বিপ্লব র্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উৎঘাটন করা হয়। র্যাব-১২ এর কোম্পনী কমান্ডার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, রাহাত ও বিপ্লব দুইজনে বন্ধু। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। মঙ্গলবার (২২শে মার্চ) রাতে বিপ্লব ও রাহাত কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে বসে লুডু খেলে। খেলার সময় বিপ্লবকে কয়েকবার রাহাত এতিম বলে সন্মোধন করে। এ কারনে রাহাতের উপর বিপ্লব ক্ষিপ্ত হয় এবং রাহাতকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে বিপ্লব বাজারের একটি দোকান থেকে ব্লেড ও সিগারেট কেনে।
এরপর বিপ্লব সিগারেট খাওয়ার কথা বলে রাহাতকে কাগুজিপাড়া এলাকার একটি পুকুর পারে নিয়ে যায়। সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথেই বিপ্লব ব্লেড দিয়ে রাহাতের গলায় পোচ দেয়। এসময় রাহাত চিৎকার দিলে বিপ্লব মুখ চেপে ধরে আরও কয়েকবার পোচ দেয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কাঁদার মধ্যে রাহাতের মুখ চেপে ধরে। রাহাতের মৃত্যু হওয়ার পর মনদেহ পুকুরে ফেলে দিয়ে তার (রাহাতের) মোবাইল নিয়ে বাড়িতে চলে যায় বিপ্লব। বাড়িতে গিয়ে বিপ্লব গোসল করে এবং তার রক্তমাখা জামাকাপড় ধুয়ে ফেলে।
শুক্রবার (২৫শে মার্চ) তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কালিহাতী থেকে বিপ্লবকে আটক করার পর র্যাবের কাছে সে এই হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে হত্যার বর্ণনা দেয়। পরে বিপ্লবের ঘর থেকে তার জামাকাপর ও নিহত রাহাতের মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার (২৩শে মার্চ) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাহাত বানিয়ারা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। সে বল্লা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। হত্যার দিন রাতে নিহতের বাবা অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ডিসিএন বাংলা/দু.নি.