আজ সকাল থেকেই সারাদেশে গণটিকা কর্মসূচির আওতায় টিকাকেন্দ্রগুলোতে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। সাভারের ১২টি ইউনিয়নের পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও ৯টি কেন্দ্রে নিয়মিত টিকা দেয়া হয়। এদিকে, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ২০৫টি এবং উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক কেন্দ্রে টিকা দেয়া হচ্ছে। সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নেয় জনসাধারণ। যারা বিভিন্ন জটিলতায় অনলাইন নিবন্ধন করতে পারেনি, তারাও টিকা নেয়ার সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে।
টিকাগ্রহণকারীরা জানায়, জন্মনিবন্ধন না থাকলও টিকা দিতে পারছে। অন্যদিকে, সিলেট নগরীর ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলোতে তেমন একটা ভিড় না থাকলেও, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকাদান কেন্দ্রে হুমড়ি খেয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। রাজশাহীর অনেক কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের পর টিকা পৌঁছানোতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
আবার, রংপুর টিকা থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে এ জন্য বাড়তি উদ্যোগ নেয় সিটি কর্পোরেশন৷ বস্তি, বেদে পল্লী, পথচারী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে টার্গেট করে সবখানেই ছুটছে স্বাস্থ্য কর্মীরা। রসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান ইবনে তাজ বলেন, ‘আমাদের যে টিমগুলো কাজ করবে, প্রতিটা টিমই বাড়ি বাড়ি গিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে যে কেউ টিকা নেয়া বাদ আছে কিনা। এছাড়া বরিশাল, ময়মনসিংহ, ভোলা, গাজীপুর, রাঙামাটি, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, যশোর, হবিগঞ্জ, মেহেরপুর, বগুড়াসহ সারাদেশে গণটিকা কার্যক্রম চলছে। বগুড়া সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সামীর হোসেন মিশু বলেন, ‘একদিনের এক কোটি টিকাদান কর্মসূচিতে সাড়াদেশের মতো এখানেও যে টিকা দেয়া হচ্ছে যা অনেক আশানরূপ।’ যতক্ষণ পর্যন্ত টিকা কেন্দ্রে মানুষ আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত টিকা দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
ডিসিএন বাংলা/জা.ক.নি.