ঝালকাঠি জেলা কাঠালিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আহসান উল্লাহ দাপটে অস্থির এলাকার জনগণ মুখ খুলছেন না ভয়ে এর অভিযোগ উঠেছে।গোপন সংবাদে জানা যায় তিনি কাঠালিয়ার ৬ টি ইউনিয়নের ভিতরে ৩ নং আমুয়া ও ২ নং পাটিখাল ঘাটা ইউনিয়নে স্বজনপ্রীতি সহ নিরীহ অসহায় মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আদায় করছে অর্থ। জানা যায় যে গ্রামের সাধারণত এক পরিবার আরেক পরিবারের বিতরে জমিজমা বিরোধ থাকে ।যে পরিবার প্রভাবশালী এবং বিত্তশালী তাদের পক্ষ নিয়ে অর্থের বিনিময়ে তাদের প্রতিপক্ষকে বিভিন্ন মামলায় অযথা চালান করে দিচ্ছে। এ বিষয়ে তবে কেহ ভয়ে মুখ খুলছেন না যেহেতু সে কাঠালিয়া থানা বর্তমান সেকেন্ড অফিসার হিসেবে দীর্ঘ চার বছর কাঠালিয়া থানা তে চাকুরীরত রয়েছে।এ বিষয়ে কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কাঠালিয়া নাগরিক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাজিব তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা যার তদন্তভার ছিল আহসান উল্লাহর কাছে সে আমার কাছে অর্থ দাবী করছে বিদায় আমি তাকে অর্থ দিতে ইচ্ছুক না এরজন্য অযথা আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি এফআইআর সহ চার্জশিট আদালতে দাখিল করে। সে কোন কাজে টাকা পয়সা ছাড়া কিছুই বুঝেনা। তবে আমি উল্লেখ্য এই বিষয়ে পুলিশ প্রধান তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছি এবং ঠিক একই অভিযোগ দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর করেছি। আমি জানতে চাই আহসান উল্লাহর বেতন কত সে কত টাকা ইনকাম করছে তারা এত আয় উৎস কোথা থেকে।