
বিগত ১৯ মাসের তুলনায় বর্তমানে তেলের দাম সব থেকে নিম্নমুখী পর্যায়ে আছে বলে জানা যায়। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রভাবে শেয়ারবাজার এবং তেলের বাজারে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ৭২ ডলার। আর ইউএস অয়েল ফিউচার্সের দাম ১১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে নেমে গেছে। যা কিনা গত বছরের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ দরপতন। গত বছরের এপ্রিলে একপর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম কমে মাইনাস ৪০ ডলার হয়। পরে সে অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ায় পরিস্থিতি।
এছাড়াও বিভিন্ন দেশের শেয়ার সূচকও পড়ে গেছে বলে জানা গেছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক কমেছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ, জাপানের নিকেই সূচক কমেছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। এশিয়ার বাজারের ধাক্কায় ইউরোপের বাজারও পড়ে গেছে। যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০, ফ্রান্সের সিএসি ৪০, জার্মানির ডিএএক্স সব সূচকই ৩ থেকে ৪ শতাংশ কমেছে।
এদিকে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের উপস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে আফ্রিকার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত করেছে ইতালি, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো।