বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ ইস্যুতে রাজনীতি যখন উত্তপ্ত, তখন ফতোয়া দিলো দেশের আলেম সমাজ। আজ বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে ভাস্কর্য নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ভাস্কর্যের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন কথা হচ্ছে। ফলে জাতীয়ভাবে এ সংক্রান্ত জিজ্ঞাসার সৃষ্টি হয়েছে। ভাস্কর্য ও মূর্তির বিধান নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভ্রান্তি।
কোরআন এবং হাদিসের আলোকে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম দাবি করে তারা বলেন, এসব মূর্তি-ভাস্কর্য ভাঙার দায়িত্ব সরকারের। ওলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে ফতোয়াটি উপস্থাপন করেন ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের প্রধান মুফতি এনামুল হক কাসেমী। লিখিত ফতোয়ায় তিনি বলেন, ‘মানুষ বা অন্য যেকোনো প্রাণীর ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে শরীয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে কোনো পার্থক্য নেই। পূজার উদ্দেশ্যে না হলেও তা সন্দেহাতীতভাবে নাজায়েজ ও স্পষ্ট হারাম এবং কঠোর আজাবযোগ্য গুনাহ। ইসলামের সুস্পষ্ট বিধানকে পাশ কাটিয়ে প্রাণীর ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য করে প্রাণীর ভাস্কর্যকে বৈধতা বলে সত্য গোপন করা এবং কোরআন ও সুন্নাহর বিধান অমান্য করার নামান্তর।’
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়। পুরস্কার পেলেন তারিক আনাম খান-সুনেরাহ বিনতে কামাল-মমতাজ বেগম-জাহিদ হাসান-তানভীর ও তারেক। ২৬ বিভাগে ৩৩ জন শিল্পী ও কলাকুশলী পেয়েছেন দেশীয় চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার। এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ সিনেমার খেতাব যৌথভাবে পাচ্ছে ন ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়। ন ডরাই সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পাচ্ছেন তানিম রহমান অংশু। আবার বসন্ত সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন তারিক আনাম খান। আর ন ডরাই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হয়েছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল।
পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও অভিনেত্রী যথাক্রমে ফজলুর রহমান বাবু ও নারগিস আক্তার। সাপলুডু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন জাহিদ হাসান। কালো মেঘের ভেলা এবং যদি একদিন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পীর পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছে নাইমুর রহমান আপন ও আফরীন আক্তার। মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ইমন পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালকের পুরস্কার। মায়া দ্য লস্ট মাদার সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। শ্রেষ্ঠ গায়ক হয়েছেন মৃনাল কান্তি দাস। শাটল ট্রেন সিনেমার ‘তুমি চাইয়া দেখো’ শিরোনামের গান গেয়েছেন তিনি। শ্রেষ্ঠ গায়িকার পুরস্কার যৌথভাবে পাচ্ছেন মমতাজ ও ঐশী। দুজনই মায়া দ্য লস্ট মাদার সিনেমায় গেয়েছেন যথাক্রমে ‘বাড়ির ঐ পূর্বধারে’ ও ‘মায়া, মায়া রে’ গান।
শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালকের পুরস্কার পাচ্ছেন হাবিবুর রহমান। মনের মতো মানুষ পাইলাম না সিনেমায় নৃত্য পরিচালনার জন্য এ পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে যৌথভাবে পুরস্কার পাচ্ছেন নির্মলেন্দু গুণ ও কবি কামাল চৌধুরী। কালো মেঘের ভেলা সিনেমার ‘ইস্টিশনে জন্ম আমার’ গানের জন্য নির্মলেন্দু গুণ এবং মায়া দ্য লস্ট মাদার সিনেমায় ‘চল হে বন্ধু চল’ গানের জন্য কবি কামাল চৌধুরী এ পুরস্কার পাচ্ছেন। মায়া দ্য লস্ট মাদার সিনেমার ‘বাড়ির ঐ পূর্বধারে’ গানের জন্য আব্দুল কাদির ও ‘আমার মায়ের আঁচল’ গানের জন্য সৈয়দ মো. তানভীর তারেক যৌথভাবে পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার।
শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার মাসুদ রানা, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার মাহবুব উর রহমান, শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা জাকির হোসেন রাজু। শ্রেষ্ঠ সম্পাদক জুনায়েদ হালিম, শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক যৌথভাবে মো. রহমত উল্লাহ বাসু ও ফরিদ আহমেদ, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক সুমন কুমার সরকার, শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক রিপন নাথ, শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা খোন্দকার সাজিয়া আফরিন এবং শ্রেষ্ঠ মেকআপ ম্যানের পুরস্কার পেয়েছেন মো. রাজু। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে নারী জীবন। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট।
যা ছিলো অন্ধকারে প্রামাণ্যচিত্রের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন পেয়েছে শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার। এবারের আয়োজনে সর্বোচ্চ ৮টি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে মায়া দ্য লস্ট মাদার সিনেমাটি। ৬টি বিভাগে পুরস্কার পেয়ে দ্বিতীয়স্থানে আছে ন ডরাই। এ ছাড়া ফাগুন হাওয়ায় সিনেমাটি পুরস্কার পেয়েছে ৩টি বিভাগে। সূত্রঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন।
তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ে মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের ভাস্কর্য নির্মাণ করবে তুরস্ক। আজ বুধবার সচিবালয়ের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করি আমরা মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেব। বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রতীক আর কামাল আতাতুর্ক হচ্ছেন তুরস্কের প্রতীক। এই দুই নেতার ভাস্কর্য দুই দেশে স্থাপন করবো এ ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এবং ঢাকার কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ে কামাল আতাতুর্কের ভাস্কর্য স্থাপিত হবে। শিগগিরই এই কাজ শুরু করা হবে। এসময় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাষ্কর্য স্থাপন করবেন। একই সঙ্গে ঢাকায় আধুনিক তুস্কের প্রতিষ্ঠাতা কামাল আতাতুর্কের একটি ভাস্কর্য স্থাপন করবেন। আমরা আরো আলোচনা করেছি তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী ইস্তানম্বুল ও বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামেও এ রকম কিছু করা যায় কি না সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে কীভাবে সাংস্কৃতিক বিনিময় হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তুরস্কের টিআরটি জাতীয় চ্যানেলে মুজিববর্ষ উপলক্ষে কিছু অনুষ্ঠান প্রচার করার বিষয়েও রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে কীভাবে প্রশিক্ষণ আদান-প্রদান করা যায় সে বিষয়েও রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। ইন্ডিপেন্ডেন্ট হতে নেওয়া।
দেশে করোনা ভা্ইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ ২৫ জন এবং নারী ১৩ জন। এনিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৭১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরো দুই হাজার ১৯৮ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো চার লাখ ৬৯ হাজার ৪২৩ জনে। করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি পরীক্ষাগারে ১৫ হাজার ৮৮৪টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৫ হাজার ৯৭২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ফলে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ লাখ ৪১ হাজার ৭৪টি।
একই সময় রোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরো দুই হাজার ১৯৮ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো চার লাখ ৬৯ হাজার ৪২৩ জনে। বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৮২ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো দুই হাজার ৫৬২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো তিন লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৬ জনে। করোনায় মৃত মোট মৃত্যু ৬ হাজার ৭১৩ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ১৪১ (৭৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৫৭২ জন (২৩ দশমিক শূন্য ৪২ শতাংশ)। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।
আপিল বিভাগে রায়ের ব্যাখ্যায় এটর্নি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার (১ ডিসেম্ভর)রায় ঘোষণা করেন। চূড়ান্ত রায়ে বলা হয়েছে, যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছরের সাজা, আমৃত্যু সাজা নয়।
ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেনন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির। গত বছর ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে রিভিউ আবেদনটির রায় (সিএভি) অপেক্ষমাণ রাখেন। তার আগে রিভিউ শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত পাঁচ অ্যামিকাস কিউরির বক্তব্য শোনেন। তারা হলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এএফ হাসান আরিফ, আবদুর রেজাক খান, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও এএম আমিন উদ্দিন।
বিশ্ব এইডস দিবস আজ। বিশ্বে প্রায় প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয় । তাই প্রতিবারের মতো এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশে দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে—‘সারা বিশ্বের ঐক্য, এইডস প্রতিরোধে সবাই নেব দায়িত্ব’। ১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।
জাতিসংঘের এসটিডি/এইডস-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউএন এইডসের গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মানুষ এইডসে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ৫০০ জনেরই বয়স ১৫ বছরের নিচে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের মোট এইডস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৭৯ লাখ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক লোক ৩ কোটি ৬২ লাখ। মোট আক্রান্তের মধ্যে ১ কোটি ৮৮ লাখ নারী এবং ১৭ লাখ শিশু। শুধু ২০১৮ সালে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ লাখ, যার মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১৬ লাখ। এ সময়ে এইডস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার মানুষের। যার মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ৬ লাখ ৭০ হাজার এবং শিশু ১ লাখ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার।
এসব রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়ে চিকিৎসার আওতায় এসেছে মাত্র ৬ হাজার ৬০৬ জন। বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২৫টি পৌরসভার মধ্যে ২৩টিতে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে দলটির বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার ও দলের ভারপ্রাপ্ত তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুদ্দিন।
প্রার্থীরা হলেন পঞ্চগড় পৌরসভায় তৌহিদুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলার রেজাউল করিম, ফুলবাড়ী উপজেলার মো. শাহাদাৎ আলী, বদরগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ শাহ, কুড়িগ্রাম উপজেলার শফিকুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলার আল মামুন, কাটাখালী উপজেলার সিরাজুল হক, শাহজাদপুর উপজেলার মাহমুদুল হাসান, খোকসা উপজেলার রাজু আহম্মেদ, চুয়াডাঙ্গা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম, চালনা উপজেলার আবুল খায়ের খান, বেতাগী উপজেলার হুমায়ুন কবির, কুয়াকাটা উপজেলার আবদুল আজিজ, উজিরপুর উপজেলার শহিদুল ইসলাম খান, বাকেরগঞ্জ উপজেলার এস এম মনিরুজ্জামান, গফরগাঁও উপজেলার শাহ আবদুল্লাহ আল-মামুন, মদন উপজেলার এনামুল হক, মানিকগঞ্জ উপজেলার আতাউর রহমান, শ্রীপুর উপজেলার শহিদুল্লাহ শহিদ, দিরাই উপজেলার ইকবাল হোসেন চৌধুরী, বড়লেখা উপজেলার আনোয়ারুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার এম এফ আহমেদ অলি ও সীতাকুণ্ড উপজেলার আবুল মুনছুর। তবে, পাবনার চাটমোহর ও ঢাকার ধামরাই পৌরসভায় এখনো প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। উল্লেখ্য গত ২৮ নভেম্বর ২৫টি পৌরসভায় দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।
আজ থেকে শুরু হলো বাঙালির বিজয়ের মাস। সুবর্ণ বিজয়ের এই মাসে, বাঙালি নতুন করে প্রত্যয় ঘোষণা করবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার। মার্চ থেকে শুরু, ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এই মাসেই অর্জন করে মহান বিজয়।
অধিকার বঞ্চিত, নির্যাতন, নিপীড়ন –বৈষম্য এগুলো যেন বাঙ্গালীর জীবনকে বেদনা দায়ক করে তু্লেছিল। ঠিক সে সময়ে রুখে দাঁড়ালেন বঙ্গবন্ধু। তার নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ পুরো জাতি। ধাপে ধাপে এগিয়ে যায় স্বাধীনতার লক্ষ্যে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন। ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার। ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ দিলেন স্বাধীনতার ডাক। তখনও উত্তেজনা পুরো ঢাকা জুড়ে।
১০ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান দফায় দফায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করেন। সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া নির্বিচারে বাঙালি হত্যার হুকুম দিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর চলে গণহত্যা। গ্রেপ্তার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
শুরু হয় বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ। ধীরে ধীরে গড়ে উঠে প্রতিরোধ। বাঙালি এগিয়ে চলে বিজয়ের পথে। ডিসেম্বর মাসের প্রাক্কালেই বাঙালীরাও শক্তভাবে মাথা তুলে দাঁড়ায়, একে একে মুক্ত করে পাকিস্তানের ঘাঁটি, দখলে নেয় স্বপ্নের মাতৃভূমি।
অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় সাত কোটি মানুষের স্বপ্নের লাল সবুজ। বাঙালির স্বপ্নের, সাধনার, অর্জনের মাস, ডিসেম্বর। এবার বাঙালি পালন করবে বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী।