আজ রবিবার , ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || গ্রীষ্মকাল

ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় শপথ নিলেন জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হক খান দুলাল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ফরিদুল হক খানকে শপথ পাঠ করান। আজ রাতেই তার দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে।

ফরিদুল হক খান দুলাল জামালপুর-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্য। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ইসলামপুর উপজেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ৪৬ সদস্যের ওই মন্ত্রিসভায় ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী নিয়োগ দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়। এরপর ছোট আকারে মন্ত্রিসভায় দুই দফা পরিবর্তন আনা হয়। বর্তমানে মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী, ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। ফরিদুল হক খান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হলে প্রতিমন্ত্রী দাঁড়াবে ১৯ জনে।

উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্ত হয়ে এ বছরের ১৩ জুন রাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ অসুস্থ অবস্থায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে পদটি শূন্য হয়।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ফরিদুল হক ***

দেশের বাজারে সবধরনের স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)। আগামীকাল বুধবার (২৫ নভেম্বর) থেকে নতুন বাজারে নতুন দাম কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বাজুস এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি প্রতি ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬  টাকা কমানো হয়েছে।  মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৮৩৩ দশমিক ১২ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের বাজার দর ছিল ৭৩ হাজার ১৯১ দশমিক টাকা। সে হিসেবে ভরিতে দাম কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ৬৮৩ দশমিক ৮৪ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এর দাম ছিল ৭৩ হাজার ১৯১ দশমিক ৬০ টাকা। দাম কমেছে ২ হাজার  ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। একই ভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম পড়বে ৬১ হাজার ৯৩৫ দশমিক ৮৪ টাকা। আগে দাম ছিল ৬৪ হাজার ৪৪৩ দশমিক  ৬০ টাকা। ভরিতে কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ প্রতি ভরির দাম ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৬১৩ দশমিক ২০ টাকা। মঙ্গলবার পর্যন্ত দাম ছিল ৫৪ হাজার ১২০ দশমিক ৯৬ টাকা। প্রতি ভরির দাম রয়েছে দাম কমেছে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৭৬ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। .5

দেশের বাজারে সবধরনের স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা-বাজুস ***

নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলায় করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নেত্রকোণা শহরের তেরি বাজার  এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। ২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহারের ওপর ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসন। ডিসিএন বাংলা টিভি/নেত্রকোণা

নেত্রকোণায় করোনাকালেও সোচ্চার প্রশাসন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে করছে জরিমানা, মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতে হবে অভিযান ***

মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর)সকালে বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মঈন উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নিষেধাজ্ঞা দেয়। সেই সময়ের কী পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, কী অবস্থায় আছে সে বিষয়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

এসব আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয় গেলো ১৫ নভেম্বর। এতে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো বিক্রি ও স্থানান্তর অবৈধ ঘোষণার পাশাপাশি জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ওইসব অস্ত্র সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কোনো সংগঠনে হস্তান্তরে নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হয়। পাশাপাশি ওই সব অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বা মুক্তিযুদ্ধসংশ্লিষ্ট অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তরের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না—এ মর্মে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। রিট আবেদনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাণিজ্য সচিবকে বিবাদী করা হয়।

গত ৫ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র বেচতে চায় সরকার’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়েছে, এমন আগ্নেয়াস্ত্রগুলো সরকার বেচে দিতে চায়। সরকারের যুক্তি হচ্ছে এগুলো পুরোনো, অপ্রচলিত এবং যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে অকার্যকর। ফলে রাখার কোনো দরকার নেই। প্রাচীন নিদর্শন বা স্মৃতিচিহ্ন (অ্যান্টিক সুভ্যেনির) হিসেবে অস্ত্রগুলো কিনে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ও সুইজারল্যান্ডের একটি অস্ত্র আমদানিকারক কোম্পানি।

এদিকে পুরোনোর পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিরও উদ্যোগ রয়েছে সরকারের। প্রথম উদ্যোগটি নেওয়া হয় ১৬ বছর আগে। এ বিষয় নিয়ে আবারো নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রপ্তানি করতে চাওয়া পুরোনো অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যে তৈরি ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১; ৯ এমএম স্টেন এসএমজি এমকে-২ ও সিএম ৯ এমএম স্টেন এ১; ভারতে তৈরি ৭.৬২ এমএম এসটিআর এল১ এ১ /১ এ ১ ও রাইফেল জি-৩; পাকিস্তানে তৈরি ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭; যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপানে তৈরি পিস্তল ও রিভলবার ৭০০ এবং জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারতে তৈরি এলএমজি এইচকে ১১ এ১ সিএএল ৭.৬২*৫১।

আট শ্রেণি মিলিয়ে অস্ত্রের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার ৬৬২। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ৪৫৪টি হচ্ছে ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১। আর সবচেয়ে কম ১১৫টি হচ্ছে ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭। বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে নতুন, পুরোনো বা অচল—কোনো ধরনের অস্ত্র রপ্তানিরই সুযোগ নেই। পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব সময় ‘অস্ত্র ছাড়া সবকিছু’ (এভরিথিং বাট নট আর্মস) নীতি অনুসরণ করে আসছে।

মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বেচা যাবে না ***

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ

নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি চলছে বঙ্গভবনে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল হক খান দুলালের। এ শপথ পাঠ পর্বের মধ্য দিয়ে নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন। ফরিদুল হক খান দুলাল ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

আজ সন্ধ্যায় নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর শপথ ***

ডিসিএন বাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ

গভীর রাতে রাজধানীর সাততলা বস্তিতে সমবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ভয়াবহ আগুন  লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হলো রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তি। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর সূত্রপাত নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় ফায়ার সার্ভিস। আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সব হারিয়ে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ। শীতেই রাজধানীতে আগুন লাগার  ঘটনা বেশি ঘটে।  এবার শীতের শুরুতেই আগুন লাগলো রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে।

বস্তিবাসী জানায়, যেখানে আগুন লাগে, সেখানে বস্তিঘর, প্লাস্টিক পণ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন দোকান ছিলো। যা আগুনে পুড়ে ভস্সিভুত। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, শেষ সম্বলটুকো হারি পাগল প্রায় ক্ষতিগ্রস্তরা।

ঘটনা স্থল পরিদর্শনে এসে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাত হোসাইন বলেন, প্রায় এক ঘন্ট ১২টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি জানান, হাজার হাজার উৎসুক জনতার জন্য আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।  বিদ্যুত অথবা গ্যাসের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, ২০১৫ সালে মে মাসে এবং ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে বস্তিটিতে আগুণের ঘটনা ঘটে।

রাজধানীর সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন ***

ডিসিএন বাংলা, বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বিজ্ঞানের জগতে এক অবিস্মরণীয় নাম জগদীশ চন্দ্র বসু। রেডিও আবিষ্কারসহ বিজ্ঞানে ছিল নানামুখী অবদান। ১৮৫৮ সালের ৩০শে নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্ম স্যার জগদীশের। তিনি ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর বিহারের গিরিডিতে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার ৮৩তম প্রয়াণ দিবস।

বিশ্বের উপ-মহাদেশ ভারত বিজ্ঞানচর্চার হাতেখড়ি তার হাত ধরেই। পদার্থ উদ্ভিদ বিজ্ঞানসহ বিজ্ঞানের নানা শাখায় ছিল অবদান। সব ছাপিয়ে তার সবচেয়ে বড় অবদান বেতার বিষ্কারক হিসেবে। তিনি বাঙালী বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু। তাকে বলা হয় রহস্যময় বিজ্ঞানী। ১৩টি বিশ্বমানের বৈজ্ঞানিক গবেষণা লিখেছেন। যার সিংহভাগ নিয়ে এখনো চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ

ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে শুরু, বোসের শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপনা করার সময়েই ব্যক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে শুরু করেন বিজ্ঞান গবেষণার কাজ। ১৮৯৪ সালে ‘অদৃশ্য আলোক’ গবেষণায় বোস দেখান অদৃশ্য আলো তরঙ্গ সহজেই দেয়াল বা ইট পাটকেল ভেদ করে যেতে পারে। যা পরবর্তীতে আজকের বেতার হয়েছে। বিংশতাব্দীর আগেই গাছের প্রাণ থাকতে পারে- অলৌকিক এরকম ধারণাকে গবেষণায় সত্য প্রমাণ করেন ১৯০১ সালে। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে সাইন্স ফিকশন বা কল্প বিজ্ঞান রচনার যোগ করেন। বাংলার সঙ্গে তার ছিল নাড়ির টান, ছিলেন আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক। ২০০৪ সালে বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালীর তালিকায় সপ্তম হয়েছেন স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ।

স্যার জগদীশের ৮৩ তম প্রয়াণ দিবস ***

ডিসিএন বাংলা,  স্টাফ রির্পোটারঃ

যারা অর্থ পাচার করছে, তারা দেশ ও জাতির শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। দেশের বাইরে অর্থ পাচারে সম্পৃক্ত দুর্বৃত্তদের নাম, ঠিকানা, অর্থের পরিমাণ ও পাচারের অর্থে বাড়ি তৈরির তথ্য জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্রসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবসহ বিবাদীদের ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে এসব তথ্য জানাতে বলা হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের অর্থ পাচার নিয়ে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্য গণমাধ্যমে আসে। গণমাধ্যমে আসা এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে আজ রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ এই আদেশ দেন।

একই সঙ্গে অর্থ পাচারে সম্পৃক্ত দুর্বৃত্ত ও এজেন্টদের দেশ থেকে অর্থ পাচার থেকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। শুনানিকালে আদালত বলেছেন, যারা অর্থ পাচার করছে, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা দেশ ও জাতির সঙ্গে বেইমানি করছে বলেও মনে করেন আদালত। আদালত বলেন, ওই ব্যক্তিরা কীভাবে অর্থ পাচার করল, কীভাবে ওই টাকায় বাইরে বাড়ি তৈরি করল, তা অবশ্যই জানা দরকার। তা না হলে এই অপরাধ কমবে না। আদালত বলেন, দেশে থাকবে, দেশে পড়াশোনা করবে, অথচ দেশকে ঠকিয়ে দেশের টাকা বাইরে নিয়ে যাবে, এটা হতে পারে না। একজন মানুষের দেশপ্রেম থাকলে এটি কখনোই হতে পারে না। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ছিলেন।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি কার্যতালিকায় আসবে বলেছেন আদালত। ১৮ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, রাজনীতিবিদেরা নয়, বিদেশে বেশি অর্থ পাচার করেন সরকারি চাকুরেরা।

গোপনে কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ধারণা ছিল রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু আমার কাছে যে তথ্য এসেছে, সেটিতে আমি অবাক হয়েছি। সরকারি কর্মচারীর বাড়িঘর সেখানে বেশি আছে এবং তাঁদের ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার কাছে ২৮টি কেস এসেছে এবং এর মধ্যে রাজনীতিবিদ হলেন ৪ জন।’

যারা অর্থ পাচার করছে, তারা দেশ ও জাতির শত্রু – হাইকোর্ট ***

করোনাভাইরাসের কারণে এবার বিজয় দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজ বাতিল করা হয়েছে। বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের ভার্চুয়াল সভার কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সবার সঙ্গে আলোচনা করে সীমিত আকারে একটি কর্মসূচি প্রণয়ন করার জন্য দ্বিতীয় সভা আহ্বান করা হয়।

প্রতি বছর বিজয় দিবসে তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজ। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজে থাকে বিমানবাহিনীর আকর্ষনীয় অ্যারোবেটিক ডিসপ্লে। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ও আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত থাকেন। ইন্ডিপেন্ডন্ট টেলিভিশন হতে নেওয়া।

বিজয় দিবসে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ বাতিল ***

ডিসিএনবাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ

চাদর মুরী দিয়ে নেমে আসছে শীত। সেই সাথে মানুষের মনে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের আশঙ্খা। জন বহুল দেশ আমাদের বাংলাদেশ। তার মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই বসবাস করে প্রায় দুই কোটি মানুষ। ঢাকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ রয়েছে ৩০৯টি। প্রায় ২ কোটি মানুষের জন্য এতকম আইসিইউ দিয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়া শীতের প্রকোপ শুরু না হতেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ঢাকায় আইসিইউ বেডের চাহিদাও বাড়ছে। অথচ ঢাকার সরকারি ১০টি হাসপাতালে আইসিইউ বেড রয়েছে ১১৭টি, আর বেসরকারি হাসপাতালে বেড রয়েছে ১৯২টি। এছাড়া, করোনা মোকাবিলায় প্রতি জেলায় ১০টি আইসিইউ বেড স্থাপনের বরাদ্দ দেয়া হলেও চালু হয়নি একটিও।

কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের ১৬টি, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১০টি এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি আইসিইউ বেডের সবগুলোতেই রোগী ভর্তি। যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে দ্রুত আইসিইউ বেড বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, আইসিইউ সাপোর্ট দেয়ার জন্য যথেষ্ট যন্ত্রপাতি থাকলেও তা পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ কভিড রোগী সাধারণ চিকিৎসাতেই সুস্থ হন। ১৮-২০ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে যেতে হয়, ৫ শতাংশের লাগে আইসিইউ। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো কঠিন হতে পারে,দ্রুত আইসিইউ বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ***

পুরাতন খবর

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28      
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
       
  12345
6789101112
20212223242526
27282930   
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
24252627282930
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
11121314151617
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
10111213141516
31      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
17181920212223
       
  12345
2728293031  
       
      1
9101112131415
3031     
    123
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
12131415161718
262728293031 
       
   1234
19202122232425
262728    
       
891011121314
293031    
       
    123
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
282930    
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031