
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে এখনও দুটি আবেদন অগৃহীত রয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন দলটির সংসদ সদস্যরা।
রোববার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনে এ দাবি করেন তারা। এর জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিএনপি নেত্রীকে মানবিক কারণে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আর অন্য আবেদনগুলো বিবেচনা করা যায় কি না সেটা দেখা হবে।
জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছেন বেগম জিয়া। শনিবার (২৭ নভেম্বর) দলটির মহাসচিব এমন তথ্য দিয়ে জানান, পরিপাকতন্ত্রের চিকিৎসার প্রযুক্তি বাংলাদেশে নেই। তাকে নিতে হবে বিদেশের হাসপাতালে।
এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানালেন, বেগম জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি হাসপাতালের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।
তবে বেগম জিয়া ইস্যুতে সরকার যদি স্বেচ্ছাচারিতা করে তবে বিএনপি আন্দোলনে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের আরেক সিনিয়র নেতা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার যদি গায়ের জোরে বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দমন পীড়ন করে, তবে সে সরকার টিকতে পারবে না।
এদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানাতে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করবেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা সন্ধ্যা ৭টায় চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।
শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়া।