সোমবার (২১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যদি ফের ক্ষমতায় রাখা যায়, তা পুরো অঞ্চলের জন্য, আমাদের জন্য, ভারত, নেপাল ও ভুটান প্রত্যেকের জন্য মঙ্গল হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে জরুরি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা। শেখ হাসিনা হচ্ছে, শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতীক। মোমেন বলেন, চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সম্ভবনা আছে। এখনও সময় চূড়ান্ত হয়নি।
আরও পড়ুনঃ দুঃস্থ ও ক্ষুধার্ত মানুষদের নিজ হাতে খাবার তুলে খাওয়ালেন এমপি তানভীর ইমাম
দু’দেশের সরকার প্রধানের আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, চীন আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। আমরা অনেকগুলো প্রজেক্ট সই করেছি, চুক্তিপত্রে সই করেছি। প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারের সই। আর প্রাইভেটে ১৩ মিলিয়ন। তিনি আরও বলেন, চুক্তিপত্র অনুসারে তা থেকে আট বছরে এ পর্যন্ত চার বিলিয়ন পেয়েছি, সেগুলো যেন ত্বরান্বিত হয়, সেটা আলোচনা হতে পারে। এগুলো গুরত্বপূর্ণ ইস্যু।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতাদের প্রস্তুত হতে বললেন কাদের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঋণের সুদের হার নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা সুদের হার কম চাই। দুনিয়াব্যাপী তাদের ঋণের সুদের হার বেড়ে গেছে। আমরা বলব, সস্তায় বিবেচনা করলে ভালো হয়। জলবায়ু ইস্যু থাকবে, আমাদের নিয়মিত অভিবাসন থাকে, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ চাই, বাণিজ্য বাড়াতে চাই।
ডিসিএন বাংলা/জা.নি.