সকাল ১০টা থেকে ঢাকার ফায়ার সার্ভিসের সিদ্দিকবাজার ইউনিট থেকে আসা ৪ সদস্যদের ডুবুরিদল মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। নিখোঁজ মোতালেব ভোলা জেলার দুলারহাট থানার নুরাবাদ গ্রামের রফিজুল হক মিজির ছেলে। তিনি বাল্কহেডটিতে লস্কর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মুন্সিগঞ্জের কলাগাছিয়া নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক উদয় বাবু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি শুরু করে নিখোঁজ একজন শ্রমিককে উদ্ধারে। বাল্কহেডের ওপরের অংশ দেখা যাওয়ায় ঘটনাস্থল নিশ্চিত হওয়া গেছে। নৌ-পুলিশ ও ডুবুরিদল যৌথভাবে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করছে। দিনের আলো থাকা পর্যন্ত ডুবুরিদল অভিযান অব্যাহত রাখবে।
কলাগাছিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মো. জহিরুল হক জানান, বুধবার রাত পৌণে ১১টায় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকার ডেমরাগামী বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা বরিশালগামী সুরভী-৭ যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় বাল্কহেডটি নদীতে ডুবে যায়। বাল্কহেডে থাকা ৬ জন শ্রমিকের মধ্যে ৪ জন সাঁতরে তীরে উঠে এবং আরেকজন লঞ্চে উঠতে সক্ষম হলেও মোতালেব নামের একজন শ্রমিক বের হতে পারেনি।
বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চের সামনের অংশের একটি জায়গায় তলা ফেটে যায়। তবে এটি সামান্য ছিল। তাৎক্ষণিক লঞ্চটিকে চরকিশোরগঞ্জ মেঘনা নদীর তীরে নোঙর করে রাখা হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট বিকল্প লঞ্চের মাধ্যমে প্রায় ৬ শতাধিক যাত্রীকে নিরাপদে বরিশাল নিয়ে আসা হয়। তিনি আরও জানান, আইন অমান্য করে বাল্কহেডটি রাতে নদীতে চলছিল। সুরভী-৭ লঞ্চ কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডিসিএন বাংলা/দু.নি.