মোঃ তহিরুল ইসলাম
ডিসিএন বাংলা টিভি
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের ১০ টাকার জন্য ২য় শ্রেণীর ছাত্রকে গলা কেটে জবাই করে হত্যার ঘটনায় ৬ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১২ টায় দামুড়হুদা মডেল থানায় ইয়মিন হোসেনের মা রিনা খাতুন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। তবে এই ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হলোও পুলিশ কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি। রোববার দুপুর ৩ টায় ইয়ামিন হোসেনের লাশ ময়না তদন্ত শেষে কানাইডাঙ্গা স্কুল মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে কানাইডাঙ্গা সরকারী কবর স্থানে তার লাশ দাফন সম্পূন্ন করা হয়েছে। এ সময় ইয়ামিনের স্বজদের কান্নায় এলাকায় শেকের ছায়া নেমে আসে।
উল্লেখ, শনিবার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের বৃত্তিপাড়ার একটি আম বাগানে বন্ধুরা মিলে খেলা করছিলো ইয়ামিন ও তার বড় ভাই ইমন, জাহিদ হাসানসহ বেশ কয়েক জন। এ সময় জাহিদ ৩০ টাকা দিয়ে মুড়ি কেনার জন্য ইয়ামিনকে দোকানে পাঠায়। মুড়ি কিনার পর অবশিষ্ঠ থাকা ১০ টাকা খরচ করে ফেলে ইয়ামিন। পরে জাহিদ বাকী টাকা চাইলে ইয়ামিন দিতে না পারায় তাকে দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেধে মারধর করে। এসময় ইয়ামিনের বড় ভাই ইমন পালিয়ে এসে ঘটনা বাড়িতে জানালে পরিবারের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির পাশে আম বাগানে ইয়ামিনের গলা কেটে জবাই করা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
পরে পুলিশে খবর দিলে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার,দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ পরিদর্শন করে শনিবার সন্ধ্যায় তার লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদরহাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে। সোমবার দুপুর ১২ টায় দামুড়হুদা মডেল থানায় ইয়মিন হোসেনের মা রিনা খাতুন বাদী হয়ে জাহিদ হাসান সহ ৬ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রোববার দুপুর ৩ টায় ইয়ামিন হোসেনের লাশ ময়না তদন্ত শেষে কানাইডাঙ্গা সরকারী কবর স্থানে তার লাশ দাফন সম্পূন্ন করেছে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দামুড়হুদা মডেল থানার কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আতিকুর রহমান জুয়েল বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
ডিসিএন বাংলা/দু.চু.নি.