
ডিসিএন বাংলা, বিশেষ প্রতিবেদনঃ
বিজ্ঞানের জগতে এক অবিস্মরণীয় নাম জগদীশ চন্দ্র বসু। রেডিও আবিষ্কারসহ বিজ্ঞানে ছিল নানামুখী অবদান। ১৮৫৮ সালের ৩০শে নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্ম স্যার জগদীশের। তিনি ১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর বিহারের গিরিডিতে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার ৮৩তম প্রয়াণ দিবস।
বিশ্বের উপ-মহাদেশ ভারত বিজ্ঞানচর্চার হাতেখড়ি তার হাত ধরেই। পদার্থ উদ্ভিদ বিজ্ঞানসহ বিজ্ঞানের নানা শাখায় ছিল অবদান। সব ছাপিয়ে তার সবচেয়ে বড় অবদান বেতার বিষ্কারক হিসেবে। তিনি বাঙালী বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু। তাকে বলা হয় রহস্যময় বিজ্ঞানী। ১৩টি বিশ্বমানের বৈজ্ঞানিক গবেষণা লিখেছেন। যার সিংহভাগ নিয়ে এখনো চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ
ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে শুরু, বোসের শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপনা করার সময়েই ব্যক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে শুরু করেন বিজ্ঞান গবেষণার কাজ। ১৮৯৪ সালে ‘অদৃশ্য আলোক’ গবেষণায় বোস দেখান অদৃশ্য আলো তরঙ্গ সহজেই দেয়াল বা ইট পাটকেল ভেদ করে যেতে পারে। যা পরবর্তীতে আজকের বেতার হয়েছে। বিংশতাব্দীর আগেই গাছের প্রাণ থাকতে পারে- অলৌকিক এরকম ধারণাকে গবেষণায় সত্য প্রমাণ করেন ১৯০১ সালে। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে সাইন্স ফিকশন বা কল্প বিজ্ঞান রচনার যোগ করেন। বাংলার সঙ্গে তার ছিল নাড়ির টান, ছিলেন আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক। ২০০৪ সালে বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালীর তালিকায় সপ্তম হয়েছেন স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ।