
ডিসিএনবাংলা, ডেস্ক রির্পোটঃ
চাদর মুরী দিয়ে নেমে আসছে শীত। সেই সাথে মানুষের মনে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের আশঙ্খা। জন বহুল দেশ আমাদের বাংলাদেশ। তার মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই বসবাস করে প্রায় দুই কোটি মানুষ। ঢাকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ রয়েছে ৩০৯টি। প্রায় ২ কোটি মানুষের জন্য এতকম আইসিইউ দিয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া শীতের প্রকোপ শুরু না হতেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ঢাকায় আইসিইউ বেডের চাহিদাও বাড়ছে। অথচ ঢাকার সরকারি ১০টি হাসপাতালে আইসিইউ বেড রয়েছে ১১৭টি, আর বেসরকারি হাসপাতালে বেড রয়েছে ১৯২টি। এছাড়া, করোনা মোকাবিলায় প্রতি জেলায় ১০টি আইসিইউ বেড স্থাপনের বরাদ্দ দেয়া হলেও চালু হয়নি একটিও।
কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের ১৬টি, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১০টি এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি আইসিইউ বেডের সবগুলোতেই রোগী ভর্তি। যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে দ্রুত আইসিইউ বেড বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, আইসিইউ সাপোর্ট দেয়ার জন্য যথেষ্ট যন্ত্রপাতি থাকলেও তা পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ কভিড রোগী সাধারণ চিকিৎসাতেই সুস্থ হন। ১৮-২০ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে যেতে হয়, ৫ শতাংশের লাগে আইসিইউ। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।