গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় ব্রিফিং করে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা জানায়, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে উপাচার্য অপসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত তারা। বিক্ষোভ মিছিল, রোড পেইন্টিং, প্রতিবাদী কনসার্টের মতো অহিংস কর্মসূচি পালন করা হবে। তার আগে, আমরণ অনশন শুরুর ১৬৩ ঘন্টা পর বুধবার সকালে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে শাবিপ্রবির সাবেক শিক্ষক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ড. ইয়াসমিন হক শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান।
উল্লেখ্য, গত ১৬ই জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের পিটুনি, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ, সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটার পর থেকে আন্দোলন জোরদার হয়। উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি। আন্দোলন সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করে এবং শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলো ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সেটিও মেনে নেয়নি শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এরপর গত ১৯শে জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনেককেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ডিসিএন বাংলা/জা.বি.নি.