একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের জানাজা জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে বরেণ্য এই সাংবাদিককে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ বিদায় জানান, দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজ জন্মস্থান নরসিংদীর মনোহরদীর নারান্দী গ্রামে জানাজা শেষে ঢাকার বানানী কবরস্থানে দাফন করা হবে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে।
পেশাগত নিষ্ঠার পাশাপাশি গণমাধ্যম কর্মীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার কণ্ঠ ছিলেন রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। দুইবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা এই সাংবাদিকের শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবে দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। ছিলেন অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতিও।
জানাজায় অংশ নেন সবস্তরের গণমাধ্যম কর্মীরা, ছিলেন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা। বলেন, সত্যনিষ্ঠ, প্রজ্ঞাবান এই সম্পাদকের মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।
শিক্ষাজীবন শেষ করে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকায় যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। অর্ধ শতকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি ডেইলি স্টারের উপ-সম্পাদকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেন।
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের জন্ম ১৯৪৫ সালের ৩০ নভেম্বর নরসিংদীর মনোহরদীর নারান্দী গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৭ সালে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ও ১৯৭২ সালে এলএলবি পাস করেন।
১৬ ডিসেম্বর থেকে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তির পর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে মারা যান।
ডিসিএন বাংলা/সা.রি.নি.