
ডিসিএন বাংলা নিউজ ডেক্সঃ
প্রধান বিচারপতির বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।
এদিকে অবসরে যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি বললেন, বিচারপতি নিয়োগে আইন হওয়া দরকার। এতে দূর হবে বিভ্রান্তি।
বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিদায়ী সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আইনজীবীদের মুখোমুখি এ কর্মসূচি চলে আদালতে।
কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রধান বিচারপতির বিদায়ী অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এবার তাদের অভিযোগ- যথাযথভাবে দাওয়াত না দেওয়ার।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
বিদায়ী প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সাধারণ আইনজীবীরা। এ সময় বিএনপির আইনজীবীদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন তারা।
অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক কারণে করুক আর যে কারণেই করুক তারাই সেটা ভালো বলতে পারবেন (বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা) এ নিয়ে আমি কিছু বলব না। সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, আপনারা উপস্থিত ছিলেন, আপনারা দেখেছেন। সাধারণ আইনজীবীরা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা এ অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। আদালত ভবনে তিল ধারণের জায়গা ছিল না।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারক নিয়োগে আইন হলে নিয়োগ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দূর হবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, বিচারপতি নিয়োগে সংবিধানে যে বিধান আছে, সেই বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে। সংবিধান অনুসারে করতে হবে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এর আগে বুধবারই ছিল তার শেষ কর্মদিবস।