সারাদেশের তিনটি বিভাগে হালকা বর্ষণের আভাস রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আবহাওয়া আংশিক মেঘলা থাকবে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে আগত লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করছে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায়।
এ ব্যাপারে আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুছ জানিয়েছেন, আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থায় শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়বে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সে. বৃদ্ধি পাবে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় উত্তর/উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ৫-১০ কিমি।
রবিবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
“শেখ হাসিনার বারতা, নারী-পুরুষ সমতা” শ্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে জেলার গৌরনদীতে উপজেলা পর্যায়ে জয়িতাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকালে শহীদ সুকান্ত বাবু মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহানারা পারভীন, জয়িতা অমলা রানী, বীনা রানী হালদার প্রমুখ। সভা শেষে উপজেলার পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সবশেষে নারী জাগরনের সংগীত পরিবেশন করা হয়।
বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মেঘনা নদীর ৪টি স্থান থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে একটি চক্র। চক্রটি প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লাখ ঘটফুট বালু উত্তোলন করছে। প্রায় ১ বছরে ধরে চক্রটি প্রতিদিন বালু উত্তোলন করে আসলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে করে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় নদী ভাঙ্গণের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। এর প্রেক্ষিতে গত ৬ ডিসেম্বর মেঘনা নদী থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু এবং মাটি উত্তোলন বন্ধ করার দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নদী ভাঙ্গা কমিটির পক্ষে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিলকৃত ওই আবেদন সূত্রে জানা গেছে, মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালুবহাল বন্ধে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নদী ভাঙ্গা কমিটির পক্ষে ওই আবেদনটি করেছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব শট্টি গ্রামের মৃত আবুল হাসেম সরদারের ছেলে মিজানুর রহমান লালু হাওলাদার, তেতুলিয়ার জাহিদ হাসান, উলানিয়ার তারেক সরদার, আবু মাঝি, শাহাবুদ্দিন, জসিম, লিটনসহ স্বাক্ষরিত১৬৯ জন সদস্য।
মেঘনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় বাধ নির্মাণে সরকার কর্তৃক ৩৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত ভেরী বাঁধটিও রয়েছে ঝুঁকির তালিকায়।
চক্রটির তাদের নিজেদের স্বার্থে লাভবান হওয়ার জন্য অবৈধ বালু উত্তোলন করার কারণে উপজেলার মেঘনা নদী কবলিত জনগনের বসত বাড়ি, ফসলি জমি, বিলিন হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য উপজেলার ১৩নং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন নদী গর্ভে বিলিন হয়ে নতুন চরে পরিনত হয়েছে। ঐ সমস্ত এলাকায় বালু দস্যুরা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে ক্ষতির মুখে পড়া স্থানীয়রা পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়সহ স্থানীয় এমপি, ভূমি মন্ত্রনালয়ের সচিব, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগের অনুলিপি প্রেরণ করেন। অভিযোগে আরো জানা যায়, মেহেন্দিগঞ্জের পানবাড়িয়া এলাকার বালু দস্যু নেজামুলের নেতৃত্বে একটি চক্র দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালু উত্তোলন করছে। তবে দিনের চেয়ে রাতে বেশি বালু উত্তোলন করা হয়। চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছে: আজিজ মোল্লার ছেলে মিজান মোল্লা, রোমান মোল্লা, বেলাল মোল্লা, জামাল মোল্লা ও উলানিয়া এলাকার মৃত হাফেজ বেপারীর ছেলে আমিনুল ইসলাম, এচাহাক মাঝির ছেলে কবির মাঝিসহ অজ্ঞাত আরো বেশ কয়েকজন মেঘনা নদীর মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া লঞ্চঘাট থেকে সোজা মেঘনার মধ্যখানে, দক্ষিণ উলানিয়ার লালগঞ্জ স্কুলের সামনের পশ্চিম পাশের রাস্তা দিয়ে লঞ্চঘাটে দেওয়ান বাড়ির পাশে নদী, রলদী/পালপাড়া গোলপাড় রকমান মাঝির বাড়ির পশ্চিম পাশের নদী ও উত্তর উলানিয়া ইউসুফ চৌধুরীর বাড়ির পিছনে গোলের মধ্যে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে।
বরিশাল নগরীর কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল ফুট ঘার্টের গলির মাথায় পাকা রাস্তার উপর বাবা মোঃ হাসেম ফরাজী (৫০) ছেলে মোঃ ইশা ফরাজী @ জিসান (১৮) জিসান বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র তার উপর ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল ও সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির ও মুন্না ফরাজী এবং মিঠু ও কবির , ঝুমুর বেগম বাহিনীরসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন সন্ত্রাসীরা মিলে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারী মারধরের ঘটনা ঘটায়। এতে আহত হয় বাবা ও ছেলে দুই জন।
আহতরা ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী স্থানীয়রা বাবা হাসেম ফরাজী ছেলে মোঃ ইশা ফরাজী @ জিসানকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উক্ত হাসপাতালের MSU-IV বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৫৫৪/১৫৩। সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনা নিয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়েল করেন মামলার আহত হাসেম ফরাজী মেয়ে বাদীঃ মোসাঃ হাসি আক্তার (২৪) মামলা বিবরণ বলা কিছু কথা: পিতা-মোঃ হাসেম ফরাজী, মাতা- আঞ্জুমান বেগম (৪০), স্বামী মোঃ ইমরান, স্থায়ী সাং-বান্দ রোড, ভাটার খাল, ১০নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা-বরিশাল, এ/পি-আমানতগঞ্জ, বেলতলা, ০৬নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা বরিশাল।
মামলার আসামীদের পরিচয় : ১। মোঃ মনির ফরাজী (৪৫), পিতা অজ্ঞাত, ২। মোঃ মুন্না ফরাজী (২২), পিতা-মোঃ মনির ফরাজী, মাতা-মোসাঃ ঝুমুর বেগম, উভয় সাং-বান্দ রোড, ভাটার খাল, ১০নং ওয়ার্ড, থানা-কোতয়ালী, জেলা- বরিশাল, ৩। মোঃ কবির (৪২), পিতা-অজ্ঞাত, ৪। মোঃ মিঠু (২০), পিতা-মোঃ কবির, উভয় সাং-হিরন নগর, থানা-বন্দর, জেলা-বরিশাল সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন।
আসামীরা কি ভাবে কাহিনী ঘটিয়েছেন তার বিবরণ : ২নং বিবাদী মোঃ মুন্না ফরাজী এলাকায় বখাটে ও মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। এলাকার সাধারন মানুষদের মারপিট করা এবং অহেতুক ঝগড়া বিবাদ করা ২নং বিবাদীর পেশা। ভাটারখাল এলাকার পরিবেশ ভাল না থাকায় আমরা স্ব-পরিবারে আমানতগঞ্জ, বেলতলা ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করি। ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০২:৫০ ঘটিকার সময় আমার ভাই ১নং সাক্ষী সহ ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় এবং তাহাদের বন্ধু বান্ধব আরো অনেকে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল ফুর্ট ঘার্টের গলির মাথায় চা খাওয়ার জন্য যায়। পরবর্তীতে ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩:০০ ঘটিকার সময় ১নং বিবাদীর নেতৃত্বে ২নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদী বে-আইনি জনতাবদ্ধে ঘটনাস্থলে আসিয়া ২নং বিবাদী সাক্ষীদের বলে গত কাল ০১/১২/২০২১খ্রিঃ তারিখ রাতে এখান হইতে তাহাদের টাকা ছিনতাই হইয়াছে।
উক্ত ছিনতাই আমার ভাই সহ ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় করিয়াছে মর্মে মিথ্যা অপবাদ দেয়। তখন উক্ত ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীগণ প্রতিবাদ করিলে ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন বিবাদীরা ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীগণদের এলোপাথারী মারপিট শুরু করে। এই সময় ১নং বিবাদীর হাতে থাকা ইট দিয়া দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে ১নং সাক্ষীর মাথার উপর আঘাত করার সময় ১নং সাক্ষী তাহার মাথা কিছুটা সরাইয়া নিলে উক্ত ইটের আঘাত ১নং সাক্ষীর ডান পার্শ্বের চোখের উপরীভাগে লাগিয়া ফাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ২নং বিবাদী ইট দিয়া ১নং সাক্ষীর নাকের উপর সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী আঘাত করিয়া ছোলা ফাটা রাক্তাক্ত জখম করে। অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী কিল-ঘুষি মারিয়া নীলা ফুলা বেদনাদায়ক জখম করে। এই সময় ১, ৩ ও ৪নং সাক্ষীদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা তাহাদের ভবিষ্যতে খুন জখম করার হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে ৩ ও ৪নং সাক্ষীদ্বয় সহ স্থানীয় কতিপয় লোকজন চিকিৎসার জন্য ১নং সাক্ষীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ১নং সাক্ষীকে উক্ত হাসপাতালের MSU-IV বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৫৫৪/১৫৩। উক্ত ঘটনার জের ধরিয়া ২য় ঘটনার সময় : ইং ০২/১২/২০২১ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকায় ৩নং বিবাদী মোঃ কবির আমার বাবা অর্থাৎ ২নং সাক্ষীকে মোবাইলে ফোনে কল করিয়া কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১০নং ওয়ার্ডস্থ ভাটারখাল কোষ্ট গার্ড রফিকের চায়ের দোকানের সামনে ডাকিয়া নিয়া যায়। সেখানে নিয়া সকল বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাহার রড ও লাঠি দিয়া ২নং সাক্ষীর পিঠে, কোমড়ে, বুকে, দুই পায়ে, হাতে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী আঘাত করিয়া ছোলা রক্তাক্ত জখম করা সহ নীলা ফুলা বেদনাদায়ক জখম করে। এই সময় উক্ত বিবাদীদের মধ্যে কেহ ২নং সাক্ষীর নিকটে থাকা ৫,৫০০/- (পাঁচ হাজার পাঁচশত) টাকা চুরি করিয়া নিয়া যায়।
এই সময় ২নং সাক্ষীর ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে সকল বিবাদীরা ২নং সাক্ষী সহ আমার ভাইকে ভবিষ্যতে খুন জখম করার হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে স্থানীয় কতিপয় লোকজন চিকিৎসার জন্য ২নং সাক্ষীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ২নং সাক্ষীকে উক্ত হাসপাতালের MSU-1 বিভাগে ভর্তি রাখিয়া চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহার রেজিঃ নং-৫৬৬৫৪/২৫৩। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন উপরোক্ত ঘটনার সংবাদ পাইয়া তাৎক্ষনিত হাসপাতালে আসিয়া সাক্ষীদের নিকট হইতে উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত শুনি। উক্ত ঘটনার বিষয়ে উল্লিখিত সাক্ষীগণ সহ বহু সাক্ষী প্রমান আছে, যাহা তদন্তকালে উপস্থাপন করিব। ১ ও ২নং সাক্ষীদ্বয়ের চিকিৎসা কাজে ব্যাস্ত থাকা সহ ঘটনার বিষয়ে আমার নিকটতম আত্মীয়-স্বজনের সাথে আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল।
এই মামলার বাদীসহ সাক্ষীগণ এখন নিরাপত্তাহীনতা আছে। এখনো মাদক ও সন্ত্রাস মনির বাহিনীরা হত্যার হুমকি দিচ্ছি এখনো পাইনি কোন আইনি সহযোগিতা। নিরবে ঘুরছে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির বাহিনীরা ।
এবিষয় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন এজাহার পেয়েছি খুব দ্রুত আসামীদের আইনি আওতায় আনা হতে বলেন তিনি।