রোববার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়। চলবে ১টা পর্যন্ত। চলতি বছরে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার ১৯৭ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৬ জন।
আরও পড়ুনঃ ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছেঃ ড. মো. আখতারুজ্জামান
এবার এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রশ্নফাঁস ও গুজব ঠেকাতে নানান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুকে প্রশ্নফাঁস নিয়ে গুজব এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সন্দেহজনক লেনদেনে নজর রাখা হবে। একইসঙ্গে প্রশ্ন ছাপানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত বিজি প্রেসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশ বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থানঃ প্রধানমন্ত্রী
পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ডে উল্লেখিত বিষয়গুলো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষার কেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবে না।
ডিসিএন বাংলা/শি.নি.