1. online@dcnbangla.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dcnbangla.tv : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

ভয়ংকর তথ্য দিলেন দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা হত্যাকারী সোহেলকে নিয়ে স্ত্রী স্বপ্না,

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

ডিসিএন বাংলা অনলাইন ডেক্স:

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার স্ত্রী স্বপ্না। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জাকির একজন বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তিনি বিভিন্ন সময় স্ত্রীকেও নির্যাতন করতেন। বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীকেও বিকৃত যৌনকাজে বাধ্য করতেন বলে অভিযোগ স্ত্রী স্বপ্নার।
পুলিশ আরও জানায়, স্ত্রী স্বপ্না বলেছেন ঘটনার দিন তাকে একটি ঘরে বন্দী করে রেখেছিলেন তার স্বামী সোহেল এবং শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন তিনি। পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় পল্লবী থানায় আসামি সোহেল, তার স্ত্রী স্বপ্না ও অজ্ঞাত আরেকজনের নাম দিয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন রামিসার বাবা।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরে ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে স্ত্রীর সহযোগিতায় জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল।
পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ এলাকায় একটি বিকাশ এজেন্ট দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, বিকাশের দোকানে টাকা তুলতে যান সোহেল। পরে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, সোহেল পেশায় রিকশা মেকানিক এবং তার বিরুদ্ধে নাটোর জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলাও রয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, নিহত রামিসার পরিবার ওই ভবনে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বসবাস করলেও অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে উল্টো দিকের ফ্ল্যাটে ভাড়া আসেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার স্যান্ডেল দেখতে পান।
পুলিশ জানায়, রামিসার মা যখন দরজায় নক করছিলেন, তখন ভেতর থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হচ্ছিল। মূল আসামি জাকির যেন পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতেই স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা খোলেননি। জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। সে নিজে এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছে পুলিশ।
ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকেই আটক করে। তবে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় জাকির। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, জাকির নারায়ণগঞ্জের একটি দোকানে তার বন্ধুর মাধ্যমে পাঠানো টাকা তুলতে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ ও দোকানদারের সহায়তায় ডিএমপির টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে বিকাশের দোকান থেকেই জাকিরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এর আগে সকালে পল্লবীর ওই ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

ডিসিএন বাংলা টিভি:

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost