1. online@dcnbangla.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@dcnbangla.tv : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

সিলেটে ঈদকে টার্গেট করে জাল নোট চক্র বাজার জাত করণে ৩ সদস্য সক্রিয়

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ১৩০ বার পঠিত

সিলেট প্রতিনিধি:
ডিসিএন বাংলা টিভি:

পবিত্র ঈদুল আযহাকে টার্গেট করে সিলেট নগরী সহ আশ পাশ এলাকায় জাল নোট চক্র বাজার জাত করণে ৩ সদস্য সক্রিয় হয়ে কাজ করছে বলে অর্ভিযোগ উঠেছে। বিশেষ কোরবানীর হাট বাজারগুলোতে বেছে নিয়েছে জাল নোট চক্রবাহিনীর সদস্যরা। ঢাকার একটি গ্যাং সিলেটে এসে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সঙ্গে মিশে। সিলেটে ওই চক্রের মুল হোতা হচ্ছে সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহেমদ তার সহযোগী হিসেবে রয়েছে যুব মহিলা লীগের নেত্রী খাদিজা বেগম এবং দুই মহিলার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাপ্পি নামের এক যুবক। তারা বিভিন্ন কৌশলে নগরীর বড় বড় ব্যস্ততম বিপনী বিতান, কোরবানী হাটগুলোতে জাল নোট ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। শুধু জাল নোট নয় ওই তিন সদস্য সহ কয়েজন সিলেট জুড়ে সাংবাদিক নাম ব্যবহার করে চাদাবাজী করে আসছে। সম্প্রতি স্বপ্না থেরাপী থেকে ২ লক্ষ চাদা দাবী করে লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহেমদ।ইতিপূর্বে এ ধরনের একটি চক্রকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। জানা যায়, নগরে আরও কয়েকটি জাল নোট চক্র সক্রিয় রয়েছে। এদিকে, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া জাল নোট নেটওয়ার্কের সদস্যদের কাছ থেকে জানা গেছে, ৫০০ টাকার একটি  ওনাট চালাতে পারলে চক্রেন নিয়ন্ত্রণকারীরা সদস্যদের ২০০ টাকা দিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে জাল নোট ছাপা ও পুরো  নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ওই চরের চার সদস্যকে আটকের পর এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সম্প্রতি র‌্যাপ-৯ এর অভিযানে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকা থেকে জাল নোট চক্রের এক সদস্য আটক হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নগরীর লালবাজারস্থ একটি আবাসিক হোটেল থেকে এই চরে আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫ লক্ষাধিক টাকার জাল নোট। আটক চারজনই সিলেটের বাইরের। এর মধ্যে দুই জনের বাড়ি শেরপুর, একজনের বাড়ি বরিশাল ও একজনের বাড়ি ঢাকা। চক্রের সদস্যরা নানা জানায়, জাল নোট ছড়িয়ে  দেয় সার দেশে। প্রতিটি ৫০০ টাকার জাল নোটে ২০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোটের জন্য ৪০০ টাকা পেয়ে থাকে সদস্যরা। আইন রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জাল নোট দিয়ে প্রতারণার জন্য চক্রের সদস্যরা বেশির ভাগ টার্গেট করে থাকে ব্যবসায়ীদের। যে দোকানে ব্যস্ততা বা ভিড় বেশি থাকে ওই দোকানে গিয়ে অল্প পরিমাণ জিনিসপত্র কিনে তারা। এরপর মূল্য পরিশোধের জন্য বড় নোট দিয়ে থাকে। ব্যবসায়ী পরীক্ষা না করে জাল নোট রেখে দিয়ে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দিলেই প্রতারক গা-ঢাকা দেয়। এ ছাড়া বড় নোট ভাঙানোর নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গেও চক্রটির সদস্যরা প্রতারণা করে থাকে। র‌্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- প্রতারক চক্রের সদস্যরা জাল নোট ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। ওই চক্রের মূলহোতাদের কাছে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে তারা টাকা পাঠায়।

ডিসিএন বাংলা টিভিঃ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost